এক আকাশের নিচে রোজগার মেলা || ২০২৬ এর এক অভিনব উদ্যোগ || ৫০০০ এর বেশি কর্মসংস্থান

ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্‌সানো রুটি"—এটি কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'হে মহাজীবন' কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি পঙ্‌ক্তি সেখান থেকেই টেনে নিয়ে বলতে হয় এই পশ্চিমবাংলায় লাখে লাখে বেকার! এর জ্বালা কবে মিটবে? পশ্চিমবঙ্গের বিগত সরকারের বা তার আগের সরকারের বেকার যুবক যুবতীদের হাতে রোজগারের সুযোগ করে দেয়ার মতো উদ্যোগ আদতেই চোখে পরেনি। হাজারে হাজারে দক্ষ কর্মী রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী হতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমান বিজেপি সরকার মাত্র ১০০ দিন পার করেছে, এবং এই ধরনের একটি উদ্যোগ অর্থাৎ এক আকাশের নিচে রোজগার মেলা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাট স্টেডিয়াম ১৮.০৮.২০২৬ তারিখ হতে চলেছে।

এক আকাশের নিচে রোজগার মেলা ২০২৬-এর ব্যানার, ৫০০০-এর বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ


"কুশল ভারত, বিকশিত ভারত"—এটি কেবল স্লোগান নয়, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলনীতি। দক্ষ কর্মীশক্তি গড়ে তুললেই শিল্প-উন্নয়ন, স্টার্টআপ পরিবেশ ও গ্লোবাল বাণিজ্যে আমরা এগিয়ে যেতে পারব। তাই ব্যক্তিগত স্তরে সার্বক্ষণিক শিক্ষার প্রতি মনোযোগী হওয়া, স্থানীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগানো—এসবই ভবিষ্যতের কাজকেই নিশ্চিত করবে। 

আমাদের যুব সমাজকে নমনীয় ও সক্ষম করে তোলা আজকের সময়ের প্রধান অনিবরণীয় প্রয়োজন; শুধু একদমই নতুন দক্ষতা শেখা নয়, বরং দ্রুত বদলানো চাকরির চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে পুনর্গঠন (reskilling) ও উন্নত করা (upskilling) আবশ্যক। প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও কাজের সংস্কৃতিতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ঘটছে—এমন অবস্থায় ধারাবাহিক শিক্ষণ, অনলাইন কোর্স এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তরুণেরা কেবল প্রতিযোগী থাকতে পারবেন না, বরং নিজেদের কর্মজীবন দীর্ঘস্থায়ী ও ফলপ্রসূ করতে পারবেন। 

বালুরঘাট কৌশল মহোৎসব হল এমন এক প্ল্যাটফর্ম যেখানে তরুণরা শুধু শেখার সুযোগই পাচ্ছে না, বরং বাস্তবে নিজেদের দক্ষতা পরীক্ষার সুযোগও পাবেন—লাইভ ওয়ার্কশপ, মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডেমো সেশন, প্রকল্প-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-মেন্টরদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং হবে মূল আকর্ষণ। এতে শিক্ষাব্রতী ছাত্রছাত্রী ও নবপ্রবীণ পেশাজীবী—উভয়েই উপকৃত হতে চলেছেন। 

এই ইভেন্টে প্রস্তাবিত ৫০০০+ শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণের সুযোগ কেবল সংখ্যাতত্ত্ব নয়; এগুলো ডিজিটাল দক্ষতা, কোডিং বেসিক, UI/UX, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডেটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ছোটো-মোটো প্রযুক্তি প্রকল্পের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে। প্রশিক্ষণগুলো বাস্তব-মুখী এবং কর্মপ্রদায়ক সংস্থাগুলোর চাহিদা অনুযায়ী সাজানো থাকবে, ফলে প্রশিক্ষণ শেষে কার্যকর সার্টিফিকেশন ও কর্মসংস্থানের পথ উভয়ই সুগম হবে। 

৫০ এর বেশি কোম্পানির উপস্থিতি মানে সরাসরি নিয়োগ ও ইন্টারভিউয়ের সুযোগ—কোম্পানিগুলো বিভিন্ন খাতে (IT, BPO, রিটেইল, মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ, এগ্রো-টেক) ট্যালেন্ট স্কাউট করবে। অংশগ্রহণকারীরা প্রাথমিক স্ক্রিনিং, বায়োডাটা সাবমিশন ও অন-স্পট ইন্টারভিউতে অংশ নিতে পারবেন; কিছু ক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ ও ট্রায়াল-অফারের মাধ্যমে স্থায়ী চাকরির পথও খুলে যেতে পারে। 

অনুষ্ঠানটি একটি সরকারি ও সমাজকল্যাণ উদ্যোগের সম্মিলিত প্রচেষ্টা; মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি ও নেতৃত্ব স্থানীয় প্রকল্পগুলোর প্রতি গুরুত্ব বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরের নীতি-নির্ধারক বা অতিথি উপস্থিতি থাকলে প্রশিক্ষণ ও নিয়োগের মান নিয়ে আরও স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ আনা সম্ভব হবে। 

বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য ও প্যানেল আলোচনায় থাকবে দক্ষতা উন্নয়ন নীতিগত বাধা, অর্থায়ন মডেল, স্টার্টআপ-ইন্ডাস্ট্রি সংযোগ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজলভ্য রিসোর্স কিভাবে তৈরি করা যায়—এসব বিষয়ে বাস্তব দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি তাদের প্রশ্ন করতেও পারবেন, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য ভূমিকা-নির্ধারণে সহায়ক হবে। 

লজিস্টিক তথ্য: স্থান—বালুরঘাট স্টেডিয়াম, দক্ষিণ দিনাজপুর; তারিখ—১৮ আগস্ট ২০২৬। আগ্রহীরা আগে থেকে অনলাইনে রেজিস্টার করে নিন (https://nsdcjobx.com/jobseeker/QuickReg)

মা আসছেন ২০২৬: দুর্গাপুজোর দিনক্ষণ, আয়োজন ও উৎসবের আবহ

বাঙালির আবেগ দুর্গাপূজা। আর মাত্র কটা দিন। মা আসছেন। টাক কুর কুর ঢাক বাজা শুরু হয়ে যাবে মণ্ডপে মণ্ডপে। মাঠ ঘাট চারপাশ কাশ বনে ঢেকে যাবে। আকাশে বাতাসে মায়ের আগমনের ঘন ঘটা উপচে পড়বে। 



কুমোরটুলি

সরকারি ছুটি

পূজার বিনোদন

নতুন কেনা কাটা 

দুর্গাপূজার নির্ঘণ্ট

সরকারের ভূমিকা


কুমোরটুলি 

রথ যাত্রা শেষ হবার পরেই কুমোরটুলি গুলিতে প্রতিমা তৈরির হিড়িক পরে গিয়েছে। বিশেষত খড়ের খাঁচা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতিমা তৈরির জিনিস পত্রের অতিরিক্ত দাম কিছু কুমোরটুলির কাজ থমকে গিয়েছে। দুর্গাপূজা ও কুমারটুলি একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বিখ্যাত কুমারটুলি পল্লিতে মৃৎশিল্পীরা মাটি, খড় ও বাঁশ দিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরি করেন। তাঁদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় নির্জীব মাটি পায় দেবীর রূপ। পূজার কয়েক মাস আগে থেকেই কুমারটুলিতে শুরু হয় ব্যস্ততা। গলির পর গলি জুড়ে দেখা যায় অসম্পূর্ণ, অর্ধসমাপ্ত ও সম্পূর্ণ প্রতিমার সারি। শিল্পীদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ফলেই দুর্গাপূজার আনন্দ আরও পূর্ণতা পায়। কুমারটুলি তাই শুধু একটি স্থান নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্য, শিল্প ও ভক্তির প্রতীক।


সরকারি ছুটি 

এবারের সরকারি ছুটি আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে। যারা দূরে চাকুরী করেন সকলেই বাড়ী ফেরার তাগিদে টিকিট কাটতে শুরু করেছেন। শুরুতেই এখন টিকিট কেটে না নিলে ওয়েটিং এর ঝামেলায় পড়তে হবে। 


বিনোদন 

দুর্গাপূজা মানেই বিনোদন, সংস্কৃতি আর আনন্দের উৎসব—প্যান্ডেল হপিং, নাচ-গান, নাটক, নতুন গান, বিশেষ অনুষ্ঠান আর পারিবারিক আড্ডা সব মিলিয়ে পূজার আবহ তৈরি হয়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলা বিনোদনমাধ্যমে সাধারণত বিশেষ নাটক, গান, ইউটিউব ভিডিও এবং পূজা-নির্ভর কনটেন্ট প্রকাশ পায়।


পূজার বিনোদন

পূজার সময় বিনোদনের মধ্যে থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মঞ্চনাটক, সংগীতানুষ্ঠান, এবং মন্ডপে আয়োজন করা নানা পারফরম্যান্স। অনেকেই বাড়িতে থেকেও পরিবার নিয়ে হাতের কাজ, গল্প, খেলা, গান আর ছোটখাটো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পূজার আনন্দ উপভোগ করেন।


নতুন কেনা কাটা 

দুর্গাপূজা কেনাকাটা বলতে সাধারণত উৎসবের আগে নতুন পোশাক, শাঁখা-সিঁদুর, গয়না, পূজার সাজসজ্জা, উপহার এবং পুজোর সামগ্রী কেনাকাটা উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে দেখা যাচ্ছে, পূজাকে ঘিরে শপিংমল ও বিশেষ বাজারগুলোতে কেনাকাটার ভিড় বাড়ে, আর শাঁখারীবাজার/মার্কেটগুলোতে শাঁখা, শঙ্খ, সিঁদুর, শাড়ি, মুকুট, ধুতি, পাঞ্জাবি, প্রদীপসহ নানা জিনিস বেশি বিক্রি হয়। এছাড়াও অনলাইন কেনাকাটায় মানুষের আগ্রহ দেখার মতো।


কী কী কেনা হয়

পোশাক: শাড়ি, পাঞ্জাবি, ধুতি, ছেলে-মেয়েদের নতুন জামা।

পূজার সামগ্রী: শাঁখা, শঙ্খ, সিঁদুর, মালা, মুকুট, প্রদীপ, আগরবাতি।

উপহার ও সাজসজ্জা: গয়না, কসমেটিকস, ঘর সাজানোর জিনিস, মিষ্টি।

অনলাইন ও অফলাইন কেনাকাটা: অনেকেই দোকানে যান, আবার অনেকে ক্যাশব্যাক অফার পেলে অনলাইনেও কেনেন।


কেনার সময় কী দেখবেন

বাজেট আগে ঠিক করুন, নাহলে উৎসবের ভিড়ে খরচ বেড়ে যেতে পারে।

পরিবারের সবার জন্য একসঙ্গে তালিকা বানালে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমে।

দামের সঙ্গে মান যাচাই করুন, বিশেষ করে শাড়ি, পাঞ্জাবি, গয়না ও পূজার সামগ্রীতে।

অফার থাকলে তা মিলিয়ে নিন, তবে শুধু ছাড় দেখে কিনবেন না ।


সহজ কেনাকাটা পরিকল্পনা

১. প্রথমে প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা করুন।

২. বাজেট ভাগ করুন: পোশাক, পূজার সামগ্রী, উপহার, অতিরিক্ত খরচ।

৩. বাজার ও অনলাইন—দুই জায়গার দাম তুলনা করুন।

৪. শেষ মুহূর্তে নয়, আগে কিনলে ভিড় ও দাম দুটোই কম চাপ দেবে 


দুর্গাপূজার নির্ঘণ্ট:

২০২৬ সালের দুর্গাপূজার নির্ঘণ্ট অনুযায়ী মহালয়া ১০ অক্টোবর, এবং বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর। এই বছর পূজা কিছু পঞ্জিকা মতে ৬ দিনের হয়ে যাচ্ছে, তাই সপ্তমী ২ দিন ধরে পড়তে পারে .

প্রধান তিথি

মহালয়া: ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার

মহাষষ্ঠী: ১৬ বা ১৭ অক্টোবর ২০২৬, পঞ্জিকা ভেদে একদিনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

মহাসপ্তমী: ১৭–১৮ অক্টোবর ২০২৬।

মহাঅষ্টমী: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার।

মহানবমী: ২০ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার।

বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার।


দুর্গাপুজো ও সরকারের ভূমিকা:


দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাংলার সংস্কৃতি, শিল্প, ক্ষুদ্র ব্যবসা, পর্যটন ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই সরকার সাধারণত পুজোর আগে প্রশাসনিক বৈঠক করে মণ্ডপে নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, রাস্তা, আলো, বিদ্যুৎ, পানীয় জল এবং চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়। দুর্গাপূজা ও কুমারটুলি একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। কলকাতার বিখ্যাত কুমারটুলি পল্লিতে মৃৎশিল্পীরা মাটি, খড় ও বাঁশ দিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরি করেন। তাঁদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় নির্জীব মাটি পায় দেবীর রূপ। পূজার কয়েক মাস আগে থেকেই কুমারটুলিতে শুরু হয় ব্যস্ততা। গলির পর গলি জুড়ে দেখা যায় অসম্পূর্ণ, অর্ধসমাপ্ত ও সম্পূর্ণ প্রতিমার সারি। শিল্পীদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ফলেই দুর্গাপূজার আনন্দ আরও পূর্ণতা পায়। কুমারটুলি তাই শুধু একটি স্থান নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্য, শিল্প ও ভক্তির প্রতীক।


সরকারি অনুদান নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক বিতর্কও রয়েছে। সমর্থকদের বক্তব্য, অনুদান পুজো কমিটিগুলির আর্থিক চাপ কমায় এবং সাধারণ মানুষের উৎসবকে আরও সুন্দর করে; বিরোধীদের অভিযোগ, সরকারি অর্থ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যয় না করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা কর্মসংস্থানে ব্যবহার করা উচিত। ২০২৬ সালের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন সরকার আগের মতো সব পুজো কমিটিকে অনুদান দেবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা প্রকাশিত হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসের সপ্তাহান্তে মন্দারমণিতে EDM-এর ধামাকা—জেনে নিন Sunburn Reload-এর সব তথ্য

Sunburn Reload Sundowner 2026 — ১৬ আগস্ট মন্দারমণির কে সি ভিউ রিসর্টে অনুষ্ঠিত হবে, দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। গোয়ায় জনপ্রিয় সানবার্ন ফেস্টিভ্যালের এই স্পেশাল এডিশনটা এবার বঙ্গের বে অফ বেঙ্গলের সি বিচে আয়োজন করা হয়েছে, তাই মন্দারমণি এবং আশপাশের পর্যটন এলাকাগুলিতে বড় রেভিনিউ ও ভিড় প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ইভেন্টের কনসেপ্ট সানডাউনারের থিমকে কেন্দ্র করে — দুপুর থেকে সন্ধ্যা এবং রাতের ডান্স সেশনগুলোতে আলোকসজ্জা ও মঞ্চের নকশা বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

প্রধান পারফরমারদের মধ্যে আছেন DJ Sartek, Houdini, Rudr ও Arkein জুটি এবং Antim — যারা ইলেকট্রিফাইং ইলেকট্রোনিক ডান্স মিউজিক পরিবেশন করবেন। লাইভ পারফর্ম্যান্সের পাশাপাশি হাই-এনার্জি সেট, লেজার শো এবং দর্শনীয় স্টেজ ডিজাইন থাকবে; যার ফলে সানডাউনের মোমেন্ট এবং রাতের পার্টির ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা বাড়বে। আন্তর্জাতিক দর্শক ও মিউজিক লোভারদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্যেই ইভেন্টটি আয়োজিত হয়েছে, তাই ডি-জে সেটগুলোতে ট্রেন্ডিং EDM ট্র্যাক ও কাস্টম মিক্স শোনা যাবে।



টিকেট সম্পর্কে: ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য ১৮ বছর ও তার বেশি বয়স প্রয়োজন। দুই ধরনের টিকেট পাওয়া যাবে — সাধারণ টিকিট ₹1,499 এবং প্রিমিয়াম টিকিট ₹3,999 (প্রতি ব্যক্তি)। প্রিমিয়াম টিকিটে সাধারণত উন্নত ভিউ, ফাস্ট-ট্র্যাক এন্ট্রি বা নির্দিষ্ট সেকশনে বসবাসের সুবিধা থাকতে পারে; নির্দিষ্ট সুবিধাগুলো কনফার্ম করতে BookMyShow-এ তালিকাভুক্ত ইভেন্ট ডিটেইল চেক করা উত্তম। টিকিট কাটা যাবে BookMyShow-এ, এবং ইভেন্টের প্রতি অংশগ্রহণের সময় ID দেখিয়ে এন্ট্রি নিশ্চিত করতে হতে পারে।


এই আয়োজনটি বিশেষ কারণ হলো—Sunburn ব্র্যান্ডটি এশিয়ার বৃহত্তম ইলেকট্রিক ডান্স মিউজিক ফেস্টিভ্যাল হিসেবে পরিচিত, যা মূলত গোয়ার আরব সাগর পাড়ে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকতো। ২০০৭ সালে শৈলেন্দ্র সিং পারস্পেক্ট লাইভ ব্যানারে সানবার্ন শুরু করেন, এবং এরপর এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত ও প্রসার লাভ করে। যদিও মূল সানবার্ন ডিকেম্বরে — মুম্বই মহালক্ষ্মী রেসকোর্সে (১৮–১৯ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে, তবু এই সময়ের বাইরে গ্র্যান্ড—সানডাউনর থিমে একটি বিশেষ এডিশন মন্দারমণিতে আয়োজন করা হয়েছে, যা স্থানীয় পর্যটন ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।


পার্কিং , ক্যাম্পিং, খাবারের ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও মেডিক্যাল সার্ভিস—এসব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রতিষ্ঠানিক ঘোষণায় দেওয়া না হলে BookMyShow বা ইভেন্টের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় আপডেট চেক করতে হবে। ভ্রমণ পরিকল্পনা করলে আগেই টিকিট ও থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে নিন, কারণ উৎসবে ট্যুরিস্ট ভিড় বেশি হবে। স্থানীয় পরিবহন, হোটেল বুকিং ও নিরাপত্তা নির্দেশনা সম্পর্কে আগে থেকে খোঁজ নিয়ে যাওয়া বাঞ্ছনীয়।


গোয়ার বিখ্যাত সানবার্ন ফেস্টিভ্যাল এবার বাংলার মন্দারমণির সি বিচে — নাম দেওয়া হয়েছে "Sunburn Reload Sundowner"। স্বাধীনতা দিবসের সপ্তাহান্তে, ১৬ আগস্ট মন্দারমনির কে সি ভিউ রিসর্টে এই ইলেকট্রিফাইং ডান্স-মিউজিক ইভেন্ট হবে। আয়োজনটি লোকাল পর্যটন ও আয় বৃদ্ধির আশায় বড় আকর্ষণ হবে; লাইভ পারফর্ম্যান্স ও মঞ্চসজ্জা থাকবে হাই-এনার্জি সেটে। মূল সানবার্ন স্থায়ীভাবে সাধারণত ডিসেম্বরেই মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত হয় (১৮–১৯ ডিসেম্বর মহালক্ষ্মী রেসকোর্স) — কিন্তু এই বিশেষ সানডাউনার-এ বঙ্গবাসীও অংশ নিতে পারবেন।


- ইভেন্ট নাম: Sunburn Reload Sundowner  2026

- দিন ও সময়: ১৬ আগস্ট, দুপুর ১২টা — রাত ১০টা  

- স্থান: মন্দারমনির কে সি ভিউ রিসর্ট, সি বিচ (Mandarmani KC View Resort)  

- অংশগ্রহণযোগ্যতা: বয়স ১৮ এবং তার উপরে  

- টিকেট টাইপ ও মূল্য: দুই ধরণের — ₹1,499 এবং ₹3,999 (প্রতি ব্যক্তি)  

- টিকেট কোথায় পাওয়া যাবে: BookMyShow  

- হেডলাইন আর্টিস্টরা: DJ Sartek, Houdini, Rudr ও Arkein জুটি, Antim (ও আরও সেলিব্রিটি পারফর্মাররা)  

- ইভেন্ট বৈশিষ্ট্য: লাইভ পারফর্ম্যান্স, ইলেকট্রিক ডান্স মিউজিক (EDM), আকর্ষক স্টেজ ডিজাইন ও সন্ধ্যাবেলা সানডাউন থিম  

- কেন আলাদা: সাধারণত সানবার্ন গোয়ার আরব সাগরের তীরে আয়োজন করা হয়; এবার এটা বে অফ বেঙ্গলের তটে এবং বাংলার পর্যটনকে টানবে  

- মূল সানবার্ন সম্পর্কে: এশিয়ার অন্যতম বড় ইলেকট্রিক ডান্স মিউজিক ফেস্টিভ্যাল; ২০০৭ সালে শৈলেন্দ্র সিং পারস্পেক্ট লাইভ ব্যানারে শুরু করেন


গোয়ার পর এবার মন্দারমণিতে সানবার্নের ঝড়—১৬ আগস্ট জমবে EDM সানডাউনার


- বে অফ বেঙ্গলের তীরে প্রথমবার সানবার্ন—মন্দারমণিতে ১৬ আগস্ট মিউজিকের মহোৎসব

- মন্দারমণিতে নামছে সানবার্ন Reload: Sartek থেকে Houdini, থাকছে তারকাখচিত লাইনআপ


- গোয়ার সানবার্ন এবার বাংলায়: মন্দারমণিতে কখন, কোথায়, কত টাকার টিকিট?

- সমুদ্র, সূর্যাস্ত আর ইলেকট্রনিক মিউজিক—মন্দারমণিতে আসছে Sunburn Reload

- বাংলার বিচে সানবার্নের অভিষেক: ১৬ আগস্ট মন্দারমণিতে বসছে মিউজিকের আসর

- মন্দারমণির বুকে সানবার্নের উন্মাদনা—Sartek, Houdini-দের সঙ্গে জমবে রাত

- Sunburn Reload Mandarmani 2026: বাংলার সমুদ্রসৈকতে EDM পার্টির বড় ঘোষণা