দুর্গাপূজা ২০২৬ : কলকাতার ৬০ টি জনপ্রিয় পূজা কমিটির এবারের পূজো থিম ভাবনা

দূর্গা পূজার আমেজ শুরু হয়ে গেছে, আর কিছুদিন পরেই মহালয়া। বাঙালি পরিবার গুলোতে জামাকাপড় কেনার ধুম শুরু হয়ে গিয়েছে। গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিভিন্ন মণ্ডপে মণ্ডপে প্যান্ডেল গড়ার মুহূর্ত গুলো অনুভব করা যাচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ১২০ বছর পূর্বে দূর্গা পূজো গুলো জমিদার বাড়ী পর্যন্ত সীমিত ছিল। ১৯১০ সাল নাগাদ এই পূজো জমিদার বাড়ীর দালান থেকে আস্তে আস্তে বারোয়ারি পুজোর দিকে অগ্রসর হয়। ১৯৬০ সাল নাগাদ দূর্গা পুজোয় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র আসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে থিম পূজোর চল শুরু হয়। ২০২৬ সালের কলকাতার ৬০ টি পূজোর থিম নিয়ে এখানে আলোচিত হল। 



1) হরিদেবপুর অজেয় সংহতি-র পুজোয় বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ভারতের শিল্পচর্চায় জাতীয়তাবাদের প্রকাশ ঘটার যে সূচনা হয়, তাকেই স্মরণ করে বিষয়ভাবনা: ‘স্বতন্ত্র’।


2) সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক : দুর্গাপুজোর সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রকৃতি থেকে আহরিত নবপত্রিকা ছাড়া পুজো শুরু হয় না। বাঙালির কাছে শরৎ ঋতুর সব থেকে বড় পরিচায়ক কাশ আর শিউলি, যা দুর্গাপুজোরও বার্তাবহ। সর্বোপরি গ্রামবাংলার চিরন্তন মৃন্ময়ী প্রতিমা তৈরি হয় প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে যা বিসর্জনের পরে আবার প্রকৃতিতেই মিশে যায়। এই চেতনা নিয়েই পুজোর বিষয়ভাবনা: ‘প্রকৃতি’।


3) মাস্টারদা স্মৃতি সংঘ : সীতাহরণের পরে রামের যে সংকল্প, শুধু সীতা-উদ্ধারই নয় রাবণের হাত থেকে সমগ্র পৃথিবীকে রক্ষা করা, সেই লক্ষ্যপুরণের কাহিনি নিয়েই উপস্থাপনা। এই অভীষ্টসিদ্ধির পথে তিরধনুকই তাঁর প্রধান সহায়। শত্রুদমনেও যেমন, দেবীর আরাধনাতেও ঠিক ততটাই। রামের তিরধনুককে লক্ষ্যভেদের মূল প্রতীক হিসেবে ধরে নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘সংকল্প’।


4) খিদিরপুর পল্লি শারদীয়া দুর্গোৎসব : বিষয়ভাবনা: ‘চল যাব তোকে নিয়ে’। নিছক আহ্বান নয়, এ যেন স্মৃতির হাত ধরে ফিরে যাওয়ার আমন্ত্রণ। ফিরে যাওয়া সেই কলকাতায়, যেখানে ট্রামের ঘণ্টাধ্বনি ছিল শহরের হৃদস্পন্দন।


5) রাজডাঙা নব উদয় সংঘ: পৃথিবীর সামনে আজকে ঘোর দুর্দিন। নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে পশুপাখিদের বাসস্থান, প্রাকৃতিক বনভূমি। স্বাভাবিক ভৌগোলিক পরিবেশকে মানুষ ধীরে ধীরে কৃত্রিম, বন্ধ্যা করে তুলছে। সেটা অনুভব করা যাচ্ছে না তা নয়, নানা ভাবে হয়তো তা শুধরে নেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু সেই প্রয়াস নানা কারণে এখনও সঠিক বা যথেষ্টর ধারেকাছেও নয়। এই নিয়েই বিষয়ভাবনা: ‘শোধন’।


6) উত্তর কলকাতা সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি: -র বিষয়ভাবনা: ‘জলছাপের কলকাতা’। অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতকের সন্ধিক্ষণে উত্তর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র চিতপুরে জন্ম নিয়েছিল এক অনন্য শৈল্পিক ধারা। সেই ঐতিহাসিক সময়ের জলরং ও তুলির টান বিশেষত কোম্পানির আমলে দেশীয় পটশিল্পী ও কারিগরদের নিপুণ দক্ষতায় ব্রিটিশ রুচির সংমিশ্রণে যে ছবিগুলো আঁকা হয়েছিল, তাতে ধরা পড়েছিল সমকালীন কলকাতার জনজীবন আর পুরনো স্থাপত্যের নিখুঁত রূপরেখা। এই শিল্পধারাই নতুন করে তুলে ধরা হবে পুজোর মণ্ডপে।


7) দক্ষিণের ৭১ পল্লি বৈশাখী সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি-র মণ্ডপের বিষয়ভাবনা: ‘মন্থন-দর্পণ’। আধুনিক সভ্যতার চরম ভোগবাদ ও দায়িত্বহীনতার জেরে নদী, সমুদ্র আর জলাশয়গুলো ঢেকে গেছে বিষাক্ত প্লাস্টিক, রাসায়নিক বর্জ্য আর আবর্জনার স্তূপে। মণ্ডপসজ্জায় এই সংকটকেই তুলে ধরা হয়েছে রূপক দর্পণ হিসেবে।


8) খিদিরপুরের গোপাল ডাক্তার রোড যুবক সংঘ: বিষয়ভাবনা: ‘মানবতা’। বেঁচে থাকার জন্যে মানুষের ন্যূনতম কাম্য খাদ্য, বস্ত্র আর বাসস্থান। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক মানুষেরই হয়তো কোনও না কোনওটার অভাব আছে। সমাজের দেখা উচিত যাতে যার যা অভাব সেটা মেটানো যায়, আর যতক্ষণ সেটা না হচ্ছে, ততক্ষণ যেটুকু আছে তা যেন কেড়ে না নেওয়া হয়। ধর্ম জাতি ভেদাভেদ ভুলে এইটা করতে পারাটাই মানবতা। 


9) গান্ধী কলোনির অভিযান ক্লাব: -এর পুজোয় বিষয়ভাবনা: ‘শুভ্র শান্তি’। তিন হাজার কৃত্রিম শুভ্র শতদলে ঘেরা মণ্ডপে বিরাজ করবে অপার শান্তির ভাব।


10) বাঁশদ্রোণীর সূর্যনগর সর্বজনীন দুর্গাপুজোর মূল ভাবনা ‘উদযাপন’। মণ্ডপশৈলীতে থাকবে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ, দুই প্রতিবেশী রাজ্যের দুই পটচিত্র গ্রাম মধুবনী আর পিংলার শিল্পকলার মেলবন্ধন।


11) কালীঘাট মিলন সংঘ: দেশ-কাল-সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয় ভাবনা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা রবীন্দ্রনাথের রূপকধর্মী নাটক তাসের দেশ। উপস্থাপনার মধ্যে নিহিত থাকবে শৃঙ্খলাবদ্ধ নিয়মের আগড় ভেঙে মুক্ত মনের ধারাকে প্রতিষ্ঠা করার চেতনা।


12) বাঘাযতীন বিবেকানন্দ মিলন সংঘ : ৭৭ তম বর্ষ, এবারের ভাবনা 'প্রণতিতে জয় ' রামচন্দ্রের ডাকে অকালে মা জগৎ জননীর আগমন। 


13) চালতা বাগান লোহাপট্টি : বিষয় ভাবনা 'নিশান' উলকি বা ট্যাটু 


14) অবসর সর্বজনীন-এর বিষয়ভাবনা: অন্য যেখানে অনন্য


15) দমদম তরুণ দল : শিল্পে, মহাকাব্যে, সমাজে, রাজনীতিতে, প্রকৃতিতে, সব জায়গায় আমরা দেখতে পাই পারস্পরিক নির্ভরতা আর সংযোগের সফল মেলবন্ধন। দেবী দুর্গার সৃজনই যেমন দেবতাদের সম্মিলিত শক্তির জোট। এই সমষ্টিবদ্ধতা নিয়েই দমদম তরুণ দল-এর বিষয়ভাবনা: ‘জোট’।


16) রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতি: রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতি-র পুজো উৎসর্গীকৃত গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি। তাঁর জন্মের ১৬০ বছরের প্রারম্ভে তাঁর বহুমুখী জীবনের নানা দিক এবং অবশ্যই চিত্রকলা ফুটে উঠবে মণ্ডপের উপস্থাপনায়। গগনেন্দ্রনাথের ধারায় প্রভাবিত পরবর্তীকালের চিত্রীদেরও কাজ দেখা যাবে মণ্ডপে। বিষয়ভাবনা: ‘উৎসারিত আলো’।


17) চালতাবাগান সর্বজনীন: বিষয়ভাবনা: ‘পরম্পরা’। মা দুর্গা মুক্তকেশী, রণরঙ্গিণী। এই মুক্তকেশ নারীজীবনের আবেগ, আত্মসম্মান, শক্তি ও ক্ষতের প্রতীক। এই চুলই নারীর দুর্বলতার অঙ্গ হয়ে সমাজের হাতে মুষ্টিলগ্ন হয়। ক্যান্সারের মতো নিষ্ঠুর বাস্তবতার সামনে কখনও আত্মপরিচয় নিয়ে ঝরে পড়ে, আবার চুল দানের মাধ্যমে এক নারী অন্য এক নারীর বুকে ফিরিয়ে দেয় আত্মবিশ্বাস ও বাঁচার ইচ্ছা। চুল নিয়েই তাই এবারের বিষয়ভাবনা: পরম্পরা।


18) দক্ষিণ কলকাতার সমাজসেবী সংঘ: উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষের উদযাপনে সমাজসেবী-র পুজো মহানায়ক উত্তমকুমারের উদ্দেশে নিবেদিত। উত্তমকুমারের অভিনীত চলচ্চিত্রের রোমন্থন, তাঁর জীবনের খণ্ডস্মৃতি, তুলে ধরা হবে তাঁরই সময়ের প্রেক্ষাপটে। বিষয়ভাবনা: ‘মহাপূজায় মহানায়ক’।


19) নাগেরবাজার সন্নিহিত তেলিপুকুর নার্সারিবাগান যুব সংঘ: পাড়ার মাঝখানে ফুসফুসের মতো একটা ছোট্ট পুকুর। পরিস্থিতির চাপে ছোট হয়ে গেলেও সে হারিয়ে যায়নি। এই পুকুরকে ঘিরেই উপস্থাপনা। মানুষের জীবনের সঙ্গে পুকুর যেরকম ওতপ্রোতভাবে জুড়ে আছে, সেই উপলব্ধি, মানুষের ও পুকুর উভয়ের সত্তার সেই চিরন্তন যোগসূত্র ধরেই বিষয়ভাবনা: ‘এক পুকুর ভালোবাসা’।


20) লেকটাউন অধিবাসী বৃন্দ: বিষয়ভাবনা: ‘আর্তি’। মানুষের নির্বিচার দহনের ফলে পৃথিবীর বনজঙ্গল আজ ধ্বংস হতে চলেছে। জীবজন্তুরা তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান হারিয়ে বিপন্ন থেকে বিপন্নতর হয়ে বিলুপ্তির মুখে। শিল্পী প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি পরিবেশবান্ধব মণ্ডপে তাদেরই অন্তরের আর্তনাদ ফুটিয়ে তুলবেন। বন্দে মাতরম গীত রচনার ১৫০ বছর পূর্তিতে গৌরীবেড়িয়া সর্বজনীন-এর এ-বছরের পুজো ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি উৎসর্গীকৃত। বিষয়ভাবনা: নাম ‘বঙ্কিম’।


21) নিউটাউন সার্বজনীন : বিষয়ভাবনা: ‘পদ্মভূষণ’। পদ্মভূষণ যে শুধু ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান তাই নয়, দেবীর ভূষণও। বাংলাও যেন একদিন সেভাবেই দেশমাতৃকার ভূষণ হয়ে ওঠে সেই চেতনাই রূপ পাবে মণ্ডপে।


22) সন্তোষপুর লেক পল্লি-র বিষয়ভাবনা: ‘তাণ্ডব’। সতীর দেহত্যাগের শোকে উন্মত্ত মহাদেব যে তাণ্ডব নাচ নেচেছিলেন অভিনবতম আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই প্রলয়-প্রাবল্য ফুটে উঠবে কলকাতার বুকে।


23) বাগুইহাটি অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাব: বাগুইহাটির উপস্থাপনা প্রবীণ নারীদের অদৃশ্য অথচ চিরন্তন শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা। সমাজ প্রায়শই তাঁদের অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করলেও, তাঁদের জীবন, অভিজ্ঞতা, ভালোবাসা ও ত্যাগ পরবর্তী প্রজন্মের অস্তিত্বের ভিত গড়ে তোলে। দেবী দুর্গা তাঁদের মধ্যেই উপস্থিত থাকেন, যাঁদের নীরব শক্তি সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়ে ওঠে। এই কাজ সেই চিরন্তন অধরা শক্তিকেই অনুভব করার একটি প্রচেষ্টা। বিষয়ভাবনা: ‘রোপণ’।


24) হাতিবাগান নবীন পল্লি: এবারের কাজ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। বিষয়ভাবনা: ‘হাসিখুশি পুজো’।বাঙালির ঘরে ঘরে একটা সময় শিশুশিক্ষা শুরু হত যোগীন্দ্রনাথ সরকারের ‘হাসিখুশি’ বইটি দিয়ে। কালের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে ‘অ-এ অজগর আসছে তেড়ে’-র সেই পরিচিত সুর। শিশুদের মনস্তত্ত্ব বুঝে মাতৃভাষা বাংলায় অক্ষর চেনানোর কাজ যাঁরা শুরু করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে যোগীন্দ্রনাথ পথিকৃৎ। 


25) সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি: -র ৯১তম পুজোর সামগ্রিক সৃজনের গুরুদায়িত্বে আছেন শিল্পী। এ-বছরের পুজো ভারতবর্ষের সনাতন সভ্যতা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। বিষয়ভাবনা: ‘সনাতন চেতনায় বন্দে মাতরম্’। স্বাধীনতা সংগ্রামে যাঁরা দেশের জন্যে আত্মোৎসর্গ করেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে


26) দক্ষিণ কলকাতার বেহালা ইয়ংমেন্স অ্যাসোসিয়েশন- নদীমাতৃক দেশে নদীর সমস্যা, জলদূষণ ইত্যাদি নিয়ে নান্দনিক কাজ। বিষয়ভাবনা: 'জললিপি'। 


27) সল্টলেক ই সি ব্লক-এর সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ: মহাভারতকে কেন্দ্র করে একটা পূর্ণাঙ্গ কাজ। মহাভারতের প্রতিটি ঘটনাই আজকের সমাজব্যবস্থাতেও প্রবল ভাবে প্রাসঙ্গিক। সেই সূত্রই তুলে ধরে দেখানো থাকবে মহাভারতের আঠারোটি পর্বের প্রতিটি থেকে। বিষয়ভাবনা: 'অক্ষৌহিণী'।


29) চেতলা অগ্রণী: খড় আর পেপার পাল্প দিয়ে গড়ে উঠবে মণ্ডপ। বিষয়ভাবনা: ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। একই নারী তিনি দশভুজা। কখনও যুদ্ধ করছেন, কখনও বা গঙ্গা হয়ে প্রবাহিত হয়ে চলেছেন, কখনও গৃহিণী হয়ে সংসার চালাচ্ছেন। এই আমাদের দেবীর বিশ্বরূপ, যা আলো করে তুলবে অগ্রণীর পুজো প্রাঙ্গণ।


30) চেতলার প্রসন্নময়ী ঘাট: এর দুর্গোৎসবের এ-বছর শতবর্ষ পূর্তি। মায়ের অবস্থান ঘাটের উপরেই। ঘাটের একশো বছরের ইতিবৃত্ত নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘শুদ্ধি-সমৃদ্ধি’। 


31) লেকটাউন নেতাজি স্পোর্টিং ক্লাব: বিষয়ভাবনা: 'নগর কথা'। একসময় প্রায় মেনেই নেওয়া হয়েছিল ১৬৯০ সালে ভিনদেশি জোব চার্নকের পদার্পণেই নাকি শহর কলকাতার জন্ম। কিন্তু ১৫৯৬ সালে দিল্লি দরবারের তোষাখানায় জমা পড়েছিল 'পরগনা কলিকাতা'-র রাজস্ব। ১৬১০ সালে সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের জায়গিরদারি পাওয়ার আগে থেকেই ওলন্দাজ, ফরাসি আর পর্তুগিজদের পদচারণায় মুখরিত হত সুতানুটি বন্দর। ২০০৩ সালের ১৬ মে, কলকাতা হাইকোর্টে প্রতিষ্ঠিত হয়, এই নগরের অস্তিত্ব কোনও বিদেশির দান নয়, ১৬৯০-এর আগেও সে স্বমহিমাতেই ছিল। সেই আত্মপরিচয়ের দলিল হয়েই এবার সেজে উঠবে লেকটাউন নেতাজি স্পোর্টিং ক্লাব-এর মণ্ডপ। 


32) পার্ক স্ট্রিট অ্যালেন পার্ক: ভাবনায় পূর্ণতা পাবে শিব-তাণ্ডব।


33) চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন: এর মাঠে এবার সৃজিত হবে পদ্মদীঘি। মায়ের অধিষ্ঠান যেন জলের তলায়। ৯০০টি পাতা আর ১০৮টি পদ্মফুল দিয়ে তৈরি কৃত্রিম পদ্মবনের মধ্যে দিয়ে নেমে যাবেন দর্শকেরা, মাথার উপরে খেলে বেড়াবে কৃত্রিম মাছ। বিষয়ভাবনা: ‘পদ্মদীঘির ঘাটে’।


34) পূর্বাচল আমরা সবাই ক্লাব: এখানে বিষয়টা খুবই চিত্তাকর্ষক। ছোট শিশুদের বড় করার সময়ে তাদের সাবধান করতে বা তাদেরই ভালোর জন্যে তাদের দিয়ে কিছু করাতে মায়েদের অনেক সময়ে নানা রকম ছোট ছোট মিথ্যে কথার আশ্রয় নিতে হয়— এই নিয়েই বিষয়ভাবনা: ‘মায়েরা মিথ্যা বলে’।


35) বিরাটির কিশোরপাড়া সর্বজনীন: বাউলগ্রাম। বাউলদের অঙ্গে ধারণের বস্ত্রখণ্ডের স্বাভাবিক রং নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘এবার গেরুয়া’।


36) বেহালা প্লেয়ার্স কর্নার-এর বিষয়ভাবনা: ‘বিবর্তন’। দুর্গাপুজোর বনেদিয়ানা থেকে আজকের কর্পোরেট ইভেন্ট-এর যে যাপন, তাকেই তুলে ধরা হচ্ছে ফটো-আর্কাইভের মাধ্যমে। 


37) শ্যামা পল্লি শ্যামা সংঘ: বিষয় ‘তুরঙ্গ’


38) জোড়াসাঁকো ৭-এর পল্লির বিষয়ভাবনা: ‘লিপন কাম’। গুজরাতের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাধারণের বাড়ির দেওয়ালে ফুটিয়ে তোলা ‘মাটি ও-মুকুর’ শিল্প বিখ্যাত। সৌন্দর্যকে সর্বজনীন করা এবং সেই সব দুঃস্থ শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোই পুজোর উদ্দেশ্য। 


39) বাগুইহাটি উদয়ন সংঘ: মণ্ডপসজ্জায় দেখা যাবে মধ্যপ্রদেশের গোন্ড শিল্পকলা এবং আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন-এর একশৈল্পিক সংমিশ্রণ। বিষয়ভাবনা: ‘পুনর্জীবন’।


40) বেলেঘাটা সন্ধানী: মণ্ডপ গড়ে উঠবে শান্তিনিকেতনের কাছের উপাসনা মন্দিরের ধাঁচে। আবার ভিতরে দেবীর অধিষ্ঠানের প্রেক্ষাপট নির্মিত হবে বেনারসের অন্নপূর্ণা মন্দিরের আদলে। বিষয়ভাবনা: ‘দেবায়তন’।


41) বেহালা নূতন দল: পূজাপ্রাঙ্গণে এবারে শিল্পীর নিবেদন ‘পার্বণ’। 


42) চালতাবাগান সর্বজনীন : বিষয়ভাবনা: ‘পরম্পরা’। মা দুর্গা মুক্তকেশী, রণরঙ্গিনী। এই মুক্তকেশ নারীজীবনের আবেগ, আত্মসম্মান, শক্তি ও ক্ষতের প্রতীক। এই চুলই নারীর দুর্বলতার অঙ্গ হয়ে সমাজের হাতে মুষ্টিলগ্ন হয়। ক্যানসারের মতো নিষ্ঠুর বাস্তবতার সামনে কখনও আত্মপরিচয় নিয়ে ঝরে পড়ে, আবার চুল দানের মাধ্যমে এক নারী অন্য এক নারীর বুকে ফিরিয়ে দেয় আত্মবিশ্বাস ও বাঁচার ইচ্ছা। চুল নিয়েই তাই এবারের বিষয়ভাবনা: পরম্পরা।


43) খিদিরপুর ৭৫ পল্লি : বিষয়ভাবনা: ‘পরাশ্রয়— এক চিরন্তন সত্য’ পরভৃত কোকিল অন্যের বাসায় ডিম পেড়ে রেখে যায় নিজের ভবিষ্যতে, অনাত্মীয় কেউ অজান্তেই তাকে বড় করে তোলে। মানুষও তেমনই এই পৃথিবীর বুকে এক আশ্রিত প্রাণ। প্রকৃতির দানে তার অস্তিত্ব। অথচ তারাই আবার নিজের লোভে সেই আশ্রয়কে ধ্বংস করে। পরিবর্তে মানুষ যদি সহাবস্থানের ভাষা শেখে, মানবতার ভবিষ্যৎ এখনও বেঁচে যায়। 


44) পশ্চিম পুটিয়ারি পল্লি উন্নয়ন সমিতি-র পুজোর বিষয়ভাবনা: ‘অনামিকা’।


45) পল্লি শারদীয়া : কলকাতার প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রামের যাত্রা। মণ্ডপের প্রতিটি শিল্পরূপ দর্শনার্থীদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে পুরনো কলকাতার অলিগলি, ট্রামের কাঠের কামরা, ঘণ্টাধ্বনি আর পুজোর পরিচিত আবেগে।


46) রাজডাঙ্গা নব উদয় সংঘের পুজো: পৃথিবীর সামনে আজকে ঘোর দুর্দিন। নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে পশুপাখিদের বাসস্থান, প্রাকৃতিক বনভূমি। স্বাভাবিক ভৌগোলিক পরিবেশকে মানুষ ধীরে ধীরে কৃত্রিম, বন্ধ্যা করে তুলছে। সেটা অনুভব করা যাচ্ছে না তা নয়, নানা ভাবে হয়তো তা শুধরে নেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু সেই প্রয়াস নানা কারণে এখনও সঠিক বা যথেষ্ট ধারেকাছেও নয়। এই নিয়েই বিষয়ভাবনা: ‘শোধন’।


47) উত্তর কলকাতা সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি-র বিষয়ভাবনা: ‘জলছাপের কলকাতা’। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকের সন্ধিক্ষণে উত্তর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র চিতপুরে জন্ম নিয়েছিল এক অনন্য শৈল্পিক ধারা। সেই ঐতিহাসিক সময়ের জলরং ও তুলির টান বিশেষত কোম্পানির আমলে দেশীয় পটশিল্পী ও কারিগরদের নিপুণ দক্ষতায় ব্রিটিশ রুচির সংমিশ্রণে যে ছবিগুলো আঁকা হয়েছিল, তাতে ধরা পড়েছিল সমকালীন কলকাতার জনজীবন আর পুরনো স্থাপত্যের নিখুঁত রূপরেখা। এই শিল্পধারাই নতুন করে তুলে ধরা হবে পুজোর মণ্ডপে।


48) দক্ষিণে ৭১ পল্লি বৈশাখী সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি-র মণ্ডপের বিষয়ভাবনা: ‘মন্থন-দর্পণ’। আধুনিক সভ্যতার চরম ভোগবাদ ও দায়িত্বহীনতার জেরে নদী, সমুদ্র আর জলাশয়গুলো ঢেকে গেছে বিষাক্ত প্লাস্টিক, রাসায়নিক বর্জ্য আর আবর্জনার স্তূপে। মণ্ডপসজ্জায় এই সংকটকেই তুলে ধরা হয়েছে রূপক দর্পণ হিসেবে।


49) যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লি : মানসিকভাবে পুরুষ ও নারী উভয় সত্তাই বর্তমান, তাঁদের নিয়ে উপস্থাপনা। মণ্ডপের নির্মাণে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হবে এমন সব প্রাত্যহিক জীবনের উপকরণ যা দ্বৈত-সত্তার সংযোগ ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না, যেমন ইউ-এস-বি পোর্ট, নাট-বল্টু, জিপার ইত্যাদি।


50) ত্রিধারা সম্মিলনী-র পটভূমি তিব্বতের ল্যান্ডস্কেপ, সেখানকার জনজীবন আর শিল্প-সংস্কৃতি। 


51) এন্টালি ১৪-র পল্লির মণ্ডপ গড়ে উঠবে দুর্গামন্দিরের পরিকল্পনায়, বিষয়ভাবনা: ‘বেদভূমি’।


52) কেষ্টপুর প্রফুল্লকানন (পশ্চিম) অধিবাসীবৃন্দের পুজোয়। বিষয়ভাবনা: ‘যাঁহাতে মন রমি’। প্রায় দুই শতাব্দীপ্রাচীন এক দলিত সম্প্রদায়কে যখন জাতিভেদের জন্য মন্দিরে ঢোকার অনুমতি না দেওয়া হয়, তখন ঈশ্বরপ্রেম হয়ে ওঠে তাদের প্রতিবাদের ভাষা। ছত্তীসগড়ের রামনামী সম্প্রদায়ের মানুষেরা শারীরিক দেবতা বা মূর্তির পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভাবে রামের নামের উপর মনোযোগ দেন। তাঁদের কাছে রাম হলেন সর্বব্যাপী এবং রূপহীন পরম সত্য। রামনামকে আগলে ধরে তাঁদের সাধনা। 


53) উল্টোডাঙা অরবিন্দ সেতু-র সুবর্ণ জয়ন্তী। বিষয়ভাবনা: ‘সুবর্ণ রূপমালা’। ভারতীয় শিল্প, লোকঐতিহ্য ও সমকালীন সৃজনশীলতার ভাণ্ডারে দেবী দুর্গা অগণিত রূপে, অসংখ্য শিল্পভাষায় প্রকাশিত হয়েছেন। মাটির মূর্তি, পটচিত্র, টেরাকোটা, ধাতু, কাঠ, বস্ত্র, মুখোশ, আল্পনা কিংবা আধুনিক বিমূর্ত শিল্পে। পুজোর পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে মণ্ডপে উপস্থাপিত হবে পৃথক শৈলী এবং পৃথক নন্দনচেতনায় শিল্পিত পঞ্চাশটি দুর্গার রূপ। 


54) গড়পাড়ের হরিনাথ দে রোড-এর পুজোর শতবর্ষে বিষয়ভাবনা: ‘শাশ্বত বন্ধন’। মাটির গভীরে থাকা শিকড়ের নীরব অস্তিত্বেই গাছের পরিচয়। বাকি অংশ যতই দৃষ্টিনন্দন হোক না কেন, তার সমস্ত সৌন্দর্যের উৎস হল শিকড়। মানুষের পরিবারও তেমনই এক শিকড় বাকি সবাই গাছের শাখাপ্রশাখা। উপস্থাপনার মধ্যে নিহিত থাকবে মানুষের এই শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়ার বার্তা।


55) বেলেঘাটার সুরা স্পোর্টিং ক্লাব-এর ৪৫তম বর্ষের পুজোয় বিষয়ভাবনা: ‘চিরন্তনী’। জমিদারবাড়ির আঙিনা ছেড়ে দুর্গাপূজোর বারোয়ারি হয়ে ওঠা আর তার ধর্মীয় সত্তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সত্তার অসামান্য বিকাশ দুর্গাপুজোকে এক অন্য স্তরে উত্তীর্ণ করেছে। দেবী দুর্গা আজ শুধু আরাধ্যাই নন, তিনি জনজীবনের নানা ভাবনার প্রতীক। চিরন্তনীর এই দীর্ঘযাত্রাই ধরা থাকবে মণ্ডপে।


56) দমদম পার্ক সর্বজনীন-এ। বিষয়ভাবনা: ‘পঞ্চালিকা’। বাংলার দুই হারিয়ে যেতে বসা পুতুলনাচের সংস্কৃতি বেণী-পুতুল আর ডাং-পুতুল নিয়ে কাজ। শুধু পুতুলনাচই নয়, তার নেপথ্যে থাকা শিল্পীদের পরিশ্রম, কুশলতা, সুখ-দুঃখ ইত্যাদিও ফুটে উঠবে কাজের মধ্যে দিয়ে।


57) উল্টোডাঙা বিধান সঙ্ঘ: মহাবিশ্বের যা কিছু জাগতিক বা মহাজাগতিক তার অধিকাংশই মূর্ত, আর বাকি যা যা পড়ে থাকে তাই অমূর্ত। পৌরাণিক কাল থেকেই দেবদেবীদের মূর্ত রূপ কল্পনা করা হলেও, ঈশ্বর বা সর্বশক্তিমান যিনি সর্বত্র বিরাজমান, তিনি আসলে অমূর্ত। উল্টোডাঙা বিধান সংঘে এবারে দৈবীশক্তির সেই অমূর্ত রূপই ফুটে উঠবে শৈল্পিক আঙ্গিকে। বিষয়ভাবনা: ‘অমূর্ত’।


58) সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক সর্বজনীন দুর্গাপূজোর সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রকৃতি থেকে আহরিত নশ্বরপ্রক্রিয়া ছাড়া পুজো শুরু হয় না। বাঙালির কাছে শরৎ ঋতুর সব থেকে বড় পরিচায়ক কাশ আর শিউলি, যা দুর্গাপূজোরও বার্তাবহ। সর্বোপরি গ্রামবাংলার চিরন্তন মৃন্ময়ী প্রতিমা তৈরি হয় প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে যা বিসর্জনের পরে আবার প্রকৃতিতেই মিশে যায়। এই চেতনা নিয়েই পুজোর বিষয়ভাবনা: ‘প্রকৃতি’।


59) উত্তর কলকাতার মাণিকতলা স্মৃতি সংঘের মণ্ডপ। সীতাহরণের পরে রামের যে সংকট, শুধু সীতা-উদ্ধারই নয় রাবণের হাত থেকে সমগ্র পৃথিবীকে রক্ষা করা, সেই লঙ্কাপুরের কাহিনী নিয়েই উপস্থাপনা। এই অভীষ্টসিদ্ধির পথে তিরধনুকই তাঁর প্রধান সহায় শত্রুদমনেও যেমন, দেবীর আরাধনাতেও ঠিক ততটাই। রামের তিরধনুককে লক্ষাভেদের মূল প্রতীক হিসেবে ধরে নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘সংকল্প’।


60) দক্ষিণের ৭১ পল্লি বৈশাখী সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি: -র মণ্ডপের বিষয়ভাবনা: ‘মন্থন-দর্পণ’। আধুনিক সভ্যতার চরম ভোগবাদ ও দায়িত্বহীনতার জেরে নদী, সমুদ্র আর জলাশয়গুলো ঢেকে গেছে বিষাক্ত প্লাস্টিক, রাসায়নিক বর্জ্য আর আবর্জনার স্তূপে। মণ্ডপসজ্জায় এই সংকটকেই তুলে ধরা হয়েছে রূপক দর্পণ হিসেবে।

ভারতের আধ্যাত্বিকতা : স্টিভ জবস ও মার্ক জুকারবার্গ এর উন্নতি ও সাফল্যের আসল রহস্য

শ্রী রামের কৃপা, শ্রী হনূমান জীর কৃপা কার উপরে কখন প্রাপ্ত হবে তা কিছু ঘটনাবলী বর্তমান সময়ে না ঘটলে বোঝা যেত না। ঈশ্বর সকলকে সুযোগ দেন, যিনি গ্রহন করেন তিনি জীবনে কিছু অর্জন করেন তা প্রতিপত্তি, নাম জস বা মোক্ষ। আর যিনি গ্রহন করতে পারেন না তিনি হতাশাই ভোগেন। 

আরও পড়ুন : বাংলার উৎসব ও মেলা 

বিষয় টি বুঝে নেয়া যাক।

ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত 


বিখ্যাত কোম্পানি Apple যার এক সময় মালিক ছিলেন স্টিভ জবস ১৯৭৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে ভারতে আসেন। তার ভারতে আসার একমাত্র কারন ছিল একটি রাম দাসের লিখিত একটি বই। উত্তরাখন্ডের নৈনিতাল সংলগ্ন কাইচি ধামে তিনি কিছুদিন সময় কাটান। ভারতের আধ্যাত্বিকতা নিয়ে তিনি চৰ্চা করেন এবং পরবর্তী সময়ে Apple সহ অন্যান্য কোম্পানি তৈরি এবং বিশ্বে নাম রেখে যান এবং সফলতার শিখরে পৌঁছান।


বর্তমান Meta, অর্থাৎ ফেইসবুক কোম্পানির মালিক মার্ক জুকারবার্গ ২০১৫ সালে বিশেষ চাপে ছিলেন। তিনি তাঁর ফেইসবুক বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন। যদিও তিনি পূর্বেই স্টিভ জবসের সাথে আলোচনা করেছিলেন এবং জবস এর পরামর্শ অনুযায়ী রাম দাস যার আসল নাম ডঃ রিচার্ড আলপার্ট হাভার্ড ইউনিভার্সিটি তে কাজ করতেন তাঁর লিখিত বই Be Here Now পড়ে ফেলেছিলেন। বইটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০১৫ সালে জুকারবার্গ ভারতে আসেন এবং কাইচি ধামে কিছু দিন সময় কাটান। পরবর্তীতে তিনি ফেইসবুক কে বিক্রি করা থেকে বিরত থাকেন। বর্তমান সময়ে মার্ক জুকারবার্গ ও তাঁর কোম্পানি সফলতার চরম অবস্থায় পৌঁছে গেছে। 


বিশাল চতুর্বেদীর নির্দেশনায় গত ৭ই আগস্ট ২০২৬ হনূমান অংশ মুক্তিপ্রাপ্ত হয়। অনুপ্রিয়া নাগার যিনি আরও তিনজন প্রযোজক মিলে মাত্র ২ কোটি টাকা খরচ করে একটি জীবন কাহিনী তৈরি করেন। মাত্র ২১ বছর বয়সী অনুপ্রিয়া নাগার UK তে জব করছিলেন এবং পার্ট টাইম কিছু করার উদ্দেশে হনূমান অংশ ছবিটি স্ক্রিপটিং তৈরি করেন এবং এই মুভিতে কিছু ইনভেস্ট করেন। ছবিটি দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত কার্যত কোনো নরচরা করছিলো না। বিভিন্ন হল থেকে সিনেমা টি তুলে নেয়া হচ্ছিলো। কিন্তু যার নিয়ে এই মুভি! অর্থাৎ সেই মহান হনুমান ভক্ত করোলি বাবা মহারাজ তাঁর আশীর্বাদ এই ছবির উপর বর্ষণ করবে না তা কি হয়? তৃতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে  এই ছবি প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৪ কোটি টাকা আয় করছে। বর্তমানে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ১৬৫ কোটি টাকার ব্যবসা সম্পূর্ণ করেছে যা ভারতীয় মুভি ইন্ডাস্ট্রি তে একটি বড় রেকর্ড। 


স্টিভ জবস যখন কাইচি ধাম আসেন তখন সেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছিল। কারন কাইচি ধামের মহৎ গুরু নিম বাবা করোলি মহারাজ কিছুদিন আগেই গত হয়েছিলেন।



এখন প্রশ্ন হল কে এই নিম বাবা করোলি মহারাজ? যার অগণিত দেশি ও বিদেশী ভক্ত? স্টিভ জবস থেকে শুরু করে মার্ক জুকারবার্গ, বিরাট কোহলি, বীরেন্দ্র সেহেবাগ অনেকেই তাঁর পরম ভক্ত। সত্যি কথা বলতে কি ইন্টারনেট থেকে নিম বাবা করোলি মহারাজ এর ছবি মাঝে মধ্যে দেখেছি, একজন সাধারণ মানুষ। বিশেষত আমরা সাধু মহারাজ দের দাড়ি, জটা, তিলক ইত্যাদি দেখে অভস্ত। কিন্তু সামান্য মানুষরূপী নিম করোলি বাবা আসলে কোন আধ্যাত্বিক ক্ষমতার অধিকারী এবং ওনার মাহাত্ম এই হনূমান অংশ মুভিটি প্রকাশ না পেলে অজানাই থেকে যেত। নিম বাবা করোলির মহারাজ জীর মাহাত্ম অনুধাবন করতে গেলে সিনেমা হলে গিয়ে অবশই আমাদের সকলের Hanuman Ansh মুভি টি দেখা প্রয়োজন। সর্বোপরি বাবার নৈনিতাল আশ্রম ঘুরে আসার ইচ্ছা রয়েছে এবং বাবা যেন দূর থেকে আশীর্বাদ প্রদান করেন যে তাঁর সামান্য একজন ভক্ত দূর থেকে সর্বদা তাঁকে জানার এবং জীবনে সুখ ও শান্তি খুঁজে পাবার চেষ্টা করে চলেছে। 


জয় শ্রী রাম 

জয় হনূমান 

জয় বাবা নিম করোলি 

দুর্গাপূজা ২০২৬ : ৬ টি বিখ্যাত দুর্গাপূজা যেখানে আমিষ প্রসাদ মা কে নিবেদন করা হয় পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া কেবল আদা, ঘি এবং বিশেষ মশলা দিয়ে তৈরি ‘নিরামিষ মাংসের ভোগ’

পূজোর মধ্যে আমিষ খাওয়া বা পুজোয় মায়ের কাছে পিয়াজ রসুন ছাড়া প্রসাদে মাছ মাংস নিবেদন করা বাঙালি হিন্দুদের বহুদিনের রীতি। দুর্গাপূজায় পূজা উপাচারেও বাঙালির এই রীতি থেকে অটুট থাকে। বিগত দিনে ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন এই একটি বিষয়ের উপরে যেটা হলো বিজেপি ক্ষমতায় আসলে বাঙালির মাছ মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। কিন্তু সেই সময় পাল্টা বিজেপি নেতৃত্বে বৃন্দ রাস্তায় মাছ নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রচার করতে থাকেন যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে মাছ মাংসের উপর কোনো বিধি নিষেধ আরোপ করা হবে না।



মা আসছেন, আর কিছুদিন বাকি, সারা কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে পূজা প্রস্তুতির ব্যাস্ততা শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় বাগেশ্বর বাবার  বক্তবে দূর্গা পূজায় আমিষ খাওয়া নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। বাঙালির কাছে দুর্গাপূজা একটি আবেগ, শ্রদ্ধা ও ভক্তির এক অসাধারণ মিলনক্ষেত্র। মহালয়ার দেবীপক্ষ থেকে শুরু করে বিজয়া পর্যন্ত মায়ের আবেশ বাঙলি কে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে রাখে। এখানে মা দূর্গা ঘরের মেয়ে, সারা বছর পর বাপের বাড়িতে বেরোতে আসেন, আর সেই সময় বাঙালি মাছ মাংস খাবে না, সেটা হবে না। এই নিয়ম নীতি হয়তো বাগেশ্বর বাবার জানার বাইরে। 


মহাতীর্থ কামাখ্যা (আসাম ) মন্দিরে পাঁঠা বলি হওয়ার পর যে প্রসাদ পাওয়া যায় সেখানে পিয়াজ রসুন ছাড়া মাছ মাংস ভোগ দেয়া হয়। 


বহু বছর থেকে চলে আসা কিছু দূর্গা পূজার ভোগে মাছ মাংস দেয়ার রীতি গুলি দেখে নেয়া যাক।


তমলুকের বর্গভীমা মন্দির - 


সতীর একান্নপীঠের অন্যতম একটি পীঠ তমলুকের বর্গভীমা মন্দির। তন্ত্রচূড়ামণি অনুসারে এখানেও দেবীকে আমিষ ভোগ নিবেদন করা হয়ে থাকে। এখানে প্রতিদিন দুবেলা শোলমাছের টক নিবেদন করা হয়।

Durgapuja 2026 Edik Odik


বীরভূমের নলহাটির নলাটেশ্বরী - 


৫১ সতীপীঠের অন্যতম নলহাটির নলাটেশ্বরী। এখানেও দেবীর ভোগে সাদা ভাতের সাথে নিবেদন করা হয় মাছ।


লাভপুরের ফুল্লরা দেবীর মন্দির - 


মাকে আমিষ ভোগ নিবেদন করা হয় আরেক সতীপীঠ লাভপুরের ফুল্লরা দেবীর মন্দিরেও। বর্তমানে এখানেও চালু রয়েছে বলিপ্রথা। এই মন্দিরে মাছের ঝোল ও মাছ ভাজা দু পদ দেওয়া হয় মাছের।


তারাপীঠ - 


তারাপীঠেও বিশেষ বিশেষ দিনে পাঁঠাবলিও হয়।হয় 'আমিষ-ভোগ'। তারাপীঠে দেবীর সারা বছরের ভোগেই থাকে শোল পোড়ার আয়োজন। 


কালীঘাট - 


শুধু বাড়ির পুজো গুলিতে আমিষ হয় এমন নয়, ৫১ সতীপীঠের অন্যতম সতীপীঠ কালীঘাটে প্রতিদিন থাকে আমিষ ভোগের আয়োজন। দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে মহাপ্রসাদ হিসাবে থাকে মাংস ভোগের আয়োজন। পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া কেবল আদা, ঘি এবং বিশেষ মশলা দিয়ে তৈরি এই ‘নিরামিষ মাংসের ভোগ’ কালীঘাটের শতবর্ষের রীতি। এছাড়া প্রতিদিনই কালীঘাট মন্দিরের ভোগে থাকে ১৫ কেজি মাছ, যার মধ্যে থাকে রুই-পারশে। বর্ষাকালে মা-কে দেওয়া হয় ইলিশ ভোগ। তবে আঁশ ছাড়া কোনও মাছ ভোগে দেওয়া হয় না।


কালীঘাট মন্দিরে প্রসাদে মাছ বলতে কাতলা, চিংড়ি, পার্শে প্রভৃতি মাছ মায়ের প্রসাদে দেয়া হয় এছাড়াও যে মাছে গুলি থাকে তা হল কই মাছ এবং ইলিশ মাছ থাকতে পারে। যে মাছে আঁশ আছে, সেই মাছই আপনি মাকে নিবেদন করা যায়। 


কলকাতা শোভাবাজার রাজবাড়ী- 


দীর্ঘ আড়াইশো বছরের পারিবারিক ঐতিহ্য শোভাবাজার রাজবাড়ির দূর্গা পুজো, মা দুর্গাকে তারা শাকম্ভরী রূপে আরাধনার পাশাপাশি নিবেদন করেন জোড়া মাগুর মাছ। এবারও সেই রীতি মেনেই দুর্গাপুজো করা হবে। রাজবাড়ির রীতি অনুযায়ী নবমীতে জোড়া মাগুর মাছ বলি হয়, এ বছর তার অন্যথা হবে না। সেই মাগুর মাছ ঠাকুরদালানেও তোলা হয়। নিয়ম মেনে ওই মাগুর মাছ বলি হয়, নিবেদন করা হয় মা দুর্গাকে। শুধুমাত্র যাঁরা সঙ্কল্প করছেন তাঁরা বাদে পরিবারের অন্যরা যে যার মতো আমিষ খান।'

বাংলায় ২০২৬ সালের এক ডজন পূজাবার্ষিকী আমাজন, ফ্লিপকার্ট থেকে জলদি অর্ডার করুন Bengali Saradiya Puja Sanka 2026

 বাঙালির পূজোর গন্ধ ইতিমধ্যেই গায়ে লেগে গেছে। আর মাত্র কদিন বাকি, মা আসছেন একটি বছর পরে। ঢাকে কাঠি পরে গিয়েছে। বই পড়তে বা বই গিফট করতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। আর বাঙালির ঘরে পূজো সংখ্যা থাকবে না তা কি হয়? বাংলা ১৪৩৩ সন অর্থাৎ ইংরেজি ২০২৬ সালের বড় বড় প্রকাশক ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব পূজো সংখ্যা পূজো বার্ষিকী নিয়ে হাজির হয়েছে। বাজারে, বই এর দোকানে সমস্ত বই পাওয়া যাচ্ছে। আনন্দ বাজার, দেশ, সানন্দা, প্রসাদ বিভিন্ন সংস্থার পূজা সংখ্যার বই অনলাইন থেকে পাওয়া যাচ্ছে। লিমিটেড এডিশন, দ্রুত বুক না করলে স্টক পাওয়া মুশকিল হবে। নিচে ১২ টি জনপ্রিয় পূজা সংখ্যার আমাজন লিংক দেয়া হলো। লিংক গুলো ক্লিক করে নিদৃষ্ট বইটি সংগ্রহ করে নিতে পারেন। এছাড়া একসাথে কম্বো ৬ টি বই অর্ডার করতে পারেন, সেক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট কিছুটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। 



আনন্দলোক পুজোবার্ষিকী ১৪৩৩ (২০২৬),

 আনন্দবাজার পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে মোট ৩৬০ পৃষ্ঠা রয়েছে। বইটির মূল্য ₹৩২০ এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে পাওয়া যাচ্ছে। এটি মূলত বিনোদন, টলিউড-বলিউড খবর, গসিপ, সংস্কৃতি ও উৎসবভিত্তিক বিভিন্ন লেখা ও ছবি-সহ একটি জনপ্রিয় পুজোবার্ষিকী। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রকাশিত এই শারদীয়া সংখ্যাটি বাঙালি পাঠকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও চাহিদাপূর্ণ একটি প্রকাশনা।

অর্ডার করুন : ANANDALOK PUJABARSHIKI 1433 (2026) : Rs.320.00

আনন্দমেলা পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

আনন্দমেলা পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা দুর্গাপুজোর আগে প্রতি বছর প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি মূলত শিশু-কিশোরদের উপযোগী গল্প, কবিতা, ধাঁধা, কার্টুন ও বিভিন্ন রঙিন ফিচারে ভরপুর। বইটির মূল্য প্রায় ₹৩১৫–৩৫০ এবং এটি পেপারব্যাক বা সফটকভার ফরম্যাটে পাওয়া যাচ্ছে। আনন্দমেলা পুজোবার্ষিকী বাঙালি শিশু-কিশোরদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনা, যা উৎসবের মেজাজে নতুন নতুন লেখা ও ছবি-গল্প নিয়ে সাজানো হয়।

অর্ডার করুন : Anandamela Pujabarshiki 1433 (2026) 340.00


বিষাকা থ্রিলার পুজোবার্ষিকী ২০২৬ 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডের তরফে প্রকাশিত একটি বিশেষ শারদীয়া সংকলন, যা মূলত রোমাঞ্চকর থ্রিলার ও রহস্যঘন গল্পের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২০২৬ সালের এই পুজোবার্ষিকীতে বিভিন্ন জনপ্রিয় লেখকের লেখা অ্যাডভেঞ্চার, ক্রাইম, সাসপেন্স ও মিস্ট্রি ধাঁচের গল্প স্থান পেয়েছে, যা পাঠকদের মধ্যে উত্তেজনা ও কৌতূহল জাগিয়ে তুলবে। আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, আনন্দলোক-সহ আনন্দ পাবলিশার্সের অন্যান্য পুজোবার্ষিকীর মতোই বিষাকা থ্রিলার সংখ্যাটিও বাঙালি পাঠকদের মধ্যে বিশেষ করে তরুণ ও থ্রিলারপ্রিয় পাঠকদের কাছে জনপ্রিয়। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত এই বিশেষ সংখ্যাটিতে থাকে নতুন নতুন চরিত্র, অজানা রহস্য ও রোমাঞ্চকর প্লট, যা পাঠকদের পুজোর ছুটিতে উপভোগ্য পড়ার অভিজ্ঞতা দেয়।

অর্ডার করুন : Bivashika Thriller Patrika 1433 : Pujabarshiki 1433  Rs. 259.00

প্রসাদ পূজা বার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা দুর্গাপুজোর আগে বাঙালি পাঠকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি আগস্ট ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে প্রায় ২০০–৪০০ পৃষ্ঠার মতো সমৃদ্ধ content রয়েছে, যেখানে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, শিল্প-সংস্কৃতি, উৎসবের বিশেষ ফিচার এবং নানা ধরনের লাইফস্টাইল ও বিনোদনমুখী লেখা থাকে। প্রদাস পুজোবার্ষিকী মূলত পরিবারের সব বয়সের পাঠকদের কথা ভেবে তৈরি—এতে ছোটদের জন্য আলাদা বিভাগ, রান্নার রেচিপি, ভ্রমণকাহিনি, সেলিব্রিটি ইন্টারভিউ এবং উৎসবের সাজসজ্জা নিয়ে টিপসও থাকে। বাঙালি সংস্কৃতি ও শারদোৎসবের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে এই পত্রিকাটি প্রতি বছর পাঠকদের কাছে একটি প্রিয় সংগ্রহযোগ্য আইটেম হিসেবে পরিচিত।


অর্ডার করুন : Prasad 1433 (2026) || Pujabarshiki 223.00

কিশোর জানা বিজ্ঞান পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

আনন্দ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা নিয়ে তরুণ পাঠকদের জন্য তৈরি।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটিতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা—যেমন মহাকাশ, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নতুন আবিষ্কার—সহ সহজ ভাষায় উপস্থাপিত প্রবন্ধ, কুইজ, ধাঁধা ও রঙিন ছবি থাকে।  প্রতি বছরের মতো ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের এই পুজোবার্ষিকীটিও দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয় এবং বাঙালি কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ জাগিয়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য।  বইটির মূল্য সাধারণত ₹২৮৫–₹৩০০ এর মধ্যে থাকে এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available।


অর্ডার করুন : Puja Barshiki Kishore Jnan Bigyan, 46th Year (2026) Rs. 299.00


মহাদেবী পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

দুর্গাপুজো উপলক্ষে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় বাংলা শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা মূলত রোমাঞ্চ, সাসপেন্স ও ছোটগল্পের সমাহার নিয়ে পাঠকদের কাছে আসে।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি আগস্ট–সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে প্রায় ৩৪২–৫০০ পৃষ্ঠার মতো সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু রয়েছে, প্রকাশকের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণ দেখা যায়।  বইটির মূল্য সাধারণত ₹২৭০–₹৩৫০ এর মধ্যে থাকে এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available।  মহাদেবী পুজোবার্ষিকীতে বিভিন্ন লেখকের লেখা থ্রিলার, রহস্য, সামাজিক গল্প ও উৎসবভিত্তিক লেখা থাকে, যা দুর্গাপুজোর সময় পাঠকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।  এটি বাংলা পাঠকদের মধ্যে একটি চাহিদাপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী পুজোবার্ষিকী হিসেবে পরিচিত।


অর্ডার করুন : Pujabarshiki Mahadevi 1433 || Bengali Thriller, Suspense, Stories & Poetry Collection || Parul Prakashani : 350.00

শারদীয়া আনন্দবাজার পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

আনন্দবাজার পত্রিকার বছরের শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে প্রায় ৩৬০ পৃষ্ঠার সমৃদ্ধ content রয়েছে। এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available এবং মূল্য ₹৩৪০ (কিছু দোকানে ₹২৮৯-এও পাওয়া যাচ্ছে)। শারদীয়া আনন্দবাজারে থাকে সাহিত্য, সংস্কৃতি, ভ্রমণ, রান্না, শিল্প-সংগীত, উৎসবের বিশেষ লেখা, বিখ্যাত লেখকদের গল্প-প্রবন্ধ, পাশাপাশি পুজোর সাজসজ্জা ও উদযাপনের নানা আইডিয়া। বাঙালি পাঠকদের জন্য এটি একটি ঐতিহ্যবাহী ও চাহিদাপূর্ণ প্রকাশনা, যা পুজোর আমেজ বাড়িয়ে তোলে এবং পরিবারের সবাই মিলে পড়ার মতো একটি special collection।


অর্ডার করুন : Saradiya Anandabazar Patrika Pujabarshiki 2026 Rs. 320.00


দেশ পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে বাঙালি পাঠকদের কাছে পৌঁছে যায়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের পুজোবার্ষিকী হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে সাহিত্য, সংস্কৃতি, উৎসব, ভ্রমণ, শিল্প-সাহিত্য ও বিনোদনভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের লেখা ও ছবি থাকে।  দেশ পুজোবার্ষিকী মূলত একটি ম্যাগাজিন ধাঁচের প্রকাশনা, যেখানে গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, সাক্ষাৎকার এবং উৎসবের বিশেষ ফিচারসহ নানা বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকে।  এটি অনলাইন বুকস্টোর ও বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পেপারব্যাক বা হার্ডব্যাক ফরম্যাটে available এবং সাধারণত ₹৩০০–₹৩৫০ রেঞ্জে বিক্রি হয়।  বাঙালি পাঠকদের মধ্যে শারদীয়া পত্রিকার ঐতিহ্যবাহী চাহিদার অংশ হিসেবে দেশ পুজোবার্ষিকীও প্রতি বছর জনপ্রিয়তা পায়।


অর্ডার করুন : Sharadiya Desh Pujabarshiki 2026 || 1433 (Desh Sharadiya) - Rs.340.00


কথা সাহিত্য পুজোবার্ষিকী ১৪৩৩ (২০২৬) 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া সাহিত্য সংকলন, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে পাঠকদের হাতে পৌঁছে যায়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য লেখকদের ছোটগল্প, উপন্যাস, কবিতা ও প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে।  মূলত ছুটির সময়ের পাঠের জন্য উপযোগী করে সাজানো এই বার্ষিকীতে থাকে বিনোদনধর্মী ও সাহিত্যমানসম্পন্ন লেখার সমাহার।  বইটির মূল্য সাধারণত ₹২০০–₹২৫০ এর মধ্যে হয়ে থাকে এবং এটি পেপারব্যাক বা ম্যাগাজিন ফরম্যাটে available।  কথা সাহিত্য পুজোবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি পাঠকদের মধ্যে একটি বিশ্বস্ত ও চাহিদাপূর্ণ শারদীয়া প্রকাশনা হিসেবে পরিচিত।


অর্ডার করুন : Sharadiya Katha Sahitya 1433 || Bangla Pujabarshiki 2026 || Rs. 300.00

সানন্দা পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

সানন্দা পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটিতে উপন্যাস, ছোটগল্প, ফ্যাশন, বিউটি, রান্না, ফিটনেস, সেলিব্রিটি সাক্ষাৎকার এবং বিশেষ ফিচারসহ নানা ধরনের লেখা রয়েছে।  এটি মোট ৬৯২ পৃষ্ঠার একটি হার্ডকভার সংস্করণ এবং এর মূল্য ₹৩২০ (ছাপা মূল্য) ও ₹২৫৬ (বিক্রয় মূল্য)।  সানন্দা পুজোবার্ষিকী বাঙালি পাঠকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রিয় একটি শারদীয়া প্রকাশনা, যা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনযাপন নিয়ে সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু উপস্থাপন করে।

অর্ডার করুন : Saradiya Sananda Pujabarshiki 2026 320.00


টাপুর টুপুর পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

ছোটোদের জন্য প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে বাজারে আসে।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি মধুসূদন ঘাটী সম্পাদনা করেছেন এবং এটি ২০২৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।  বইটির মূল্য ₹১৮০ (মূল্য তালিকা অনুযায়ী ₹২০০ থেকে ১০% ছাড়ে) এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available।  টাপুর টুপুর পুজোবার্ষিকীতে সাধারণত ছোটোদের উপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া, ধাঁধা, রঙিন ছবি ও বিভিন্ন মজাদার লেখা থাকে, যা শিশুপাঠকদের উৎসবের মেজাজে আনন্দ দেয়।  আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর অন্যান্য শারদীয়া সংখ্যার মতো এটিও বাঙালি পরিবারে পুজোর ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


অর্ডার করুন : Tapur Tupur Pujabarshiki 1433 (2026) Rs. 200.00


উমা পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

আনন্দবাজার পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যাগুলির মধ্যে একটি জনপ্রিয় প্রকাশনা, যা দুর্গাপুজোর আগে প্রতি বছর প্রকাশিত হয়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ৪০৮ পৃষ্ঠার একটি হার্ডকভার বই হিসেবে available এবং এর মূল্য প্রায় ₹৩৪০–৩৯৯।  উমা পুজোবার্ষিকীতে সাধারণত গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, সেলিব্রিটি ইন্টারভিউ, রান্না-ফ্যাশন-সৌন্দর্য এবং উৎসবভিত্তিক বিভিন্ন লেখা থাকে, যা পরিবারের সব বয়সের পাঠকদের পছন্দ হয়।  আনন্দ পাবলিশার্সের এই শারদীয়া সংখ্যাটি বাঙালি সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ধারাকে বহন করে এবং পুজোর মরসুমে পাঠকদের কাছে একটি প্রিয় সংগ্রহ হিসেবে গণ্য হয়।


অর্ডার করুন : Uma Pujabarshiki 1433 (2026)  - Rs. 385.00

Combo : Rs. 2499.00 Sananda, Anandabazar, Shardiya Patrika, Anandalok, Anandamela and Desh Pujabarshiki 2026 With Sananda & Desh 1-1 Copy Total 8 (Saradiya Anandabazar Pujabarshiki)

পশ্চিমবঙ্গের জন্য চালু হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা, ৭৮০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি || এদিক-ওদিক

প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এবং পরিবেশের ওপর ন্যূনতম ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে এমন এক শক্তির উৎস যা সবুজ শক্তি বা গ্রিন এনার্জি । কয়লা, তেল বা গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির বিপরীতে সবুজ শক্তি বায়ু দূষণ ও কার্বন নির্গমন কমিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সাহায্য করে।



সর্বপড়ি পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ভবিষ্যত কে সুরক্ষিত করতে গ্রিন এনার্জির ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ন। আগামী ভারতের পরিবেশ ও অর্থনীতি অনেকটা গ্রিন এনার্জির উপর নির্ভর করে ভবিষ্যত গড়ে উঠবে।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি উপযুক্ত মহিলার একাউন্টে ৩০০০ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে দিয়ে অভূতপূর্ব সারা ফেলে দিয়েছে। বর্তমান সরকার গ্রীন এনার্জির উপর সফল ভাবে কাজ করে চলেছে। এবারে বাড়ী বাড়ী প্রধানমন্ত্রী মুফত বিজলি। এবারে আপনার বিদ্যুৎ বিল হতে চলেছে শুন্য। আসুন পুরো বিষয় টি জেনে নেয়া যাক।

পশ্চিমবঙ্গের জন্য চালু হয়ে গেছে
প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা

₹৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি
বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনার সুবিধা, ভর্তুকি ও আবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন।
☀️ সৌর বিদ্যুৎ • 💰 সরকারি ভর্তুকি • ⚡ বিদ্যুৎ সাশ্রয়
বিস্তারিত জানুন →
এদিক-ওদিক | edik-odik.blogspot.com

পশ্চিমবঙ্গের জন্য চালু হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা, ৭৮০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিটি সরকারি অফিসে রুফ টফ সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর কিছুদিনের মধ্যে সমস্ত সরকারি দপ্তরে সোলার প্যানেল বসে যাবে এবং বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়ে যাবে।


এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যুৎ দপ্তর প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা প্রতিনিয়ত ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। দপ্তর বিভিন্ন অফিসে মিটিং, মাইকিং ইত্যাদি অবিলম্বে শুরু করে দিয়েছে, যার ফল স্বরূপ সাধারণ মানুষ এই যোজনার লাভ ঘরে তুলতে শুরু করছেন।

এই যোজনা মোতাবেক যে সকল ব্যাক্তি / উপভোক্তার বাড়িতে ২০০ ইউনিট এর কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার হয় সেই উপভোক্তার মাসিক ৭০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা সশ্রয় হবে। ২০০-৩০০ ইউনিট এবং ৩০০ এর বেশি বিদ্যুৎ ব্যাবহার হয় সেই উপভোক্তার মাসিক যথাক্রমে ১৪০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা সাশ্রয় হবে।

খরচ কত পড়বে?

বাড়িতে যদি প্রতি মাসে ২০০ থেকে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়, অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যদি লাইট, ফ্যান, টিভি সমস্ত চালিয়ে ২০০ ইউনিট কারেন্ট পরে তবে আপনি ১ কিলোওয়াট সোলার প্যানেল বাড়ীর ছাদে বসাতে পারেন। যার দাম পড়বে ৭০০০০/- টাকা, এর মধ্যে সরকারি ভর্তুকি ৩০০০০/- টাকা। অর্থাৎ আপনার খরচা ৪০০০০ টাকা। প্যানেল বসানোর জন্য খরচের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সরকারি ব্যাংক থেকে সুলভ সুদে লোন পেয়ে যাবেন।

এক্ষেত্রে উল্লেখ থাকে যে প্যানেল বসানোর সময় ইউনিট বাড়িয়ে নিয়ে অর্থাৎ সোলার প্যানেল ২ থেকে ৩ কিলোওয়াট নেয়া যেতে পারে, কারন আপনার যদি ফ্রিজ, এ সি, ওয়াটার মটর পাম্প ইত্যাদি থেকে থাকে বা পরবর্তীতে নেয়ার সুযোগ হয় তবে এটি কাজে লেগে যাবে। এক্ষেত্রে খরচ পড়বে ১৪০০০০ থেকে ২১০০০০ টাকা। ভর্তুকি এর পরিমান ৬০০০০ থেকে ৭৮০০০ টাকা।

খরচ কিভাবে উঠে আসবে?

সোলার প্যানেল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ গোটা বাড়ীর লাইট, ফ্যান ও অন্যান্য সরঞ্জামে সরবরাহ করার পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিড সংযোগের মাধ্যমে সাথে সাথেই ভর্তুকি ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে। কোনো বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে না। সময়ে গ্রিড এর বাড়তি বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন। স্মার্ট মিটারের মাধ্যমে সমস্ত ব্যাপার টি মনিটর করা যাবে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য

পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা হল কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প  যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪-এ চালু করেন। এর উদ্দেশ্য হল ভারত জুড়ে ১ কোটি বাড়িতে ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা।

কারা এই প্রকল্পের সুবিধে পাবেন

- পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে।
- আয়ের উপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ নেই, সকল পরিবার যোগ্য।
- অবশ্যই WBSEDCL-এর বিদ্যুৎ সংযোগ থাকতে হবে (অথবা কলকাতার জন্য CESC-এর)।
- যেখানে প্যানেল স্থাপন করা হবে, সেই সম্পত্তির মালিক অবশ্যই হতে হবে (বাড়ির মালিক)।
- সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য ছাদটি কাঠামোগত ভাবে মজবুত হতে হবে।
- প্রতি পরিবারে একটি ভর্তুকি (একটি বিদ্যুৎ গ্রাহক নম্বর)
- (ডিবিটি ভর্তুকির জন্য) আধার কার্ড অবশ্যই একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে লিঙ্ক করা থাকতে হবে।

ছাদে প্যানেল বসানোর জন্য কতটা জায়গার প্রয়োজন:

প্রতি ১ কিলোওয়াট সোলার প্যানেলের জন্য ১০০ স্কোয়ার ফুট জায়গা প্রয়োজন, অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যদি ৩ কিলো ওয়াট সোলার প্যানেল অর্থাৎ বিদ্যুৎ খরচা প্রতি মাসে ৩০০ ওয়াট হয় তবে ৩০০ স্কোয়ার ফুট জায়গা প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ছাদ যেন শক্তপোক্ত থাকে।

আবেদনের পদ্ধতি

অফিসিয়াল পোর্টালে যান : pmsuryaghar.gov.in

নিবন্ধন করুন: “রুফটপ সোলারের জন্য আবেদন করুন”-এ ক্লিক করুন → আপনার রাজ্য (পশ্চিমবঙ্গ), জেলা, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা (WBSEDCL/CESC), গ্রাহক অ্যাকাউন্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি লিখুন।

লগইন করুন ও আবেদনপত্র পূরণ করুন: আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করুন এবং আপনার বিবরণ পূরণ করুন।

সম্ভাব্যতা অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করুন: WBSEDCL ৩০ দিনের মধ্যে পর্যালোচনা করে অনুমোদন/বাতিল করবে।

তালিকাভুক্ত বিক্রেতা নির্বাচন করুন: আপনার জেলার জন্য MNRE-অনুমোদিত বিক্রেতাদের তালিকা থেকে বেছে নিন।

সিস্টেম ইনস্টল করুন: বিক্রেতা আপনার ছাদের সোলার প্যানেল ইনস্টল করে দেবে।

নেট মিটারের জন্য আবেদন করুন: পোর্টালে ইনস্টলেশন সার্টিফিকেট জমা দিন এবং নেট মিটারের জন্য আবেদন করুন।

ভর্তুকি পান: পরিদর্শন এবং চালু করার পর, ভর্তুকি ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি আপনার আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যায়।

আবেদনের পর করণীয় কাজ :

অনলাইন আবেদন করার পর বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে ভেন্ডর এর প্রতিনিধি গণ আপনার বাড়ী পরিদর্শন করবে এবং প্যানেল এর কোয়ালিটি ও কি জিনিস পত্র লাগবে এবং তাঁরা কবে কাজ শুরু করবে সেই বিষয়ে আলোচনা করে নেবে। আপনার বাড়িতে কত ইউনিট প্রয়োজন এবং কত কিলো ওয়াট পর্যন্ত আপনি প্যানেল বসানোর উপযুক্ত টা দেখে নেবে। ফাইনাল কথা হয়ে গেলে ভেন্ডর কে সমস্ত পেমেন্ট দিয়ে দিতে হবে। বা ব্যাংক ভেন্ডর কে পেমেন্ট দিয়ে দেবে। নির্দিষ্ট সময়ে ভেন্ডর ও বিদ্যুৎ দপ্তর সংসাপত্র দিলে পর ভর্তুকির টাকা ব্যাংক একাউন্ট এ চলে আসবে।

ভাদ্র মাসের পূজা-উপাচার : Festivals of August & September 2026

ভাদ্র মাসের পূজা-উপাচার:



| ইংরেজি তারিখ | বাংলা (ভাদ্র) | উৎসব/অনুষ্ঠান | বিবরণ |

| ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ১ ভাদ্র | লুণ্ঠনষষ্ঠী (লুণ্ঠনষষ্ঠী) | ষষ্ঠী তিথি চলছে — শুরু: ১৭ অগস্ট বিকেল ৫:০২, শেষ: ১৮ অগস্ট বিকেল ৫:৫১। |

আরও পড়ুন : গরমে চটজলদি শরবত বোরহানি 

| ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ৬ ভাদ্র | পুত্রদা একাদশী; ঝুলনযাত্রা আরম্ভ | একাদশী তিথি চলছে — শুরু: ২২ অগস্ট রাত ২:০২, শেষ: ২৩ অগস্ট ভোর ৪:১৯। ঝুলনযাত্রা শুরু। |

| ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১১ ভাদ্র (পূর্ণিমা) | রাখি-বন্দন / পূর্ণিমা | পূর্ণিমা তিথি চলছে — শুরু: ২৭ অগস্ট সকাল ৯:১০, শেষ: ২৮ অগস্ট সকাল ৯:৪৯। ঝুলনযাত্রা সমাপন। |

| ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র | শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী | অষ্টমী তিথি চলছে — শুরু: ৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ২:২৭, শেষ: ৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২:১৪ (জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠিত)। |

| ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১ ভাদ্র | অজা একাদশী | একাদশী তিথি চলছে — শুরু: ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭:৩১, শেষ: ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫:০৫। |

| ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র | অমাবস্যার নিশি পালন (অমাবস্যা) | অমাবস্যা তিথি আরম্ভ: ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০:৩৫। |

| ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র | অমাবস্যা তিথি শেষ | অমাবস্যা তিথি শেষ: ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, সকাল ৭:৫৭। |

| ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৮ ভাদ্র | শ্রীশ্রী গণেশপূজা | গণেশপূজার দিন: ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। চতুর্থী তিথি আরম্ভ: একই দিন সকাল ৭:০৮। |

| ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৯ ভাদ্র | চতুর্থী তিথি শেষ | চতুর্থী তিথি শেষ: ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, সকাল ৭:৪৫। |

| ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩১ ভাদ্র | শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মাপূজা | বিশ্বকর্মা পূজার দিন: ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। |


ভাদ্র মাসে বিয়ের শুভ দিন-



৭ ভাদ্র, ২৪ অগস্ট, সোমবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৮টা ২৮ মিনিট গতে রাত ১০টা ১৪ মিনিটের মধ্যে মীন, মেষ লগ্নে। পুনরায়, রাত ১১টা ৩৯ মিনিট গতে মধ্যরাত ৩টে ৪ মিনিটের মধ্যে বৃষ, মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


৮ ভাদ্র, ২৫ অগস্ট, মঙ্গলবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৮টা ৪৮ মিনিট গতে ভোর ৪টে ৪২ মিনিটের মধ্যে মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৩ ভাদ্র, ৩০ অগস্ট, রবিবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিট গতে রাত ৯টা ১৮ মিনিটের মধ্যে মেষ লগ্নে, সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৭ ভাদ্র, ৩ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার।


বিয়ে- মধ্যরাত ১টা ৩ মিনিট গতে ভোর ৪টে ৭ মিনিটের মধ্যে মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৮ ভাদ্র, ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিট গতে ৮টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে মীন, মেষ লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৯ ভাদ্র, ৫ সেপ্টেম্বর, শনিবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিট গতে রাত ৯টা ৩১ মিনিটের মধ্যে মীন ও মেষ লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


২৬ ভাদ্র, ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৭টা ৮ মিনিট গতে রাত ৯টা ৪ মিনিটের মধ্যে মীন ও মেষ লগ্নে। পুনরায় ১১টা ২ মিনিট গতে ৩ টে ৩১ মিনিটের মধ্যে মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


২৭ ভাদ্র, ১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার।


বিয়ে- রাত ৯টা ১ মিনিটের মধ্যে কুম্ভ, মীন ও মেষ লগ্নে। পুনরায় রাত ১০টা ৫৮ মিনিট গতে মধ্যরাত ১টা ১ মিনিটের মধ্যে মিথুন লগ্নে। পুনরায় মধ্যরাত ২টো ৩০ মিনিট গতে ৩টে ২৭ মিনিটের মধ্যে কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।

বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও নামকরা ম্যাগাজিনগুলি : Famous Magazine 2026 of Bengali Language

বাংলা ম্যাগাজিন বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের প্রকাশনা যা মূলত সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ, রাজনীতি, বিনোদন, বিজ্ঞান, শিল্পকলা ইত্যাদি নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়। এগুলো সাধারণত মাসিক, পাক্ষিক বা সাপ্তাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং পাঠকদের কাছে নতুন চিন্তা, সৃজনশীল লেখা ও সমসাময়িক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এই পত্র পত্রিকার প্রকাশক গণ প্রতি বছর দুর্গাপূজার সময় অর্থাৎ বছরের জুলাই আগস্ট মাস নাগাদ তাদের পূজা বার্ষিকী প্রকাশ করে। 

আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গে চাকরি পাওয়ার সহজ উপায় 

বাংলা ম্যাগাজিনের বৈশিষ্ট্য


- সাহিত্যকেন্দ্রিক: গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি প্রকাশিত হয়। যেমন দেশ, কৃত্তিবাস।

- সংস্কৃতি ও সমাজ: সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে লেখা থাকে।

- বিনোদন ও চলচ্চিত্র: সিনেমা, নাটক, সংগীত, তারকা সাক্ষাৎকার ইত্যাদি।

- শিশুদের ম্যাগাজিন: শিশুদের জন্য গল্প, কমিকস, শিক্ষামূলক লেখা। যেমন আনন্দমেলা, রঙিন কাগজ।

- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিজ্ঞানচর্চা, নতুন আবিষ্কার, প্রযুক্তি নিয়ে লেখা।


বাংলা ম্যাগাজিনের গুরুত্ব


- পাঠকদের সৃজনশীলতা বাড়ায়।

- সমাজে চিন্তার আদানপ্রদান ঘটায়।

- নতুন লেখক ও শিল্পীদের মঞ্চ তৈরি করে।


বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও নামকরা ম্যাগাজিনগুলির মধ্যে রয়েছে

সাহিত্য পত্রিকা, ছোটদের Anandamela, [Shuktara], মহিলাদের জন্য Sananda ও [Anannya], এবং চলচ্চিত্র ও বিনোদনের জন্য Anandalok।


সাহিত্য ও সাধারণ পত্রিকা

- দেশ (Desh): দীর্ঘকাল ধরে চলা শীর্ষস্থানীয় সাহিত্য পত্রিকা।

- সানন্দা (Sananda): আধুনিক জীবনযাত্রা ও ফ্যাশন বিষয়ক পত্রিকা।

- অনন্যা (Anannya): নারী ও পরিবার কেন্দ্রিয় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন।


কিশোর ও শিশু পত্রিকা

- আনন্দমেলা (Anandamela): ছোট ও কিশোরদের জন্য গল্প-কমিকসের বিখ্যাত কাগজ।

- শুকতারা (Shuktara): কিশোর উপযোগী ঐতিহ্যবাহী গল্প ও কমিকসের মাসিক পত্রিকা।


বিনোদন ও অন্যান্য


- আনন্দলোক (Anandalok): সিনেমা ও তারকাদের খবরের বিনোদন পত্রিকা।

FlipHTML5 LightBox Embed Demo

- ভ্রমণ (Bhraman): ঘোরার জায়গার খোঁজখবর ও ভ্রমণকাহিনী বিষয়ক মাসিক পত্রিকা।

প্রকৃতি মিত্রম: প্রতিটি ঘর থেকে পরিচ্ছন্ন পৃথিবীর পথে প্লাস্টিক বর্জনে বিজ্ঞান ভারতী উত্তরবঙ্গ শাখার বিশেষ উদ্যোগ

প্লাস্টিক দূষণ আজ পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের অন্যতম বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী, পরিবার ও স্থানীয় সম্প্রদায়কে একসঙ্গে যুক্ত করে “প্রকৃতি মিত্রম” নামে একটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো উৎসস্থল থেকেই প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো, পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সংগ্রহ করা এবং মানুষের মধ্যে টেকসই জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা।



প্রকৃতি মিত্রম কী?


“প্রকৃতি মিত্রম” হলো স্কুলভিত্তিক প্লাস্টিকমুক্ত বাড়ি ও সম্প্রদায় গড়ার একটি উদ্যোগ। এর মূল বার্তা— “প্রতিটি ঘর থেকে পরিচ্ছন্ন পৃথিবীর পথে”। এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বাড়ি, পাড়া, স্থানীয় দোকান, অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকা থেকে পরিষ্কার ও শুকনো পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সংগ্রহ করবে।


এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শুধু প্লাস্টিক সংগ্রহে যুক্ত করা হবে না; বরং তাঁদের পরিবেশ সচেতনতা, নেতৃত্বের গুণ, দলগত কাজ এবং সামাজিক দায়িত্ববোধও গড়ে তোলা হবে।

আরও পড়ুন : ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন 

উদ্যোগটির লক্ষ্য


প্রকৃতি মিত্রম প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্যগুলি হল—


- উৎসস্থল থেকেই প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো।

- বাড়ি ও সম্প্রদায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণের অভ্যাস তৈরি করা।

- প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার ও পুনঃপ্রক্রিয়াকরণে উৎসাহ দেওয়া।

- শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো।

- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তোলা।

- পরিবেশ রক্ষার কাজে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বদানে সক্ষম করে তোলা।


প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব


প্লাস্টিক সহজে নষ্ট হয় না। দীর্ঘ সময় ধরে এটি মাটি, জল ও বায়ুতে থেকে যায় এবং ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র কণায় ভেঙে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে।


মাটির উপর প্রভাব


প্লাস্টিক মাটির গুণমান নষ্ট করে, মাটির উর্বরতা কমায় এবং উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। জমিতে প্লাস্টিক জমে থাকলে জল ও বায়ু চলাচলও ব্যাহত হয়।


জলদূষণ


নদী, পুকুর, খাল ও জলাশয়ে প্লাস্টিক জমে জলদূষণ ঘটায়। এর ফলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক সময় প্লাস্টিক জলনিকাশির পথ বন্ধ করে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।


বায়ুদূষণ


প্লাস্টিক পোড়ালে বিষাক্ত ধোঁয়া ও ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত হয়। এই ধোঁয়া মানুষের শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে এবং পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনেও ভূমিকা রাখে।


জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি


অনেক প্রাণী প্লাস্টিককে খাদ্য মনে করে খেয়ে ফেলে। এতে তাদের অসুস্থতা, শ্বাসরোধ এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। প্লাস্টিকে পাখি, মাছ ও অন্যান্য প্রাণী জড়িয়ে পড়ে আহত হয়। প্লাস্টিক প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যও নষ্ট করে।


মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ


প্লাস্টিক বর্জ্য মানুষের স্বাস্থ্যেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব ফেলে। ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্য ও পানীয় জলের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। প্লাস্টিক পোড়ানোর ধোঁয়া শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার কারণ হতে পারে।


এ ছাড়া প্লাস্টিক জমে জল আটকে থাকলে মশার বংশবিস্তার বাড়ে। এর ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

আরও পড়ুন : পাহাড়ের কোলে শান্ত বনোবীথি 

কেন ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী


প্রকৃতি মিত্রম কর্মসূচিতে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয় থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী কে প্রকৃতি মিত্রম ক্লাবের সদস্য হিসেবে নির্বাচন করা হবে।


১১ থেকে ১৫ বছর বয়সকে এই কাজের জন্য উপযুক্ত মনে করার কয়েকটি কারণ হল—


- এই বয়সে পরিবেশবান্ধব অভ্যাস তৈরি করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

- শিক্ষার্থীরা শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে প্লাস্টিক সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও হিসাব রাখতে পারে।

- দায়িত্ব গ্রহণ, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের গুণ বিকাশের সুযোগ পায়।

- তারা নিজেদের পরিবার ও প্রতিবেশীদের পরিবেশ সচেতন করতে পারে।

- বিজ্ঞান, ভূগোল ও সমাজবিজ্ঞানের পাঠের সঙ্গে বাস্তব কাজের যোগসূত্র তৈরি হয়।

- নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে কাজ করার মতো পরিণত বোধ তাদের মধ্যে থাকে।


প্লাস্টিক সংগ্রহের ব্যবস্থা


প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে—


- একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য সুতির সংগ্রহের ব্যাগ।

- প্লাস্টিক সংগ্রহের রেকর্ড শিট।

- প্রকৃতি মিত্রম পরিচয়পত্র।


শিক্ষার্থীরা বাড়ি, পাড়া, স্থানীয় দোকান, সামাজিক অনুষ্ঠান ও সম্প্রদায়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে কেবল পরিষ্কার ও শুকনো প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করবে।


কোন প্লাস্টিক সংগ্রহ করা হবে


প্রকল্পের আওতায় নিম্নলিখিত ধরনের প্লাস্টিক সংগ্রহ করা যেতে পারে—


- প্লাস্টিকের বোতল।

- দুধের প্যাকেট।

- খাবার ও চিপসের প্যাকেট।

- প্লাস্টিকের পাত্র ও কনটেনার।

- প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগ।

- একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের কাপ।

- প্লাস্টিকের চামচ ও কাঁটা।

- শ্যাম্পুর বোতল।

- ডিটারজেন্টের কনটেনার।


প্রকল্পের কার্যপ্রবাহ


প্রকৃতি মিত্রম প্রকল্পটি কয়েকটি ধাপে পরিচালিত হবে—


1. শিক্ষার্থী ও পরিবারের মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি।

2. বাড়ি ও আশপাশের এলাকা থেকে পরিষ্কার, শুকনো প্লাস্টিক সংগ্রহ।

3. সংগ্রহ করা প্লাস্টিকের পরিমাণ ও ধরন নথিভুক্ত করা।

4. বিদ্যালয়ে প্লাস্টিক ওজন করে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা।

5. অনুমোদিত পুনর্ব্যবহারকারী সংস্থার কাছে তা পাঠানো।

6. সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের তথ্য পর্যালোচনা করা।

7. পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করা।


নিরাপত্তা নির্দেশিকা


শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তাই—


- শুধু পরিষ্কার ও শুকনো প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে হবে।

- চিকিৎসা-বর্জ্য, বিপজ্জনক বর্জ্য ও ই-বর্জ্য সংগ্রহ করা যাবে না।

- প্রয়োজনে হাতে গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

- ডাস্টবিন, নর্দমা বা বর্জ্যভূমি থেকে বর্জ্য তুলতে যাওয়া যাবে না।

- বর্জ্য শোঁকা বা খালি হাতে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

- সংগ্রহের সময় পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

- শিক্ষক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে কাজ করতে হবে।


সাপ্তাহিক সংগ্রহ ও বিদ্যালয়ের ভূমিকা


প্রতি সপ্তাহে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বাড়ি ও আশপাশ থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করবে। বিদ্যালয়ে সেই প্লাস্টিক ওজন করা হবে, পরিমাণ নথিভুক্ত করা হবে এবং পৃথক স্থানে নিরাপদে রাখা হবে।


এই ব্যবস্থায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাজের হিসাব রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয় বুঝতে পারবে কোন এলাকা থেকে কত পরিমাণ প্লাস্টিক সংগ্রহ হচ্ছে এবং সচেতনতা কর্মসূচির কী প্রভাব পড়ছে।


সচেতনতা ও প্রচার কর্মসূচি


প্রকৃতি মিত্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হবে—


- মিছিল ও পথনাটিকা।

- দেওয়ালচিত্র ও পোস্টার প্রদর্শনী।

- প্লাস্টিক দূষণবিরোধী স্লোগান প্রতিযোগিতা।

- বাড়ি বাড়ি সচেতনতা অভিযান।

- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার।

- পরিবেশ রক্ষার শপথ গ্রহণ।

- বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন কর্মসূচি।


পুরস্কার ও স্বীকৃতি


শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়গুলিকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন পুরস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। যেমন—


- সেরা প্লাস্টিক সংগ্রাহক।

- সেরা শ্রেণি।

- সেরা প্রকৃতি মিত্রম বিদ্যালয়।

- সবুজ পরিবার পুরস্কার।

- সবুজ সম্প্রদায় পুরস্কার।

- প্লাস্টিকমুক্তির চ্যাম্পিয়ন।


এই ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ রক্ষার কাজকে আনন্দদায়ক সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করবে।


প্রাথমিক বাস্তবায়ন


প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার ৩০টি নির্বাচিত বিদ্যালয়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও বিদ্যালয় ও এলাকায় কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা যেতে পারে।


প্রত্যাশিত ফলাফল


প্রকৃতি মিত্রম কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যাশা করা হচ্ছে—


- বাড়ি ও সম্প্রদায়ে প্লাস্টিক দূষণ কমবে।

- শিক্ষার্থী ও পরিবারের পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

- বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে।

- শিশু-কিশোরদের মধ্যে দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের বিকাশ ঘটবে।

- পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে।

- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশ গড়ে উঠবে। [1]


উপসংহার


“প্রকৃতি মিত্রম” কেবল একটি প্লাস্টিক সংগ্রহ কর্মসূচি নয়; এটি শিক্ষার্থী, পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজকে একত্রিত করে পরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আজকের ছোট ছোট অভ্যাস—প্লাস্টিক কম ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার এবং সঠিকভাবে বর্জ্য পৃথকীকরণ—আগামী দিনের পরিচ্ছন্ন পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।


আসুন, আমরা শপথ নিই—প্লাস্টিক কম ব্যবহার করব, দায়িত্বশীলভাবে পুনর্ব্যবহার করব এবং পরিচ্ছন্ন পৃথিবী গড়তে সক্রিয় ভূমিকা নেব।

এক আকাশের নিচে রোজগার মেলা || ২০২৬ এর এক অভিনব উদ্যোগ || ৫০০০ এর বেশি কর্মসংস্থান

ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্‌সানো রুটি"—এটি কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'হে মহাজীবন' কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি পঙ্‌ক্তি সেখান থেকেই টেনে নিয়ে বলতে হয় এই পশ্চিমবাংলায় লাখে লাখে বেকার! এর জ্বালা কবে মিটবে? পশ্চিমবঙ্গের বিগত সরকারের বা তার আগের সরকারের বেকার যুবক যুবতীদের হাতে রোজগারের সুযোগ করে দেয়ার মতো উদ্যোগ আদতেই চোখে পরেনি। হাজারে হাজারে দক্ষ কর্মী রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী হতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমান বিজেপি সরকার মাত্র ১০০ দিন পার করেছে, এবং এই ধরনের একটি উদ্যোগ অর্থাৎ এক আকাশের নিচে রোজগার মেলা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাট স্টেডিয়াম ১৮.০৮.২০২৬ তারিখ হতে চলেছে।

এক আকাশের নিচে রোজগার মেলা ২০২৬-এর ব্যানার, ৫০০০-এর বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ


"কুশল ভারত, বিকশিত ভারত"—এটি কেবল স্লোগান নয়, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলনীতি। দক্ষ কর্মীশক্তি গড়ে তুললেই শিল্প-উন্নয়ন, স্টার্টআপ পরিবেশ ও গ্লোবাল বাণিজ্যে আমরা এগিয়ে যেতে পারব। তাই ব্যক্তিগত স্তরে সার্বক্ষণিক শিক্ষার প্রতি মনোযোগী হওয়া, স্থানীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগানো—এসবই ভবিষ্যতের কাজকেই নিশ্চিত করবে। 



আমাদের যুব সমাজকে নমনীয় ও সক্ষম করে তোলা আজকের সময়ের প্রধান অনিবরণীয় প্রয়োজন; শুধু একদমই নতুন দক্ষতা শেখা নয়, বরং দ্রুত বদলানো চাকরির চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে পুনর্গঠন (reskilling) ও উন্নত করা (upskilling) আবশ্যক। প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও কাজের সংস্কৃতিতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ঘটছে—এমন অবস্থায় ধারাবাহিক শিক্ষণ, অনলাইন কোর্স এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তরুণেরা কেবল প্রতিযোগী থাকতে পারবেন না, বরং নিজেদের কর্মজীবন দীর্ঘস্থায়ী ও ফলপ্রসূ করতে পারবেন। 



বালুরঘাট কৌশল মহোৎসব হল এমন এক প্ল্যাটফর্ম যেখানে তরুণরা শুধু শেখার সুযোগই পাচ্ছে না, বরং বাস্তবে নিজেদের দক্ষতা পরীক্ষার সুযোগও পাবেন—লাইভ ওয়ার্কশপ, মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডেমো সেশন, প্রকল্প-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-মেন্টরদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং হবে মূল আকর্ষণ। এতে শিক্ষাব্রতী ছাত্রছাত্রী ও নবপ্রবীণ পেশাজীবী—উভয়েই উপকৃত হতে চলেছেন। 


এই ইভেন্টে প্রস্তাবিত ৫০০০+ শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণের সুযোগ কেবল সংখ্যাতত্ত্ব নয়; এগুলো ডিজিটাল দক্ষতা, কোডিং বেসিক, UI/UX, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডেটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ছোটো-মোটো প্রযুক্তি প্রকল্পের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে। প্রশিক্ষণগুলো বাস্তব-মুখী এবং কর্মপ্রদায়ক সংস্থাগুলোর চাহিদা অনুযায়ী সাজানো থাকবে, ফলে প্রশিক্ষণ শেষে কার্যকর সার্টিফিকেশন ও কর্মসংস্থানের পথ উভয়ই সুগম হবে।


 

৫০ এর বেশি কোম্পানির উপস্থিতি মানে সরাসরি নিয়োগ ও ইন্টারভিউয়ের সুযোগ—কোম্পানিগুলো বিভিন্ন খাতে (IT, BPO, রিটেইল, মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ, এগ্রো-টেক) ট্যালেন্ট স্কাউট করবে। অংশগ্রহণকারীরা প্রাথমিক স্ক্রিনিং, বায়োডাটা সাবমিশন ও অন-স্পট ইন্টারভিউতে অংশ নিতে পারবেন; কিছু ক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ ও ট্রায়াল-অফারের মাধ্যমে স্থায়ী চাকরির পথও খুলে যেতে পারে। 



অনুষ্ঠানটি একটি সরকারি ও সমাজ কল্যাণ উদ্যোগের সম্মিলিত প্রচেষ্টা; মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি ও নেতৃত্ব স্থানীয় প্রকল্পগুলোর প্রতি গুরুত্ব বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরের নীতি-নির্ধারক বা অতিথি উপস্থিতি থাকলে প্রশিক্ষণ ও নিয়োগের মান নিয়ে আরও স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ আনা সম্ভব হবে। 



বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য ও প্যানেল আলোচনায় থাকবে দক্ষতা উন্নয়ন নীতিগত বাধা, অর্থায়ন মডেল, স্টার্টআপ-ইন্ডাস্ট্রি সংযোগ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজলভ্য রিসোর্স কিভাবে তৈরি করা যায়—এসব বিষয়ে বাস্তব দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি তাদের প্রশ্ন করতেও পারবেন, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য ভূমিকা-নির্ধারণে সহায়ক হবে। 



লজিস্টিক তথ্য: স্থান—বালুরঘাট স্টেডিয়াম, দক্ষিণ দিনাজপুর; তারিখ—১৮ আগস্ট ২০২৬। 



আগ্রহীরা অনলাইনে রেজিস্টার করে নিন

(https://nsdcjobx.com/jobseeker/QuickReg)

অবিলম্বে ১৮.০৮.২০২৬ বিকেল ৪ ঘটিকার মধ্যে ১৭৭৬ জন চাকুরী প্রার্থীকে নিয়োগপত্র বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রদান করা হয়েছে।