পশ্চিমবঙ্গের জন্য চালু হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা, ৭৮০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি || এদিক-ওদিক

প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এবং পরিবেশের ওপর ন্যূনতম ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে এমন এক শক্তির উৎস যা সবুজ শক্তি বা গ্রিন এনার্জি । কয়লা, তেল বা গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির বিপরীতে সবুজ শক্তি বায়ু দূষণ ও কার্বন নির্গমন কমিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সাহায্য করে।



সর্বপড়ি পরিবেশ রক্ষা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ভবিষ্যত কে সুরক্ষিত করতে গ্রিন এনার্জির ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ন। আগামী ভারতের পরিবেশ ও অর্থনীতি অনেকটা গ্রিন এনার্জির উপর নির্ভর করে ভবিষ্যত গড়ে উঠবে।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি উপযুক্ত মহিলার একাউন্টে ৩০০০ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে দিয়ে অভূতপূর্ব সারা ফেলে দিয়েছে। বর্তমান সরকার গ্রীন এনার্জির উপর সফল ভাবে কাজ করে চলেছে। এবারে বাড়ী বাড়ী প্রধানমন্ত্রী মুফত বিজলি। এবারে আপনার বিদ্যুৎ বিল হতে চলেছে শুন্য। আসুন পুরো বিষয় টি জেনে নেয়া যাক।

পশ্চিমবঙ্গের জন্য চালু হয়ে গেছে
প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা

₹৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি
বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনার সুবিধা, ভর্তুকি ও আবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন।
☀️ সৌর বিদ্যুৎ • 💰 সরকারি ভর্তুকি • ⚡ বিদ্যুৎ সাশ্রয়
বিস্তারিত জানুন →
এদিক-ওদিক | edik-odik.blogspot.com

পশ্চিমবঙ্গের জন্য চালু হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা, ৭৮০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রতিটি সরকারি অফিসে রুফ টফ সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর কিছুদিনের মধ্যে সমস্ত সরকারি দপ্তরে সোলার প্যানেল বসে যাবে এবং বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়ে যাবে।


এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যুৎ দপ্তর প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা প্রতিনিয়ত ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। দপ্তর বিভিন্ন অফিসে মিটিং, মাইকিং ইত্যাদি অবিলম্বে শুরু করে দিয়েছে, যার ফল স্বরূপ সাধারণ মানুষ এই যোজনার লাভ ঘরে তুলতে শুরু করছেন।

এই যোজনা মোতাবেক যে সকল ব্যাক্তি / উপভোক্তার বাড়িতে ২০০ ইউনিট এর কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার হয় সেই উপভোক্তার মাসিক ৭০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা সশ্রয় হবে। ২০০-৩০০ ইউনিট এবং ৩০০ এর বেশি বিদ্যুৎ ব্যাবহার হয় সেই উপভোক্তার মাসিক যথাক্রমে ১৪০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা সাশ্রয় হবে।

খরচ কত পড়বে?

বাড়িতে যদি প্রতি মাসে ২০০ থেকে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়, অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যদি লাইট, ফ্যান, টিভি সমস্ত চালিয়ে ২০০ ইউনিট কারেন্ট পরে তবে আপনি ১ কিলোওয়াট সোলার প্যানেল বাড়ীর ছাদে বসাতে পারেন। যার দাম পড়বে ৭০০০০/- টাকা, এর মধ্যে সরকারি ভর্তুকি ৩০০০০/- টাকা। অর্থাৎ আপনার খরচা ৪০০০০ টাকা। প্যানেল বসানোর জন্য খরচের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সরকারি ব্যাংক থেকে সুলভ সুদে লোন পেয়ে যাবেন।

এক্ষেত্রে উল্লেখ থাকে যে প্যানেল বসানোর সময় ইউনিট বাড়িয়ে নিয়ে অর্থাৎ সোলার প্যানেল ২ থেকে ৩ কিলোওয়াট নেয়া যেতে পারে, কারন আপনার যদি ফ্রিজ, এ সি, ওয়াটার মটর পাম্প ইত্যাদি থেকে থাকে বা পরবর্তীতে নেয়ার সুযোগ হয় তবে এটি কাজে লেগে যাবে। এক্ষেত্রে খরচ পড়বে ১৪০০০০ থেকে ২১০০০০ টাকা। ভর্তুকি এর পরিমান ৬০০০০ থেকে ৭৮০০০ টাকা।

খরচ কিভাবে উঠে আসবে?

সোলার প্যানেল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ গোটা বাড়ীর লাইট, ফ্যান ও অন্যান্য সরঞ্জামে সরবরাহ করার পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিড সংযোগের মাধ্যমে সাথে সাথেই ভর্তুকি ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে। কোনো বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে না। সময়ে গ্রিড এর বাড়তি বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন। স্মার্ট মিটারের মাধ্যমে সমস্ত ব্যাপার টি মনিটর করা যাবে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য

পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা হল কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প  যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪-এ চালু করেন। এর উদ্দেশ্য হল ভারত জুড়ে ১ কোটি বাড়িতে ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা।

কারা এই প্রকল্পের সুবিধে পাবেন

- পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে।
- আয়ের উপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ নেই, সকল পরিবার যোগ্য।
- অবশ্যই WBSEDCL-এর বিদ্যুৎ সংযোগ থাকতে হবে (অথবা কলকাতার জন্য CESC-এর)।
- যেখানে প্যানেল স্থাপন করা হবে, সেই সম্পত্তির মালিক অবশ্যই হতে হবে (বাড়ির মালিক)।
- সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য ছাদটি কাঠামোগত ভাবে মজবুত হতে হবে।
- প্রতি পরিবারে একটি ভর্তুকি (একটি বিদ্যুৎ গ্রাহক নম্বর)
- (ডিবিটি ভর্তুকির জন্য) আধার কার্ড অবশ্যই একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে লিঙ্ক করা থাকতে হবে।

ছাদে প্যানেল বসানোর জন্য কতটা জায়গার প্রয়োজন:

প্রতি ১ কিলোওয়াট সোলার প্যানেলের জন্য ১০০ স্কোয়ার ফুট জায়গা প্রয়োজন, অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যদি ৩ কিলো ওয়াট সোলার প্যানেল অর্থাৎ বিদ্যুৎ খরচা প্রতি মাসে ৩০০ ওয়াট হয় তবে ৩০০ স্কোয়ার ফুট জায়গা প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ছাদ যেন শক্তপোক্ত থাকে।

আবেদনের পদ্ধতি

অফিসিয়াল পোর্টালে যান : pmsuryaghar.gov.in

নিবন্ধন করুন: “রুফটপ সোলারের জন্য আবেদন করুন”-এ ক্লিক করুন → আপনার রাজ্য (পশ্চিমবঙ্গ), জেলা, বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা (WBSEDCL/CESC), গ্রাহক অ্যাকাউন্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি লিখুন।

লগইন করুন ও আবেদনপত্র পূরণ করুন: আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করুন এবং আপনার বিবরণ পূরণ করুন।

সম্ভাব্যতা অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করুন: WBSEDCL ৩০ দিনের মধ্যে পর্যালোচনা করে অনুমোদন/বাতিল করবে।

তালিকাভুক্ত বিক্রেতা নির্বাচন করুন: আপনার জেলার জন্য MNRE-অনুমোদিত বিক্রেতাদের তালিকা থেকে বেছে নিন।

সিস্টেম ইনস্টল করুন: বিক্রেতা আপনার ছাদের সোলার প্যানেল ইনস্টল করে দেবে।

নেট মিটারের জন্য আবেদন করুন: পোর্টালে ইনস্টলেশন সার্টিফিকেট জমা দিন এবং নেট মিটারের জন্য আবেদন করুন।

ভর্তুকি পান: পরিদর্শন এবং চালু করার পর, ভর্তুকি ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি আপনার আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যায়।

আবেদনের পর করণীয় কাজ :

অনলাইন আবেদন করার পর বিদ্যুৎ দপ্তর থেকে ভেন্ডর এর প্রতিনিধি গণ আপনার বাড়ী পরিদর্শন করবে এবং প্যানেল এর কোয়ালিটি ও কি জিনিস পত্র লাগবে এবং তাঁরা কবে কাজ শুরু করবে সেই বিষয়ে আলোচনা করে নেবে। আপনার বাড়িতে কত ইউনিট প্রয়োজন এবং কত কিলো ওয়াট পর্যন্ত আপনি প্যানেল বসানোর উপযুক্ত টা দেখে নেবে। ফাইনাল কথা হয়ে গেলে ভেন্ডর কে সমস্ত পেমেন্ট দিয়ে দিতে হবে। বা ব্যাংক ভেন্ডর কে পেমেন্ট দিয়ে দেবে। নির্দিষ্ট সময়ে ভেন্ডর ও বিদ্যুৎ দপ্তর সংসাপত্র দিলে পর ভর্তুকির টাকা ব্যাংক একাউন্ট এ চলে আসবে।

ভাদ্র মাসের পূজা-উপাচার : Festivals of August & September 2026

ভাদ্র মাসের পূজা-উপাচার:



| ইংরেজি তারিখ | বাংলা (ভাদ্র) | উৎসব/অনুষ্ঠান | বিবরণ |

| ১৮ আগস্ট ২০২৬ | ১ ভাদ্র | লুণ্ঠনষষ্ঠী (লুণ্ঠনষষ্ঠী) | ষষ্ঠী তিথি চলছে — শুরু: ১৭ অগস্ট বিকেল ৫:০২, শেষ: ১৮ অগস্ট বিকেল ৫:৫১। |

আরও পড়ুন : গরমে চটজলদি শরবত বোরহানি 

| ২৩ আগস্ট ২০২৬ | ৬ ভাদ্র | পুত্রদা একাদশী; ঝুলনযাত্রা আরম্ভ | একাদশী তিথি চলছে — শুরু: ২২ অগস্ট রাত ২:০২, শেষ: ২৩ অগস্ট ভোর ৪:১৯। ঝুলনযাত্রা শুরু। |

| ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১১ ভাদ্র (পূর্ণিমা) | রাখি-বন্দন / পূর্ণিমা | পূর্ণিমা তিথি চলছে — শুরু: ২৭ অগস্ট সকাল ৯:১০, শেষ: ২৮ অগস্ট সকাল ৯:৪৯। ঝুলনযাত্রা সমাপন। |

| ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র | শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী | অষ্টমী তিথি চলছে — শুরু: ৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ২:২৭, শেষ: ৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২:১৪ (জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠিত)। |

| ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১ ভাদ্র | অজা একাদশী | একাদশী তিথি চলছে — শুরু: ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭:৩১, শেষ: ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫:০৫। |

| ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র | অমাবস্যার নিশি পালন (অমাবস্যা) | অমাবস্যা তিথি আরম্ভ: ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০:৩৫। |

| ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র | অমাবস্যা তিথি শেষ | অমাবস্যা তিথি শেষ: ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, সকাল ৭:৫৭। |

| ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৮ ভাদ্র | শ্রীশ্রী গণেশপূজা | গণেশপূজার দিন: ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। চতুর্থী তিথি আরম্ভ: একই দিন সকাল ৭:০৮। |

| ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৯ ভাদ্র | চতুর্থী তিথি শেষ | চতুর্থী তিথি শেষ: ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার, সকাল ৭:৪৫। |

| ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৩১ ভাদ্র | শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মাপূজা | বিশ্বকর্মা পূজার দিন: ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। |


ভাদ্র মাসে বিয়ের শুভ দিন-



৭ ভাদ্র, ২৪ অগস্ট, সোমবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৮টা ২৮ মিনিট গতে রাত ১০টা ১৪ মিনিটের মধ্যে মীন, মেষ লগ্নে। পুনরায়, রাত ১১টা ৩৯ মিনিট গতে মধ্যরাত ৩টে ৪ মিনিটের মধ্যে বৃষ, মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


৮ ভাদ্র, ২৫ অগস্ট, মঙ্গলবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৮টা ৪৮ মিনিট গতে ভোর ৪টে ৪২ মিনিটের মধ্যে মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৩ ভাদ্র, ৩০ অগস্ট, রবিবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিট গতে রাত ৯টা ১৮ মিনিটের মধ্যে মেষ লগ্নে, সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৭ ভাদ্র, ৩ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার।


বিয়ে- মধ্যরাত ১টা ৩ মিনিট গতে ভোর ৪টে ৭ মিনিটের মধ্যে মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৮ ভাদ্র, ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিট গতে ৮টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে মীন, মেষ লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


১৯ ভাদ্র, ৫ সেপ্টেম্বর, শনিবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিট গতে রাত ৯টা ৩১ মিনিটের মধ্যে মীন ও মেষ লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


২৬ ভাদ্র, ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার।


বিয়ে- সন্ধ্যা ৭টা ৮ মিনিট গতে রাত ৯টা ৪ মিনিটের মধ্যে মীন ও মেষ লগ্নে। পুনরায় ১১টা ২ মিনিট গতে ৩ টে ৩১ মিনিটের মধ্যে মিথুন, কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।


২৭ ভাদ্র, ১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার।


বিয়ে- রাত ৯টা ১ মিনিটের মধ্যে কুম্ভ, মীন ও মেষ লগ্নে। পুনরায় রাত ১০টা ৫৮ মিনিট গতে মধ্যরাত ১টা ১ মিনিটের মধ্যে মিথুন লগ্নে। পুনরায় মধ্যরাত ২টো ৩০ মিনিট গতে ৩টে ২৭ মিনিটের মধ্যে কর্কট লগ্নে সুতহিবুক যোগে বিয়ে।

বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও নামকরা ম্যাগাজিনগুলি : Famous Magazine 2026 of Bengali Language

বাংলা ম্যাগাজিন বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের প্রকাশনা যা মূলত সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ, রাজনীতি, বিনোদন, বিজ্ঞান, শিল্পকলা ইত্যাদি নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়। এগুলো সাধারণত মাসিক, পাক্ষিক বা সাপ্তাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং পাঠকদের কাছে নতুন চিন্তা, সৃজনশীল লেখা ও সমসাময়িক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গে চাকরি পাওয়ার সহজ উপায় 

বাংলা ম্যাগাজিনের বৈশিষ্ট্য


- সাহিত্যকেন্দ্রিক: গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি প্রকাশিত হয়। যেমন দেশ, কৃত্তিবাস।

- সংস্কৃতি ও সমাজ: সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে লেখা থাকে।

- বিনোদন ও চলচ্চিত্র: সিনেমা, নাটক, সংগীত, তারকা সাক্ষাৎকার ইত্যাদি।

- শিশুদের ম্যাগাজিন: শিশুদের জন্য গল্প, কমিকস, শিক্ষামূলক লেখা। যেমন আনন্দমেলা, রঙিন কাগজ।

- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিজ্ঞানচর্চা, নতুন আবিষ্কার, প্রযুক্তি নিয়ে লেখা।


বাংলা ম্যাগাজিনের গুরুত্ব


- পাঠকদের সৃজনশীলতা বাড়ায়।

- সমাজে চিন্তার আদানপ্রদান ঘটায়।

- নতুন লেখক ও শিল্পীদের মঞ্চ তৈরি করে।


বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও নামকরা ম্যাগাজিনগুলির মধ্যে রয়েছে

সাহিত্য পত্রিকা, ছোটদের Anandamela, [Shuktara], মহিলাদের জন্য Sananda ও [Anannya], এবং চলচ্চিত্র ও বিনোদনের জন্য Anandalok।


সাহিত্য ও সাধারণ পত্রিকা

- দেশ (Desh): দীর্ঘকাল ধরে চলা শীর্ষস্থানীয় সাহিত্য পত্রিকা।

- সানন্দা (Sananda): আধুনিক জীবনযাত্রা ও ফ্যাশন বিষয়ক পত্রিকা।

- অনন্যা (Anannya): নারী ও পরিবার কেন্দ্রিয় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন।


কিশোর ও শিশু পত্রিকা

- আনন্দমেলা (Anandamela): ছোট ও কিশোরদের জন্য গল্প-কমিকসের বিখ্যাত কাগজ।

- শুকতারা (Shuktara): কিশোর উপযোগী ঐতিহ্যবাহী গল্প ও কমিকসের মাসিক পত্রিকা।


বিনোদন ও অন্যান্য


- আনন্দলোক (Anandalok): সিনেমা ও তারকাদের খবরের বিনোদন পত্রিকা।

FlipHTML5 LightBox Embed Demo

- ভ্রমণ (Bhraman): ঘোরার জায়গার খোঁজখবর ও ভ্রমণকাহিনী বিষয়ক মাসিক পত্রিকা।