ভারত ও ঐতিহ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভারত ও ঐতিহ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

দুর্গাপূজা ২০২৬ : কলকাতার ৬০ টি জনপ্রিয় পূজা কমিটির এবারের পূজো থিম ভাবনা

দূর্গা পূজার আমেজ শুরু হয়ে গেছে, আর কিছুদিন পরেই মহালয়া। বাঙালি পরিবার গুলোতে জামাকাপড় কেনার ধুম শুরু হয়ে গিয়েছে। গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিভিন্ন মণ্ডপে মণ্ডপে প্যান্ডেল গড়ার মুহূর্ত গুলো অনুভব করা যাচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ১২০ বছর পূর্বে দূর্গা পূজো গুলো জমিদার বাড়ী পর্যন্ত সীমিত ছিল। ১৯১০ সাল নাগাদ এই পূজো জমিদার বাড়ীর দালান থেকে আস্তে আস্তে বারোয়ারি পুজোর দিকে অগ্রসর হয়। ১৯৬০ সাল নাগাদ দূর্গা পুজোয় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র আসতে শুরু করে। ধীরে ধীরে থিম পূজোর চল শুরু হয়। ২০২৬ সালের কলকাতার ৬০ টি পূজোর থিম নিয়ে এখানে আলোচিত হল। 



1) হরিদেবপুর অজেয় সংহতি-র পুজোয় বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ভারতের শিল্পচর্চায় জাতীয়তাবাদের প্রকাশ ঘটার যে সূচনা হয়, তাকেই স্মরণ করে বিষয়ভাবনা: ‘স্বতন্ত্র’।


2) সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক : দুর্গাপুজোর সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রকৃতি থেকে আহরিত নবপত্রিকা ছাড়া পুজো শুরু হয় না। বাঙালির কাছে শরৎ ঋতুর সব থেকে বড় পরিচায়ক কাশ আর শিউলি, যা দুর্গাপুজোরও বার্তাবহ। সর্বোপরি গ্রামবাংলার চিরন্তন মৃন্ময়ী প্রতিমা তৈরি হয় প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে যা বিসর্জনের পরে আবার প্রকৃতিতেই মিশে যায়। এই চেতনা নিয়েই পুজোর বিষয়ভাবনা: ‘প্রকৃতি’।


3) মাস্টারদা স্মৃতি সংঘ : সীতাহরণের পরে রামের যে সংকল্প, শুধু সীতা-উদ্ধারই নয় রাবণের হাত থেকে সমগ্র পৃথিবীকে রক্ষা করা, সেই লক্ষ্যপুরণের কাহিনি নিয়েই উপস্থাপনা। এই অভীষ্টসিদ্ধির পথে তিরধনুকই তাঁর প্রধান সহায়। শত্রুদমনেও যেমন, দেবীর আরাধনাতেও ঠিক ততটাই। রামের তিরধনুককে লক্ষ্যভেদের মূল প্রতীক হিসেবে ধরে নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘সংকল্প’।


4) খিদিরপুর পল্লি শারদীয়া দুর্গোৎসব : বিষয়ভাবনা: ‘চল যাব তোকে নিয়ে’। নিছক আহ্বান নয়, এ যেন স্মৃতির হাত ধরে ফিরে যাওয়ার আমন্ত্রণ। ফিরে যাওয়া সেই কলকাতায়, যেখানে ট্রামের ঘণ্টাধ্বনি ছিল শহরের হৃদস্পন্দন।


5) রাজডাঙা নব উদয় সংঘ: পৃথিবীর সামনে আজকে ঘোর দুর্দিন। নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে পশুপাখিদের বাসস্থান, প্রাকৃতিক বনভূমি। স্বাভাবিক ভৌগোলিক পরিবেশকে মানুষ ধীরে ধীরে কৃত্রিম, বন্ধ্যা করে তুলছে। সেটা অনুভব করা যাচ্ছে না তা নয়, নানা ভাবে হয়তো তা শুধরে নেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু সেই প্রয়াস নানা কারণে এখনও সঠিক বা যথেষ্টর ধারেকাছেও নয়। এই নিয়েই বিষয়ভাবনা: ‘শোধন’।


6) উত্তর কলকাতা সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি: -র বিষয়ভাবনা: ‘জলছাপের কলকাতা’। অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতকের সন্ধিক্ষণে উত্তর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র চিতপুরে জন্ম নিয়েছিল এক অনন্য শৈল্পিক ধারা। সেই ঐতিহাসিক সময়ের জলরং ও তুলির টান বিশেষত কোম্পানির আমলে দেশীয় পটশিল্পী ও কারিগরদের নিপুণ দক্ষতায় ব্রিটিশ রুচির সংমিশ্রণে যে ছবিগুলো আঁকা হয়েছিল, তাতে ধরা পড়েছিল সমকালীন কলকাতার জনজীবন আর পুরনো স্থাপত্যের নিখুঁত রূপরেখা। এই শিল্পধারাই নতুন করে তুলে ধরা হবে পুজোর মণ্ডপে।


7) দক্ষিণের ৭১ পল্লি বৈশাখী সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি-র মণ্ডপের বিষয়ভাবনা: ‘মন্থন-দর্পণ’। আধুনিক সভ্যতার চরম ভোগবাদ ও দায়িত্বহীনতার জেরে নদী, সমুদ্র আর জলাশয়গুলো ঢেকে গেছে বিষাক্ত প্লাস্টিক, রাসায়নিক বর্জ্য আর আবর্জনার স্তূপে। মণ্ডপসজ্জায় এই সংকটকেই তুলে ধরা হয়েছে রূপক দর্পণ হিসেবে।


8) খিদিরপুরের গোপাল ডাক্তার রোড যুবক সংঘ: বিষয়ভাবনা: ‘মানবতা’। বেঁচে থাকার জন্যে মানুষের ন্যূনতম কাম্য খাদ্য, বস্ত্র আর বাসস্থান। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক মানুষেরই হয়তো কোনও না কোনওটার অভাব আছে। সমাজের দেখা উচিত যাতে যার যা অভাব সেটা মেটানো যায়, আর যতক্ষণ সেটা না হচ্ছে, ততক্ষণ যেটুকু আছে তা যেন কেড়ে না নেওয়া হয়। ধর্ম জাতি ভেদাভেদ ভুলে এইটা করতে পারাটাই মানবতা। 


9) গান্ধী কলোনির অভিযান ক্লাব: -এর পুজোয় বিষয়ভাবনা: ‘শুভ্র শান্তি’। তিন হাজার কৃত্রিম শুভ্র শতদলে ঘেরা মণ্ডপে বিরাজ করবে অপার শান্তির ভাব।


10) বাঁশদ্রোণীর সূর্যনগর সর্বজনীন দুর্গাপুজোর মূল ভাবনা ‘উদযাপন’। মণ্ডপশৈলীতে থাকবে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ, দুই প্রতিবেশী রাজ্যের দুই পটচিত্র গ্রাম মধুবনী আর পিংলার শিল্পকলার মেলবন্ধন।


11) কালীঘাট মিলন সংঘ: দেশ-কাল-সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয় ভাবনা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা রবীন্দ্রনাথের রূপকধর্মী নাটক তাসের দেশ। উপস্থাপনার মধ্যে নিহিত থাকবে শৃঙ্খলাবদ্ধ নিয়মের আগড় ভেঙে মুক্ত মনের ধারাকে প্রতিষ্ঠা করার চেতনা।


12) বাঘাযতীন বিবেকানন্দ মিলন সংঘ : ৭৭ তম বর্ষ, এবারের ভাবনা 'প্রণতিতে জয় ' রামচন্দ্রের ডাকে অকালে মা জগৎ জননীর আগমন। 


13) চালতা বাগান লোহাপট্টি : বিষয় ভাবনা 'নিশান' উলকি বা ট্যাটু 


14) অবসর সর্বজনীন-এর বিষয়ভাবনা: অন্য যেখানে অনন্য


15) দমদম তরুণ দল : শিল্পে, মহাকাব্যে, সমাজে, রাজনীতিতে, প্রকৃতিতে, সব জায়গায় আমরা দেখতে পাই পারস্পরিক নির্ভরতা আর সংযোগের সফল মেলবন্ধন। দেবী দুর্গার সৃজনই যেমন দেবতাদের সম্মিলিত শক্তির জোট। এই সমষ্টিবদ্ধতা নিয়েই দমদম তরুণ দল-এর বিষয়ভাবনা: ‘জোট’।


16) রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতি: রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতি-র পুজো উৎসর্গীকৃত গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি। তাঁর জন্মের ১৬০ বছরের প্রারম্ভে তাঁর বহুমুখী জীবনের নানা দিক এবং অবশ্যই চিত্রকলা ফুটে উঠবে মণ্ডপের উপস্থাপনায়। গগনেন্দ্রনাথের ধারায় প্রভাবিত পরবর্তীকালের চিত্রীদেরও কাজ দেখা যাবে মণ্ডপে। বিষয়ভাবনা: ‘উৎসারিত আলো’।


17) চালতাবাগান সর্বজনীন: বিষয়ভাবনা: ‘পরম্পরা’। মা দুর্গা মুক্তকেশী, রণরঙ্গিণী। এই মুক্তকেশ নারীজীবনের আবেগ, আত্মসম্মান, শক্তি ও ক্ষতের প্রতীক। এই চুলই নারীর দুর্বলতার অঙ্গ হয়ে সমাজের হাতে মুষ্টিলগ্ন হয়। ক্যান্সারের মতো নিষ্ঠুর বাস্তবতার সামনে কখনও আত্মপরিচয় নিয়ে ঝরে পড়ে, আবার চুল দানের মাধ্যমে এক নারী অন্য এক নারীর বুকে ফিরিয়ে দেয় আত্মবিশ্বাস ও বাঁচার ইচ্ছা। চুল নিয়েই তাই এবারের বিষয়ভাবনা: পরম্পরা।


18) দক্ষিণ কলকাতার সমাজসেবী সংঘ: উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষের উদযাপনে সমাজসেবী-র পুজো মহানায়ক উত্তমকুমারের উদ্দেশে নিবেদিত। উত্তমকুমারের অভিনীত চলচ্চিত্রের রোমন্থন, তাঁর জীবনের খণ্ডস্মৃতি, তুলে ধরা হবে তাঁরই সময়ের প্রেক্ষাপটে। বিষয়ভাবনা: ‘মহাপূজায় মহানায়ক’।


19) নাগেরবাজার সন্নিহিত তেলিপুকুর নার্সারিবাগান যুব সংঘ: পাড়ার মাঝখানে ফুসফুসের মতো একটা ছোট্ট পুকুর। পরিস্থিতির চাপে ছোট হয়ে গেলেও সে হারিয়ে যায়নি। এই পুকুরকে ঘিরেই উপস্থাপনা। মানুষের জীবনের সঙ্গে পুকুর যেরকম ওতপ্রোতভাবে জুড়ে আছে, সেই উপলব্ধি, মানুষের ও পুকুর উভয়ের সত্তার সেই চিরন্তন যোগসূত্র ধরেই বিষয়ভাবনা: ‘এক পুকুর ভালোবাসা’।


20) লেকটাউন অধিবাসী বৃন্দ: বিষয়ভাবনা: ‘আর্তি’। মানুষের নির্বিচার দহনের ফলে পৃথিবীর বনজঙ্গল আজ ধ্বংস হতে চলেছে। জীবজন্তুরা তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান হারিয়ে বিপন্ন থেকে বিপন্নতর হয়ে বিলুপ্তির মুখে। শিল্পী প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি পরিবেশবান্ধব মণ্ডপে তাদেরই অন্তরের আর্তনাদ ফুটিয়ে তুলবেন। বন্দে মাতরম গীত রচনার ১৫০ বছর পূর্তিতে গৌরীবেড়িয়া সর্বজনীন-এর এ-বছরের পুজো ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি উৎসর্গীকৃত। বিষয়ভাবনা: নাম ‘বঙ্কিম’।


21) নিউটাউন সার্বজনীন : বিষয়ভাবনা: ‘পদ্মভূষণ’। পদ্মভূষণ যে শুধু ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান তাই নয়, দেবীর ভূষণও। বাংলাও যেন একদিন সেভাবেই দেশমাতৃকার ভূষণ হয়ে ওঠে সেই চেতনাই রূপ পাবে মণ্ডপে।


22) সন্তোষপুর লেক পল্লি-র বিষয়ভাবনা: ‘তাণ্ডব’। সতীর দেহত্যাগের শোকে উন্মত্ত মহাদেব যে তাণ্ডব নাচ নেচেছিলেন অভিনবতম আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই প্রলয়-প্রাবল্য ফুটে উঠবে কলকাতার বুকে।


23) বাগুইহাটি অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল ক্লাব: বাগুইহাটির উপস্থাপনা প্রবীণ নারীদের অদৃশ্য অথচ চিরন্তন শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা। সমাজ প্রায়শই তাঁদের অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করলেও, তাঁদের জীবন, অভিজ্ঞতা, ভালোবাসা ও ত্যাগ পরবর্তী প্রজন্মের অস্তিত্বের ভিত গড়ে তোলে। দেবী দুর্গা তাঁদের মধ্যেই উপস্থিত থাকেন, যাঁদের নীরব শক্তি সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হয়ে ওঠে। এই কাজ সেই চিরন্তন অধরা শক্তিকেই অনুভব করার একটি প্রচেষ্টা। বিষয়ভাবনা: ‘রোপণ’।


24) হাতিবাগান নবীন পল্লি: এবারের কাজ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। বিষয়ভাবনা: ‘হাসিখুশি পুজো’।বাঙালির ঘরে ঘরে একটা সময় শিশুশিক্ষা শুরু হত যোগীন্দ্রনাথ সরকারের ‘হাসিখুশি’ বইটি দিয়ে। কালের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে ‘অ-এ অজগর আসছে তেড়ে’-র সেই পরিচিত সুর। শিশুদের মনস্তত্ত্ব বুঝে মাতৃভাষা বাংলায় অক্ষর চেনানোর কাজ যাঁরা শুরু করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে যোগীন্দ্রনাথ পথিকৃৎ। 


25) সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি: -র ৯১তম পুজোর সামগ্রিক সৃজনের গুরুদায়িত্বে আছেন শিল্পী। এ-বছরের পুজো ভারতবর্ষের সনাতন সভ্যতা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য। বিষয়ভাবনা: ‘সনাতন চেতনায় বন্দে মাতরম্’। স্বাধীনতা সংগ্রামে যাঁরা দেশের জন্যে আত্মোৎসর্গ করেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে


26) দক্ষিণ কলকাতার বেহালা ইয়ংমেন্স অ্যাসোসিয়েশন- নদীমাতৃক দেশে নদীর সমস্যা, জলদূষণ ইত্যাদি নিয়ে নান্দনিক কাজ। বিষয়ভাবনা: 'জললিপি'। 


27) সল্টলেক ই সি ব্লক-এর সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ: মহাভারতকে কেন্দ্র করে একটা পূর্ণাঙ্গ কাজ। মহাভারতের প্রতিটি ঘটনাই আজকের সমাজব্যবস্থাতেও প্রবল ভাবে প্রাসঙ্গিক। সেই সূত্রই তুলে ধরে দেখানো থাকবে মহাভারতের আঠারোটি পর্বের প্রতিটি থেকে। বিষয়ভাবনা: 'অক্ষৌহিণী'।


29) চেতলা অগ্রণী: খড় আর পেপার পাল্প দিয়ে গড়ে উঠবে মণ্ডপ। বিষয়ভাবনা: ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। একই নারী তিনি দশভুজা। কখনও যুদ্ধ করছেন, কখনও বা গঙ্গা হয়ে প্রবাহিত হয়ে চলেছেন, কখনও গৃহিণী হয়ে সংসার চালাচ্ছেন। এই আমাদের দেবীর বিশ্বরূপ, যা আলো করে তুলবে অগ্রণীর পুজো প্রাঙ্গণ।


30) চেতলার প্রসন্নময়ী ঘাট: এর দুর্গোৎসবের এ-বছর শতবর্ষ পূর্তি। মায়ের অবস্থান ঘাটের উপরেই। ঘাটের একশো বছরের ইতিবৃত্ত নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘শুদ্ধি-সমৃদ্ধি’। 


31) লেকটাউন নেতাজি স্পোর্টিং ক্লাব: বিষয়ভাবনা: 'নগর কথা'। একসময় প্রায় মেনেই নেওয়া হয়েছিল ১৬৯০ সালে ভিনদেশি জোব চার্নকের পদার্পণেই নাকি শহর কলকাতার জন্ম। কিন্তু ১৫৯৬ সালে দিল্লি দরবারের তোষাখানায় জমা পড়েছিল 'পরগনা কলিকাতা'-র রাজস্ব। ১৬১০ সালে সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের জায়গিরদারি পাওয়ার আগে থেকেই ওলন্দাজ, ফরাসি আর পর্তুগিজদের পদচারণায় মুখরিত হত সুতানুটি বন্দর। ২০০৩ সালের ১৬ মে, কলকাতা হাইকোর্টে প্রতিষ্ঠিত হয়, এই নগরের অস্তিত্ব কোনও বিদেশির দান নয়, ১৬৯০-এর আগেও সে স্বমহিমাতেই ছিল। সেই আত্মপরিচয়ের দলিল হয়েই এবার সেজে উঠবে লেকটাউন নেতাজি স্পোর্টিং ক্লাব-এর মণ্ডপ। 


32) পার্ক স্ট্রিট অ্যালেন পার্ক: ভাবনায় পূর্ণতা পাবে শিব-তাণ্ডব।


33) চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন: এর মাঠে এবার সৃজিত হবে পদ্মদীঘি। মায়ের অধিষ্ঠান যেন জলের তলায়। ৯০০টি পাতা আর ১০৮টি পদ্মফুল দিয়ে তৈরি কৃত্রিম পদ্মবনের মধ্যে দিয়ে নেমে যাবেন দর্শকেরা, মাথার উপরে খেলে বেড়াবে কৃত্রিম মাছ। বিষয়ভাবনা: ‘পদ্মদীঘির ঘাটে’।


34) পূর্বাচল আমরা সবাই ক্লাব: এখানে বিষয়টা খুবই চিত্তাকর্ষক। ছোট শিশুদের বড় করার সময়ে তাদের সাবধান করতে বা তাদেরই ভালোর জন্যে তাদের দিয়ে কিছু করাতে মায়েদের অনেক সময়ে নানা রকম ছোট ছোট মিথ্যে কথার আশ্রয় নিতে হয়— এই নিয়েই বিষয়ভাবনা: ‘মায়েরা মিথ্যা বলে’।


35) বিরাটির কিশোরপাড়া সর্বজনীন: বাউলগ্রাম। বাউলদের অঙ্গে ধারণের বস্ত্রখণ্ডের স্বাভাবিক রং নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘এবার গেরুয়া’।


36) বেহালা প্লেয়ার্স কর্নার-এর বিষয়ভাবনা: ‘বিবর্তন’। দুর্গাপুজোর বনেদিয়ানা থেকে আজকের কর্পোরেট ইভেন্ট-এর যে যাপন, তাকেই তুলে ধরা হচ্ছে ফটো-আর্কাইভের মাধ্যমে। 


37) শ্যামা পল্লি শ্যামা সংঘ: বিষয় ‘তুরঙ্গ’


38) জোড়াসাঁকো ৭-এর পল্লির বিষয়ভাবনা: ‘লিপন কাম’। গুজরাতের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাধারণের বাড়ির দেওয়ালে ফুটিয়ে তোলা ‘মাটি ও-মুকুর’ শিল্প বিখ্যাত। সৌন্দর্যকে সর্বজনীন করা এবং সেই সব দুঃস্থ শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোই পুজোর উদ্দেশ্য। 


39) বাগুইহাটি উদয়ন সংঘ: মণ্ডপসজ্জায় দেখা যাবে মধ্যপ্রদেশের গোন্ড শিল্পকলা এবং আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন-এর একশৈল্পিক সংমিশ্রণ। বিষয়ভাবনা: ‘পুনর্জীবন’।


40) বেলেঘাটা সন্ধানী: মণ্ডপ গড়ে উঠবে শান্তিনিকেতনের কাছের উপাসনা মন্দিরের ধাঁচে। আবার ভিতরে দেবীর অধিষ্ঠানের প্রেক্ষাপট নির্মিত হবে বেনারসের অন্নপূর্ণা মন্দিরের আদলে। বিষয়ভাবনা: ‘দেবায়তন’।


41) বেহালা নূতন দল: পূজাপ্রাঙ্গণে এবারে শিল্পীর নিবেদন ‘পার্বণ’। 


42) চালতাবাগান সর্বজনীন : বিষয়ভাবনা: ‘পরম্পরা’। মা দুর্গা মুক্তকেশী, রণরঙ্গিনী। এই মুক্তকেশ নারীজীবনের আবেগ, আত্মসম্মান, শক্তি ও ক্ষতের প্রতীক। এই চুলই নারীর দুর্বলতার অঙ্গ হয়ে সমাজের হাতে মুষ্টিলগ্ন হয়। ক্যানসারের মতো নিষ্ঠুর বাস্তবতার সামনে কখনও আত্মপরিচয় নিয়ে ঝরে পড়ে, আবার চুল দানের মাধ্যমে এক নারী অন্য এক নারীর বুকে ফিরিয়ে দেয় আত্মবিশ্বাস ও বাঁচার ইচ্ছা। চুল নিয়েই তাই এবারের বিষয়ভাবনা: পরম্পরা।


43) খিদিরপুর ৭৫ পল্লি : বিষয়ভাবনা: ‘পরাশ্রয়— এক চিরন্তন সত্য’ পরভৃত কোকিল অন্যের বাসায় ডিম পেড়ে রেখে যায় নিজের ভবিষ্যতে, অনাত্মীয় কেউ অজান্তেই তাকে বড় করে তোলে। মানুষও তেমনই এই পৃথিবীর বুকে এক আশ্রিত প্রাণ। প্রকৃতির দানে তার অস্তিত্ব। অথচ তারাই আবার নিজের লোভে সেই আশ্রয়কে ধ্বংস করে। পরিবর্তে মানুষ যদি সহাবস্থানের ভাষা শেখে, মানবতার ভবিষ্যৎ এখনও বেঁচে যায়। 


44) পশ্চিম পুটিয়ারি পল্লি উন্নয়ন সমিতি-র পুজোর বিষয়ভাবনা: ‘অনামিকা’।


45) পল্লি শারদীয়া : কলকাতার প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রামের যাত্রা। মণ্ডপের প্রতিটি শিল্পরূপ দর্শনার্থীদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে পুরনো কলকাতার অলিগলি, ট্রামের কাঠের কামরা, ঘণ্টাধ্বনি আর পুজোর পরিচিত আবেগে।


46) রাজডাঙ্গা নব উদয় সংঘের পুজো: পৃথিবীর সামনে আজকে ঘোর দুর্দিন। নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে পশুপাখিদের বাসস্থান, প্রাকৃতিক বনভূমি। স্বাভাবিক ভৌগোলিক পরিবেশকে মানুষ ধীরে ধীরে কৃত্রিম, বন্ধ্যা করে তুলছে। সেটা অনুভব করা যাচ্ছে না তা নয়, নানা ভাবে হয়তো তা শুধরে নেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু সেই প্রয়াস নানা কারণে এখনও সঠিক বা যথেষ্ট ধারেকাছেও নয়। এই নিয়েই বিষয়ভাবনা: ‘শোধন’।


47) উত্তর কলকাতা সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি-র বিষয়ভাবনা: ‘জলছাপের কলকাতা’। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতকের সন্ধিক্ষণে উত্তর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র চিতপুরে জন্ম নিয়েছিল এক অনন্য শৈল্পিক ধারা। সেই ঐতিহাসিক সময়ের জলরং ও তুলির টান বিশেষত কোম্পানির আমলে দেশীয় পটশিল্পী ও কারিগরদের নিপুণ দক্ষতায় ব্রিটিশ রুচির সংমিশ্রণে যে ছবিগুলো আঁকা হয়েছিল, তাতে ধরা পড়েছিল সমকালীন কলকাতার জনজীবন আর পুরনো স্থাপত্যের নিখুঁত রূপরেখা। এই শিল্পধারাই নতুন করে তুলে ধরা হবে পুজোর মণ্ডপে।


48) দক্ষিণে ৭১ পল্লি বৈশাখী সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি-র মণ্ডপের বিষয়ভাবনা: ‘মন্থন-দর্পণ’। আধুনিক সভ্যতার চরম ভোগবাদ ও দায়িত্বহীনতার জেরে নদী, সমুদ্র আর জলাশয়গুলো ঢেকে গেছে বিষাক্ত প্লাস্টিক, রাসায়নিক বর্জ্য আর আবর্জনার স্তূপে। মণ্ডপসজ্জায় এই সংকটকেই তুলে ধরা হয়েছে রূপক দর্পণ হিসেবে।


49) যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লি : মানসিকভাবে পুরুষ ও নারী উভয় সত্তাই বর্তমান, তাঁদের নিয়ে উপস্থাপনা। মণ্ডপের নির্মাণে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হবে এমন সব প্রাত্যহিক জীবনের উপকরণ যা দ্বৈত-সত্তার সংযোগ ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না, যেমন ইউ-এস-বি পোর্ট, নাট-বল্টু, জিপার ইত্যাদি।


50) ত্রিধারা সম্মিলনী-র পটভূমি তিব্বতের ল্যান্ডস্কেপ, সেখানকার জনজীবন আর শিল্প-সংস্কৃতি। 


51) এন্টালি ১৪-র পল্লির মণ্ডপ গড়ে উঠবে দুর্গামন্দিরের পরিকল্পনায়, বিষয়ভাবনা: ‘বেদভূমি’।


52) কেষ্টপুর প্রফুল্লকানন (পশ্চিম) অধিবাসীবৃন্দের পুজোয়। বিষয়ভাবনা: ‘যাঁহাতে মন রমি’। প্রায় দুই শতাব্দীপ্রাচীন এক দলিত সম্প্রদায়কে যখন জাতিভেদের জন্য মন্দিরে ঢোকার অনুমতি না দেওয়া হয়, তখন ঈশ্বরপ্রেম হয়ে ওঠে তাদের প্রতিবাদের ভাষা। ছত্তীসগড়ের রামনামী সম্প্রদায়ের মানুষেরা শারীরিক দেবতা বা মূর্তির পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভাবে রামের নামের উপর মনোযোগ দেন। তাঁদের কাছে রাম হলেন সর্বব্যাপী এবং রূপহীন পরম সত্য। রামনামকে আগলে ধরে তাঁদের সাধনা। 


53) উল্টোডাঙা অরবিন্দ সেতু-র সুবর্ণ জয়ন্তী। বিষয়ভাবনা: ‘সুবর্ণ রূপমালা’। ভারতীয় শিল্প, লোকঐতিহ্য ও সমকালীন সৃজনশীলতার ভাণ্ডারে দেবী দুর্গা অগণিত রূপে, অসংখ্য শিল্পভাষায় প্রকাশিত হয়েছেন। মাটির মূর্তি, পটচিত্র, টেরাকোটা, ধাতু, কাঠ, বস্ত্র, মুখোশ, আল্পনা কিংবা আধুনিক বিমূর্ত শিল্পে। পুজোর পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে মণ্ডপে উপস্থাপিত হবে পৃথক শৈলী এবং পৃথক নন্দনচেতনায় শিল্পিত পঞ্চাশটি দুর্গার রূপ। 


54) গড়পাড়ের হরিনাথ দে রোড-এর পুজোর শতবর্ষে বিষয়ভাবনা: ‘শাশ্বত বন্ধন’। মাটির গভীরে থাকা শিকড়ের নীরব অস্তিত্বেই গাছের পরিচয়। বাকি অংশ যতই দৃষ্টিনন্দন হোক না কেন, তার সমস্ত সৌন্দর্যের উৎস হল শিকড়। মানুষের পরিবারও তেমনই এক শিকড় বাকি সবাই গাছের শাখাপ্রশাখা। উপস্থাপনার মধ্যে নিহিত থাকবে মানুষের এই শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়ার বার্তা।


55) বেলেঘাটার সুরা স্পোর্টিং ক্লাব-এর ৪৫তম বর্ষের পুজোয় বিষয়ভাবনা: ‘চিরন্তনী’। জমিদারবাড়ির আঙিনা ছেড়ে দুর্গাপূজোর বারোয়ারি হয়ে ওঠা আর তার ধর্মীয় সত্তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সত্তার অসামান্য বিকাশ দুর্গাপুজোকে এক অন্য স্তরে উত্তীর্ণ করেছে। দেবী দুর্গা আজ শুধু আরাধ্যাই নন, তিনি জনজীবনের নানা ভাবনার প্রতীক। চিরন্তনীর এই দীর্ঘযাত্রাই ধরা থাকবে মণ্ডপে।


56) দমদম পার্ক সর্বজনীন-এ। বিষয়ভাবনা: ‘পঞ্চালিকা’। বাংলার দুই হারিয়ে যেতে বসা পুতুলনাচের সংস্কৃতি বেণী-পুতুল আর ডাং-পুতুল নিয়ে কাজ। শুধু পুতুলনাচই নয়, তার নেপথ্যে থাকা শিল্পীদের পরিশ্রম, কুশলতা, সুখ-দুঃখ ইত্যাদিও ফুটে উঠবে কাজের মধ্যে দিয়ে।


57) উল্টোডাঙা বিধান সঙ্ঘ: মহাবিশ্বের যা কিছু জাগতিক বা মহাজাগতিক তার অধিকাংশই মূর্ত, আর বাকি যা যা পড়ে থাকে তাই অমূর্ত। পৌরাণিক কাল থেকেই দেবদেবীদের মূর্ত রূপ কল্পনা করা হলেও, ঈশ্বর বা সর্বশক্তিমান যিনি সর্বত্র বিরাজমান, তিনি আসলে অমূর্ত। উল্টোডাঙা বিধান সংঘে এবারে দৈবীশক্তির সেই অমূর্ত রূপই ফুটে উঠবে শৈল্পিক আঙ্গিকে। বিষয়ভাবনা: ‘অমূর্ত’।


58) সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক সর্বজনীন দুর্গাপূজোর সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। প্রকৃতি থেকে আহরিত নশ্বরপ্রক্রিয়া ছাড়া পুজো শুরু হয় না। বাঙালির কাছে শরৎ ঋতুর সব থেকে বড় পরিচায়ক কাশ আর শিউলি, যা দুর্গাপূজোরও বার্তাবহ। সর্বোপরি গ্রামবাংলার চিরন্তন মৃন্ময়ী প্রতিমা তৈরি হয় প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে যা বিসর্জনের পরে আবার প্রকৃতিতেই মিশে যায়। এই চেতনা নিয়েই পুজোর বিষয়ভাবনা: ‘প্রকৃতি’।


59) উত্তর কলকাতার মাণিকতলা স্মৃতি সংঘের মণ্ডপ। সীতাহরণের পরে রামের যে সংকট, শুধু সীতা-উদ্ধারই নয় রাবণের হাত থেকে সমগ্র পৃথিবীকে রক্ষা করা, সেই লঙ্কাপুরের কাহিনী নিয়েই উপস্থাপনা। এই অভীষ্টসিদ্ধির পথে তিরধনুকই তাঁর প্রধান সহায় শত্রুদমনেও যেমন, দেবীর আরাধনাতেও ঠিক ততটাই। রামের তিরধনুককে লক্ষাভেদের মূল প্রতীক হিসেবে ধরে নিয়ে বিষয়ভাবনা: ‘সংকল্প’।


60) দক্ষিণের ৭১ পল্লি বৈশাখী সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি: -র মণ্ডপের বিষয়ভাবনা: ‘মন্থন-দর্পণ’। আধুনিক সভ্যতার চরম ভোগবাদ ও দায়িত্বহীনতার জেরে নদী, সমুদ্র আর জলাশয়গুলো ঢেকে গেছে বিষাক্ত প্লাস্টিক, রাসায়নিক বর্জ্য আর আবর্জনার স্তূপে। মণ্ডপসজ্জায় এই সংকটকেই তুলে ধরা হয়েছে রূপক দর্পণ হিসেবে।

ভারতের আধ্যাত্বিকতা : স্টিভ জবস ও মার্ক জুকারবার্গ এর উন্নতি ও সাফল্যের আসল রহস্য

শ্রী রামের কৃপা, শ্রী হনূমান জীর কৃপা কার উপরে কখন প্রাপ্ত হবে তা কিছু ঘটনাবলী বর্তমান সময়ে না ঘটলে বোঝা যেত না। ঈশ্বর সকলকে সুযোগ দেন, যিনি গ্রহন করেন তিনি জীবনে কিছু অর্জন করেন তা প্রতিপত্তি, নাম জস বা মোক্ষ। আর যিনি গ্রহন করতে পারেন না তিনি হতাশাই ভোগেন। 

আরও পড়ুন : বাংলার উৎসব ও মেলা 

বিষয় টি বুঝে নেয়া যাক।

ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত 


বিখ্যাত কোম্পানি Apple যার এক সময় মালিক ছিলেন স্টিভ জবস ১৯৭৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে ভারতে আসেন। তার ভারতে আসার একমাত্র কারন ছিল একটি রাম দাসের লিখিত একটি বই। উত্তরাখন্ডের নৈনিতাল সংলগ্ন কাইচি ধামে তিনি কিছুদিন সময় কাটান। ভারতের আধ্যাত্বিকতা নিয়ে তিনি চৰ্চা করেন এবং পরবর্তী সময়ে Apple সহ অন্যান্য কোম্পানি তৈরি এবং বিশ্বে নাম রেখে যান এবং সফলতার শিখরে পৌঁছান।


বর্তমান Meta, অর্থাৎ ফেইসবুক কোম্পানির মালিক মার্ক জুকারবার্গ ২০১৫ সালে বিশেষ চাপে ছিলেন। তিনি তাঁর ফেইসবুক বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন। যদিও তিনি পূর্বেই স্টিভ জবসের সাথে আলোচনা করেছিলেন এবং জবস এর পরামর্শ অনুযায়ী রাম দাস যার আসল নাম ডঃ রিচার্ড আলপার্ট হাভার্ড ইউনিভার্সিটি তে কাজ করতেন তাঁর লিখিত বই Be Here Now পড়ে ফেলেছিলেন। বইটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০১৫ সালে জুকারবার্গ ভারতে আসেন এবং কাইচি ধামে কিছু দিন সময় কাটান। পরবর্তীতে তিনি ফেইসবুক কে বিক্রি করা থেকে বিরত থাকেন। বর্তমান সময়ে মার্ক জুকারবার্গ ও তাঁর কোম্পানি সফলতার চরম অবস্থায় পৌঁছে গেছে। 


বিশাল চতুর্বেদীর নির্দেশনায় গত ৭ই আগস্ট ২০২৬ হনূমান অংশ মুক্তিপ্রাপ্ত হয়। অনুপ্রিয়া নাগার যিনি আরও তিনজন প্রযোজক মিলে মাত্র ২ কোটি টাকা খরচ করে একটি জীবন কাহিনী তৈরি করেন। মাত্র ২১ বছর বয়সী অনুপ্রিয়া নাগার UK তে জব করছিলেন এবং পার্ট টাইম কিছু করার উদ্দেশে হনূমান অংশ ছবিটি স্ক্রিপটিং তৈরি করেন এবং এই মুভিতে কিছু ইনভেস্ট করেন। ছবিটি দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত কার্যত কোনো নরচরা করছিলো না। বিভিন্ন হল থেকে সিনেমা টি তুলে নেয়া হচ্ছিলো। কিন্তু যার নিয়ে এই মুভি! অর্থাৎ সেই মহান হনুমান ভক্ত করোলি বাবা মহারাজ তাঁর আশীর্বাদ এই ছবির উপর বর্ষণ করবে না তা কি হয়? তৃতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে  এই ছবি প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৪ কোটি টাকা আয় করছে। বর্তমানে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ১৬৫ কোটি টাকার ব্যবসা সম্পূর্ণ করেছে যা ভারতীয় মুভি ইন্ডাস্ট্রি তে একটি বড় রেকর্ড। 


স্টিভ জবস যখন কাইচি ধাম আসেন তখন সেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছিল। কারন কাইচি ধামের মহৎ গুরু নিম বাবা করোলি মহারাজ কিছুদিন আগেই গত হয়েছিলেন।



এখন প্রশ্ন হল কে এই নিম বাবা করোলি মহারাজ? যার অগণিত দেশি ও বিদেশী ভক্ত? স্টিভ জবস থেকে শুরু করে মার্ক জুকারবার্গ, বিরাট কোহলি, বীরেন্দ্র সেহেবাগ অনেকেই তাঁর পরম ভক্ত। সত্যি কথা বলতে কি ইন্টারনেট থেকে নিম বাবা করোলি মহারাজ এর ছবি মাঝে মধ্যে দেখেছি, একজন সাধারণ মানুষ। বিশেষত আমরা সাধু মহারাজ দের দাড়ি, জটা, তিলক ইত্যাদি দেখে অভস্ত। কিন্তু সামান্য মানুষরূপী নিম করোলি বাবা আসলে কোন আধ্যাত্বিক ক্ষমতার অধিকারী এবং ওনার মাহাত্ম এই হনূমান অংশ মুভিটি প্রকাশ না পেলে অজানাই থেকে যেত। নিম বাবা করোলির মহারাজ জীর মাহাত্ম অনুধাবন করতে গেলে সিনেমা হলে গিয়ে অবশই আমাদের সকলের Hanuman Ansh মুভি টি দেখা প্রয়োজন। সর্বোপরি বাবার নৈনিতাল আশ্রম ঘুরে আসার ইচ্ছা রয়েছে এবং বাবা যেন দূর থেকে আশীর্বাদ প্রদান করেন যে তাঁর সামান্য একজন ভক্ত দূর থেকে সর্বদা তাঁকে জানার এবং জীবনে সুখ ও শান্তি খুঁজে পাবার চেষ্টা করে চলেছে। 


জয় শ্রী রাম 

জয় হনূমান 

জয় বাবা নিম করোলি 

দুর্গাপূজা ২০২৬ : ৬ টি বিখ্যাত দুর্গাপূজা যেখানে আমিষ প্রসাদ মা কে নিবেদন করা হয় পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া কেবল আদা, ঘি এবং বিশেষ মশলা দিয়ে তৈরি ‘নিরামিষ মাংসের ভোগ’

পূজোর মধ্যে আমিষ খাওয়া বা পুজোয় মায়ের কাছে পিয়াজ রসুন ছাড়া প্রসাদে মাছ মাংস নিবেদন করা বাঙালি হিন্দুদের বহুদিনের রীতি। দুর্গাপূজায় পূজা উপাচারেও বাঙালির এই রীতি থেকে অটুট থাকে। বিগত দিনে ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন এই একটি বিষয়ের উপরে যেটা হলো বিজেপি ক্ষমতায় আসলে বাঙালির মাছ মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। কিন্তু সেই সময় পাল্টা বিজেপি নেতৃত্বে বৃন্দ রাস্তায় মাছ নিয়ে ঘুরে ঘুরে প্রচার করতে থাকেন যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে মাছ মাংসের উপর কোনো বিধি নিষেধ আরোপ করা হবে না।



মা আসছেন, আর কিছুদিন বাকি, সারা কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে পূজা প্রস্তুতির ব্যাস্ততা শুরু হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রদেশ থেকে আগত জনপ্রিয় বাগেশ্বর বাবার  বক্তবে দূর্গা পূজায় আমিষ খাওয়া নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। বাঙালির কাছে দুর্গাপূজা একটি আবেগ, শ্রদ্ধা ও ভক্তির এক অসাধারণ মিলনক্ষেত্র। মহালয়ার দেবীপক্ষ থেকে শুরু করে বিজয়া পর্যন্ত মায়ের আবেশ বাঙলি কে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে রাখে। এখানে মা দূর্গা ঘরের মেয়ে, সারা বছর পর বাপের বাড়িতে বেরোতে আসেন, আর সেই সময় বাঙালি মাছ মাংস খাবে না, সেটা হবে না। এই নিয়ম নীতি হয়তো বাগেশ্বর বাবার জানার বাইরে। 


মহাতীর্থ কামাখ্যা (আসাম ) মন্দিরে পাঁঠা বলি হওয়ার পর যে প্রসাদ পাওয়া যায় সেখানে পিয়াজ রসুন ছাড়া মাছ মাংস ভোগ দেয়া হয়। 


বহু বছর থেকে চলে আসা কিছু দূর্গা পূজার ভোগে মাছ মাংস দেয়ার রীতি গুলি দেখে নেয়া যাক।


তমলুকের বর্গভীমা মন্দির - 


সতীর একান্নপীঠের অন্যতম একটি পীঠ তমলুকের বর্গভীমা মন্দির। তন্ত্রচূড়ামণি অনুসারে এখানেও দেবীকে আমিষ ভোগ নিবেদন করা হয়ে থাকে। এখানে প্রতিদিন দুবেলা শোলমাছের টক নিবেদন করা হয়।

Durgapuja 2026 Edik Odik


বীরভূমের নলহাটির নলাটেশ্বরী - 


৫১ সতীপীঠের অন্যতম নলহাটির নলাটেশ্বরী। এখানেও দেবীর ভোগে সাদা ভাতের সাথে নিবেদন করা হয় মাছ।


লাভপুরের ফুল্লরা দেবীর মন্দির - 


মাকে আমিষ ভোগ নিবেদন করা হয় আরেক সতীপীঠ লাভপুরের ফুল্লরা দেবীর মন্দিরেও। বর্তমানে এখানেও চালু রয়েছে বলিপ্রথা। এই মন্দিরে মাছের ঝোল ও মাছ ভাজা দু পদ দেওয়া হয় মাছের।


তারাপীঠ - 


তারাপীঠেও বিশেষ বিশেষ দিনে পাঁঠাবলিও হয়।হয় 'আমিষ-ভোগ'। তারাপীঠে দেবীর সারা বছরের ভোগেই থাকে শোল পোড়ার আয়োজন। 


কালীঘাট - 


শুধু বাড়ির পুজো গুলিতে আমিষ হয় এমন নয়, ৫১ সতীপীঠের অন্যতম সতীপীঠ কালীঘাটে প্রতিদিন থাকে আমিষ ভোগের আয়োজন। দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে মহাপ্রসাদ হিসাবে থাকে মাংস ভোগের আয়োজন। পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া কেবল আদা, ঘি এবং বিশেষ মশলা দিয়ে তৈরি এই ‘নিরামিষ মাংসের ভোগ’ কালীঘাটের শতবর্ষের রীতি। এছাড়া প্রতিদিনই কালীঘাট মন্দিরের ভোগে থাকে ১৫ কেজি মাছ, যার মধ্যে থাকে রুই-পারশে। বর্ষাকালে মা-কে দেওয়া হয় ইলিশ ভোগ। তবে আঁশ ছাড়া কোনও মাছ ভোগে দেওয়া হয় না।


কালীঘাট মন্দিরে প্রসাদে মাছ বলতে কাতলা, চিংড়ি, পার্শে প্রভৃতি মাছ মায়ের প্রসাদে দেয়া হয় এছাড়াও যে মাছে গুলি থাকে তা হল কই মাছ এবং ইলিশ মাছ থাকতে পারে। যে মাছে আঁশ আছে, সেই মাছই আপনি মাকে নিবেদন করা যায়। 


কলকাতা শোভাবাজার রাজবাড়ী- 


দীর্ঘ আড়াইশো বছরের পারিবারিক ঐতিহ্য শোভাবাজার রাজবাড়ির দূর্গা পুজো, মা দুর্গাকে তারা শাকম্ভরী রূপে আরাধনার পাশাপাশি নিবেদন করেন জোড়া মাগুর মাছ। এবারও সেই রীতি মেনেই দুর্গাপুজো করা হবে। রাজবাড়ির রীতি অনুযায়ী নবমীতে জোড়া মাগুর মাছ বলি হয়, এ বছর তার অন্যথা হবে না। সেই মাগুর মাছ ঠাকুরদালানেও তোলা হয়। নিয়ম মেনে ওই মাগুর মাছ বলি হয়, নিবেদন করা হয় মা দুর্গাকে। শুধুমাত্র যাঁরা সঙ্কল্প করছেন তাঁরা বাদে পরিবারের অন্যরা যে যার মতো আমিষ খান।'

Ghost: বাংলার ভৌতিক চরিত্র, একা রাতে এই তথ্য পড়ার সময় আপনিও একবার পিছন ফিরে তাকাবেন!

কিছুদিন আগেই স্ত্রী-২ সিনেমা রিলিজ হয়েছিল, স্ত্রী-২ ভুতের চরিত্র সারকাটা অর্থাৎ মাথা কাটা, এই সারকাটা বা ভুলভুলাইয়ার মঞ্জুলিকার মত বাংলায় অসংখ্য ভৌতিক চরিত্র অর্থাৎ অশরীরী চরিত্র বর্তমান।



বাংলার লোকসাহিত্য সম্পর্কে আলোচনা করবার সময় প্রথমেই যা নজরে আসে তাহল বাংলার ভৌতিক লোককথা। এই ভৌতিক লোককথার গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো ভুতুড়ে চরিত্র। বাংলার অসংখ্য লেখক এই ভৌতিক চরিত্র গুলোর উপর গল্প উপন্যাস লিখে গেছেন। 

আরও পড়ুন : ২০২৪ এ সর্বাধিক আয় করেছিল ভারতের যে সিনেমা 

ভূত হল এক ধরনের অতৃপ্ত আত্মা। প্রাচীন লোককথা থেকে জানা যায়, মৃত্যুর পর যে সমস্ত মানুষের আত্মা শান্তি খুঁজে পাইনি পৃথিবীতেই ঘুরে বেড়িয়েছে তারাই হল ভূত। শুধু তাই নয় লোকসাহিত্য এটাও বলা হয়েছে, জীবজন্তুর আত্মাও মৃত্যুর পরে মুক্তি না পেলে অশরিরীয় শক্তিতে পরিণত হয়। বাংলার ভৌতিক লোককথায় ভুত, দৈত্য- দানব এই চরিত্রগুলি খুবই স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে। শুধুমাত্র প্রাচীনকালে নয় বর্তমান সময়কালের রূপকথার গল্পেও এই চরিত্রগুলির বিবরণ পাওয়া যায়।

ভারতীয় লোকসাহিত্যে অনেক প্রকার ভুতূরে চরিত্রের প্রকাশ পাওয়া যায়। সেই সম্পর্কে নিম্নে কিছু ধারণা প্রদান করা হলো-


ডাইনি: 

লোকসাহিত্য থেকে জানা যায়, ডাইনি কোন আত্মা নয় এরা মৃত বা জীবিত দুধরনের হতে পারে। এরা  সাধারণত  জীবিত বৃদ্ধা নারী যারা ডাইনিবিদ্যায় পারদর্শী। এরা নিজেদের বৃদ্ধা রুপ লুকিয়ে যুবতী রূপ ধারণ করে থাকে এবং গ্রামগঞ্জের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের স্বীকার করে। এই শিশুদের তুলে এনে হত্যা করে এরা তাদের রক্ত মাংস খেয়ে দীর্ঘ ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।


ব্রহ্মদৈত্য: 

প্রাচীনকালের অতি পরিচিত এক ধরনের ভূতুড়ে চরিত্র হলো ব্রহ্মদৈত্য। লোককথায় জানা যায়, ব্রহ্মদৈত্য হল অভিশাপগ্রস্ত ব্রাহ্মণের অতৃপ্ত আত্মা। সাধারণত এরা ধুতি ও পৈতা পরিধান করে থাকে এবং সমাজে এদেরকে পবিত্র ভূত হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। এরা অত্যন্ত দয়ালু প্রকৃতির হয়। বহু দুঃখী মানুষকে সাহায্য করে থাকে এবং বিপদের হাত থেকেও রক্ষা করে।


দেও: 

এমন এক ধরনের ভূত যারা নদীতে বা

জলাশয় বসবাস করে। লোকমুখে শোনা যায়, এরা লোকজনকে জলে ডুবিয়ে মারে।


পেত্নি: 

প্রাচীন  ভৌতিক লোককথার একটি জনপ্রিয় চরিত্র হল পেত্নি । এরা হল নারীদের অতৃপ্ত আত্মা । লোককথা অনুসারে যেসমস্ত নারীরা বেঁচে থাকার সময় নিজেদের আশা-আকাঙ্ক্ষা কোনটাই পূরণ করতে পারিনি। বিয়ের আগেই কোনো দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে এবং তারা নিজেদের জীবনে কোনো খারাপ কাজ করবার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। সে সমস্ত নারীদের আত্মা মৃত্যুর পরেও মুক্তি না পৃথিবীতেই ঘুরে বেড়ায়, এরাই পেত্নী নামে পরিচিত।


পেত্নীরা খুব বদমেজাজী হয়। এরা নিজের রূপ ও আকার বদলাতে পারে, এমনকি পুরুষের রূপ ধারণ করতে পারে। এরা সেইসব মানুষদের পছন্দ করে না যারা সুখে শান্তিতে বেঁচে আছে।


গেছো ভূত: 

গেছো  শব্দটি এসেছে গাছ থেকে। এমন কিছু ভূত রয়েছে যারা গাছে বাস করে তাদের বলা হয় গেছো ভূত।


বুকে চোখ: 

এই ধরনের প্রেতাত্মার কোন মাথা থাকে না। এদের বুকে একটিমাত্র চোখ থাকে এবং এরা মানুষের স্বপ্নে এসে ভয় দেখায়। এমনকি এই ভূতেরা রাতের একাকী মুহূর্তে মানুষকে আক্রমণ করে থাকে।


পিশাচ: 

পিশাচ এক ধরনের দানব। এরা কোন আত্মা নয় দেহধারী শয়তান। এরা মানুষের মৃতদেহ ভক্ষণ করে। প্রাচীন লোককথা অনুসারে  এরা প্রায় এক হাজার, এক রাত্রি বেঁচে থাকে।


বোবা: 

রাতের বেলায় ঘুমের মধ্যে মানুষের উপর ভর করে এমন প্রেতাত্মার নাম বোবা। সাধারণত চিৎ হয়ে শুলে নাকি বোবা সহজে মানুষকে আক্রমণ করতে পারে। এই সময় মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। মানুষের বিকৃত স্বরে গোঙাতে থাকে এবং সহজে তাকে জাগিয়ে তোলা যায় না। এই সময় মানুষের  শরীরও  অসাড় হয়ে পড়ে।


মামদো ভুত: 

হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, মামদো হলো মৃত মুসলমানদের আত্মা। মামদো ভূতের  শ্রেণীভূক্ত পেতাত্মা। এটি পুরুষ ভূত, এই ভূত বাতাসে মিশে থাকে এবং লোকালয়ের আশেপাশে কোন গাছ গাছরা আশ্রয় নেয়। এরা মানুষকে বিপদে ফেলতে এবং অনিষ্ট করতে অনেক আনন্দ পেয়ে থাকে।


টাকরা-টাকরি: 

লোককথায় টাকরা- টাকরি নামক এক অশরিরীয় প্রেতাত্মার উল্লেখ পাওয়া যায়। এরা ছোট ছোট শিশুদের ধরে খেয়ে ফেলে বলে  দীর্ঘদিন ধরে  প্রচলিত রয়েছে।


জিন: 

জিন জাতিতে হলো মুসলিম। এরা এক অশরীরী  ও শয়তান। এদের কোন রোগ নেই এরা অন্ধকারে  সবার অন্তরালে বাস করে। আরবি জিন শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো অদৃশ্য বা গুপ্ত। এরা বিভিন্ন প্রজাতির হয়ে থাকে যেমন জিন-শয়তান, এরা শয়তানের বংশধর যারা ভগবানের আদেশ অমান্য করে খারাপ পথ বেছে নেয় এবং মানুষের ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। এরা বিভিন্ন রূপও ধারণ করতে পারে।      


দ্বিতীয় হল ক্কারিন, এরা মানুষের মনে পাপের সঞ্চার ঘটায়। এরপর রয়েছে খাসিব, এরা নোংরা স্থানে থাকে এবং মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে। 


লোককথা অনুসারে, কিছু ভালো জিনও রয়েছে। যারা মানুষের সাহায্য করে থাকে কিন্তু খারাপ জিন অনেক বেশি ক্ষতি করা হয়। এরা খুব শক্তিশালী হয়ে থাকে এবং সহজেই মানুষকে বশ করে নিতে পারে। এদের কোন রুপ বা আকার থাকেনা, কিছু অদ্ভুত শব্দের মাধ্যমে এরা  মানুষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে।


ভূতুড়ে আলো: 

রাতের অন্ধকারে খোলা স্থানে ও জলাভূমির কাছাকাছি কোন স্থানে এই ধরনের আলো দেখতে পাওয়া যায়। মাটি থেকে একটু উপরে এই আলোগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে। এই আলোগুলি  নিজেদের আকার রং বদলাতে পারে। এরা কখনো ধীরে আবার কখনো খুব দ্রুত গতিতে যাত্রা করে। যে মানুষেরা এই আলোগুলির পিছু নেয়  তারা আর কখনো ফিরে আসে না।


সুন্দরবন ও রাজস্থানে এই আলো প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়, এই আলোর জন্যে বহু জেলেরা তাদের প্রাণ হারিয়েছে।


জুজু: 

এটি  হল স্ত্রীভূত। জুজু আসলে বৃদ্ধা  পিশাচ। লৌকিক কাহিনী অনুসারে, এরা ছোট ছোট বাচ্চাদের ধরে নিয়ে যায়।


বেতাল: 

হিন্দু লোককাহিনী মতে, বেতাল একটি অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন প্রাণী। এটি  আত্মা বিশেষ  যার কোন মৃত্যু নেই, সে যে কারোর শরীরে ভর করতে পারে। 


বেতাল শ্মশান ঘাটে ঘুরে বেড়ায় এবং মৃত মানুষের শরীরে নিজেদের বাসা তৈরি করে। এরা সাধারণত গাছে উল্টো ঝুলে থাকে। রাজা বিক্রমাদিত্যের গল্পেও বেতাল চরিত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়।


কানাভুলো: 

এই শ্রেণীর ভূতেরা পথিকের গন্তব্য ভুলিয়ে দেয় এবং কোন নির্জন, অচেনা এলাকায় তাদের নিয়ে আসে। এদের জন্য কখনো কখনো মানুষের একই পথ দিয়ে বারবার যাত্রা করে ও ঘুরপাঁক খেতে থাকে। এরা তাদের শিকারকে পছন্দমত স্থানে নিয়ে গিয়ে আক্রমণ করে। এই ভুতেরা নির্জন এলাকায় মানুষকে আক্রমন করে। এই ধরনের ভূতেদের  রাতে গ্রামের মাঠের ধারে এবং পথের মাঝে দেখতে পাওয়া যায়। 


ঝেয়ো পেত্নী: 

এই পেত্নীরা নিজেদের ঝাউগাছ লুকিয়ে রাখে। এরা পথযাত্রীদের নানাভাবে অত্যাচারিত করে।


ভরসন্ধ্যাবেলায় কোন পথিক একা একা ঝাউবন বেরোবার সময় তাদের এই পেত্নীরা গাছের সবচাইতে   উচু ডালে চড়িয়ে দেয়। 


ডাকিনী: 

ডাইনী বুড়িদের একশ্রেণীর মধ্যে হলে ডাকিনী। এরা পুকুর ধারে কোন নারকেল বা তাল গাছে বাস করে। ডাকিনী পাতিহাঁস খেতে খুব পছন্দ করে। এদের অন্যতম একটি অভ্যাস হলো, এরা দিনে দুপুরে মেয়েদের রুপ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।


মেছোভুত: 

মেছো শব্দটি বাংলা মাছ শব্দ থেকে এসেছে। মেছো ভূতেরা মাছ খেতে খুব পছন্দ করে, এরা সাধারণত গ্রামের কোন পুকুর পাড়ে যেখানে বেশি পাওয়া যায় সেসব স্থানে বাস করে।


মেছোভুত নির্জন স্থানে মাছ বহনকারী ব্যক্তিদের আক্রমণ করে, মাছ ছিনিয়ে নেয় আবার কখনো কখনো তাদের পিছু নিয়ে ফেলে। এরা জেলেদের নৌকা থেকে মাছ চুরি করে খেয়ে নেয়।


চোরাচুন্নি: 

প্রাচীন কাহিনী অনুসারে, চোরাচুন্নি হলো এমন কোনো অতৃপ্ত  আত্মা যারা  জীবিত অবস্থায় চুরির কাজে নিযুক্ত ছিল। মৃত্যুর পর কোন চোরেরা মুক্তি না পেলে তারাই চোরাচুন্নি তে পরিণত হয়।

                           

চোরাচুন্নি অত্যন্ত দুষ্টু প্রকৃতির হয় এরা মানুষের অনিষ্ট করতে থাকে। কথিত আছে, পূর্ণিমা রাতে এরা মানুষের বাড়িতে ঢুকে ক্ষতি সাধন করে। এদের হাত থেকে বাঁচতে গঙ্গাজল এর ব্যবস্থা করা হয় বাড়িতে।


কিচনি: 

কিচনি হলো জলের এক অলৌকিক জীব। এরা বদ্ধ পুকুর এবং জলাশয় বসবাস করে। যে স্থানের জল বেশি গভীর হয় সেখানে কিচনি থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। লোককথায় জানা যায়, কিচনির অনেক লম্বা কালো ঘন চুল থাকে।


বেঘোভূত: 

লোককাহিনী অনুসারে বিশ্বাস করা হয়ে থাকে, যেসব মানুষের মৃত্যু বাঘের আক্রমণের কারণে হয়েছে তাদের অতৃপ্ত আত্মারাই রুপ নেয় বেঘোভূতের।


বেঘোভূতেরা বনে আগত মধু সংগ্রহকারীদের পথ ভুলিয়ে বাঘের কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং তাদের ভয় দেখানোর জন্য কখনো কখনো বাঘের স্বরে ডেকে ওঠে। সাধারণত সুন্দরবন এলাকায় এ ধরনের ভূতের উপদ্রব বেশি প্রচলিত।


নিশি: 

ভূতেদের মধ্যে অন্যতম হলো নিশি এরা নির্জন এলাকায় মানুষ কে একা পেয়ে আক্রমণ করে। নিশি গভীর রাতে ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে তার শিকারকে তাদের প্রিয়জনের কন্ঠে ডাক দেয় এবং ঘর থেকে বাইরে বের করে আনার চেষ্টা করে। যে মানুষেরা নিশির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসে তাদের আর কোনদিনও দেখতে পাওয়া যায় না। অনেকে মনে করে, কিছু তান্ত্রিক প্রতিশোধের জন্য নিশিকে ব্যবহার করে থাকে। তবে লোককথা থেকে জানা যায়, নিশি কখনোই কোন মানুষকে দুবারের বেশী ডাকতে পারেনা।


স্কন্ধকাটা: 

এরা হলো এক অলৌকিক জীব। এরা মাথাবিহীন হয়ে থাকে এবং এলাকা বিশেষে এরা বিভিন্ন নামে পরিচিত। এরা হলো সেইসব মানুষের আত্মা যাদের মৃত্যু কোনো দুর্ঘটনায় মাথা কাটা পড়ার কারণে হয়েছে। এই শ্রেণীর ভূতেরা সবসময় তাদের হারানো মাথা খুঁজে বেড়ায় এবং অন্যান্য মানুষকে আক্রমণ করে নিজের দাসে পরিণত করে। শুধু তাই নয় তাদেরকেও তার মাথা খোঁজার কাজে লাগায়। এরা পথের পাশে কোন গর্তে ঝোপেঝাড়ে বাস করে।

Bhojpuri Song 2025: এটা ছাড়া শীতের পিকনিকে মজা পাওয়া যায় না।

শীতের দিনের আমেজটাই আলাদা। কখনো কুয়াশা, কখনো রোদ। আর এখন উপযুক্ত সময় চড়ুইভাতী অর্থাৎ পিকনিক এর। পিকনিক! আর নাচ হবে না? কিন্ত ধামাকাদার গান তো দরকার, যাতে মনের সুখে কোমরটাকে ভালোভাবে দোলানো যায়। আছে! আছে! ভোজপুরি গান। একবার চালালেই নেশা ধরে যাবে। হিন্দির কিছুটা কাছাকাছি, কিন্তু ভাষা খুব বেশি বোঝার প্রয়োজন নেই, শুধু গানের বিট গুলো ধরে নেশার মত নাচতে থাকা। 

বিহারের ভোজপুরি গান – লোকসংগীতের প্রাণধারা

বিহার ভারতের এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক রাজ্য, যার সংগীত ঐতিহ্যের মধ্যে ভোজপুরি গান (Bhojpuri Song) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই গান শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং ভোজপুরি ভাষাভাষী মানুষের জীবন, অনুভূতি ও সমাজের প্রতিফলন। ভোজপুরি ভাষা মূলত বিহারের পশ্চিমাঞ্চল, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং ঝাড়খণ্ডের কিছু অঞ্চলে প্রচলিত।

ভোজপুরি গান প্রাচীন লোকসংগীতের ধারাকে ধারণ করে গড়ে উঠেছে। কৃষিকাজ, বিবাহ, উৎসব, প্রেম, বিচ্ছেদ, সমাজজীবন—সব কিছুই এই গানের মূল বিষয়। বিয়ের সময় “সোহর” গান, চাষাবাদের সময় “কাঁরাহা” গান, এবং উৎসবে “ফাগ” বা “চৈত” গান গাওয়া হয়, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

আধুনিক যুগে ভোজপুরি সংগীত আরও বহুমাত্রিক হয়েছে। আজ ভোজপুরি গান শুধু গ্রামীণ অঞ্চলে নয়, সারা ভারতের সংগীতপ্রেমীদের কাছেও জনপ্রিয়। মনোজ তিওয়ারি, পবন সিং, খেসারি লাল যাদব, রিতেশ পাণ্ডে, অন্তরা সিং প্রিয়াঙ্কা, ও শিল্পী দেবী–এর মতো শিল্পীরা ভোজপুরি গানে নতুন মাত্রা এনেছেন। তাঁদের গানে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র, পপ সংগীতের ধারা এবং সিনেমার প্রভাব যুক্ত হয়েছে।

ভোজপুরি সিনেমা শিল্পের সাফল্যের পেছনেও এই গানগুলির ভূমিকা অসামান্য। প্রায় প্রতিটি ভোজপুরি চলচ্চিত্রে ৪–৫টি গান থাকে, যা দর্শকদের মনোরঞ্জনের প্রধান আকর্ষণ। “लॉलीपॉप लागेलू” বা “छठी मईया के गीत”–এর মতো গানগুলি আজ সীমান্ত পেরিয়ে আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছে।

তবে, এই আধুনিকীকরণের মধ্যেও লোকসংগীতের মূল সুর আজও অক্ষুণ্ণ আছে। বিহারের গ্রামীণ নারী-পুরুষ এখনো মাঠে, উৎসবে, বা আঙ্গিনায় বসে দলবদ্ধভাবে গেয়ে ওঠেন ভোজপুরি গান। এতে প্রেম, বেদনা, আনন্দ ও ধর্মীয় বিশ্বাসের এক অনন্য মিশেল দেখা যায়।

ভোজপুরি গান আজ শুধু বিহারের নয়, গোটা উত্তর ভারতের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ভাষা ভিন্ন হলেও সংগীতই পারে হৃদয়কে এক সুরে বাঁধতে।

আরও পড়ুন : বিনামূল্যে ছবি ডাউনলোডের কিছু আদর্শ সাইট


ফাটাফাটি কিছু ভোজপুরি গানের তালিকা 

Song - Balamuwa Ke Ballam (2024)

Singer - Samar Singh, Neha Raj

Geet - Alok Yadav

Music - ADR Anand

Concept - Samar Modi

Director - Ashish Satyarthi

Project manager - Sonu Srivastava

Music Label - T-Series

আরও পড়ুন : হার্ট এর রোগ ও ধর্মীয় প্রভাব 

Meri Jalti Jawani Mange Pani Pani (2017)

Song - Jawani Mange Pani Pani

Artist - R C Aarshi Upadhyay

Writer - Ajay Hooda

Singer - Ruchika Jangid

Music - T R Music

Director - Pawan Gill 

Label - Mor Music Company

Special Thanks - Vikas Singhroha & Ramkesh Jiwanpurwala

Audio Studio - Mor Music Audio Recording Studio

Production House - Mor Digital Recording

আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ 


Song : Tut Jai Palang Raja Ji (2022)

Singer : Khesari Lal Yadav, Indu Sonali

Music : Chhote Baba

Lyrics : Sumit Singh Chandravansh


Song :- Lolly Pop Lageli (2015)

Singer :- Pawan Singh

Writer :- Zahid Akhtar

Music :- Vinay Vinayak 


আরও পড়ুন : শ্রীলংকার জাতীয় সংগীত 

Song - Kamar Kare Lach Lach (2023)

Singer / Actor - Neelkamal Singh

Feat- Shrishti Uttrakhandi

Lyrics - Krishna Sangam

Music - Shubham SBR

Composer - Neelkamal Singh 


Song : Dhani Ho Sab Dhan (2023)

Singer : Power Star Pawan Singh & Shivani Singh

Ft. : Queen Shalinee 

Lyrics : Ashutosh tiwari

Music :Priyanshu Singh


Song :- Apne Labhar Ko Dhokha Do (2023)

Singer :- Chand Jee & Shilpi Raj

Lyrics :- imran Bhai

Music Director :- Gaurav Roshan


Song:- Komor UP komor Down (2022)

SINGER - NEELKAMAL SINGH 

FEAT - SHRISHTI UTTRAKHANDI

STARRING - NEELKAMAL SINGH,FEAT - SHRISHTI UTTRAKHANDI

MUSIC - VINAY VINAYAK

LYRICS - ASHUTOSH TIWARI

17 NOBLE BENGALI AND THEIR DATE OF BIRTH | YouFestive

Edik-Odik the blog prepared a series of 17 notable Bengali personnel seniority wise whom birthday listed here:

 

17. Raja Ram Mohan Roy, 1774, Khanakul, Hoogly



He was a great social worker and remove sati pratha from Bengal.

Microsoft Logo

Collect your Gift

from Microsoft Bing

Join Microsoft Bing Rewards program and easily earn points to redeem exclusive gifts and offers.


16. Iswar Chandra Vidyasagar, 1820, 20th Sept, Birsingha, Medinipur

Iswar Chandra Bandhyapadhya was educationist and social reformer in Bengal. Many women school was established by him. He introduce the widow marriage and education of women.
   

15. Sri. Ram Krishna Paramhanshadev, 1836, 17th Feb, Kamarpukur, Hoogly

He was a great monk in the Bengal history. He was also a social reformer.


14. Bankim Chandra Chattapadhya, 1838, 26th June, Khalpara, 24Pgs.

He was a great novelist and freedom fighter. Many novel ware written by him and he introduce the slogan Bande Mataram during the freedom struggle of India and then it is adopted by the Indian people to respect the motherland.


13.Surendranath Banarjee, 1848, 10th Nov, Taltala, Kolkata

As a freedom fighter and a great political leader.


12. Jagadish Chandra Bose, 1858, 30th Nov, Bikrampur, Dhaka

He was a great scientist.
 

11. Rabindranath Tagore, 1861, 7th May, Jorasako, North Kolkata

As Bengali called him Biswa Kabi i.e. the world poet. Many poetry, novels, songs and article written by him. He got noble for his heartening poetry Gitanjali.
    

10. Ach. Prafulla Ch. Roy, 1861, 2nd August, Khulna, Bangladesh

As a chemist he was established the Bengal Chemical.


09. Swami Vivekananda, 1863, 12th January, Simla, Kolkata

He was a great monk in India. As freedom fighter and as social worker his noble work notable for Indian people. He established the Ram Krishna Mission in India.


08. Sir. Asutosh Mukherjee, 1864, 29th June, Boubazar, Kolkata

He was a great political leader and a social worker.
 

07. Desbandhu Chittaranjan Das, 1870, 5th Nov, Pataldanga stret, Kol

He was a political leader.


06. Rishi Arabinda, 1872, 15th Aug, Kolkata

As a great monk and philosopher in Inda.
 

05. Sarat Chandra Chattapadhya, 1876, 15th Sept, Hoogly

He was a writer as well as freedom fighter. Many novels and article written by him.


04. Begam Rokeya, 1880, 9th Nov, Rangpur, Bangladesh

He was started the education of female in India.


03. Dr. Bidhan Chandra Roy, 1882, 1st Jult, Bakipur, Patna

The 1st Chief Minister of West Bengal. He was a great doctor as well as a political leader in India.
 

02. Netaji Subhas Chandra Bose, 1897, 23rd January, Katak, Orisha

He was a freedom fighter and a political leader in India. The first movement with arms against British Raj was started by him. He established the army INA (Indian National Army) and fought against British. He was probably success against the British and many media welly established him as the first PM of India.


01. Kaji Najrul Islam, 1899, 25th May, Churulia, Burdwan.

He was a freedom fighter and a writer. 

Tag: Edik Odik YouFestive Noble Bengali, Great Bengali and their birth day, great Bengali great work, Banglar maha purus gone jonmo din, mana manober jonmodin, edik odik Banglar monisider jonmodin.

25 OLD BOOKS OF INDIAN HISTORY


25 List of best books of Indian history



(1)
Satipit Parikrama
Amiya Kumar Majumdar

(2)
A History of Kashmir
Bazami, Prithibi Nath Kaul

(3)
Kasmir through the ages ( 5000 BC - 1954 AD)
Gwasha Lal Kaul

(4)
Heritage of Kasmir
Hassnain Fida Mohammed

(5)
Kasmir - its cultural heritage
Kaumudi

(6)
The Jammu and Kashmir territories
Drew Frederik

(7)
Ancient Nepal
D. R. Regmi

(8)
Medieval Nepal
D. R. Regmi

(9)
History of Nepal
Bikramjit Hasrat

(10)
Medieval History of Nepal
Petech Luciano

(11)
History of Nepal
Wright Daniel

(12)
Temple and Legends of Nepal
P. C. Roychowdhury

(13)
Temple and Legends of Bengal
P. C. Roychowdhury

(14)
The Indian Architecture 
Percy Brown 

(15)
Statical Account of Bengal 
Hunter

(16)
Religious sects of Hindus 
Wilson 

(17)
Eastern India 
Martin 

(18)
The Geographical Dictionary of Ancient and Medieval India
Nandolal De

(19)
The Goddess Bargabhima
P. K. Maity

(20)
Kailash and Manas Sarovar
Swami Pranavananda

(21)
The Saktha Pithas 
D. C. Sarkar

(22)
Antiques of Orissa
Rajendra Lal Mitra

(23)
Uttar Himala Charit
Probodh Kumar Sanyal

(24)
Purnatirtha Bharat
Swami Divyananda

(25)
Brihattara Tamralipter Itihas
Yudhisthir Jana



CIRCULAR LID OF BURIAL URN

Next

Ancian Indian Scalpture : Circular lid of burial urn. 

Cemetery H. Harappa, Panjab.
The item kept at National Museum of India, New Delhi.

Art at Middle of 2nd millennium B.C.



edik odik ancient arts

edik odik Indian ancient arts.




BUDDHA EXPOUNDING THE DOCTRINE TO YASAS

Traditional ancient Indian arts.


Buddha expounding the Doctrine to Yasas, the first lay member of Buddhist community. Ajanta, Maharashtra. Late fifth to sixth century.

MAHARAJA KESARI SING

ANCIENT INDIAN ARTS
FREE WEB TRAFFIC
Click the pic - Next

Maharaja Kesari Sing on horseback overcoming a lioness. Bikaner; Rajasthan. About 1715-20.

THE MAN BISAULI ANCIENT INDIAN ARTS

Maharaja Kesari Sing

Ancient Indian art : Copper sheet figure in the shape of man. Bisauli, Uttarpradesh.
About 1000 B.C or earlier. Height  17 inch.
Nothing is known about the people or purpose which figure of this type - found in the Gangetic valley - served, attention may be drawn to the effigy of the 'golden man' embedded in the Vedic sacrificial alter.

Source - Book: The Art of India , Stella Kramrisch,1955


কলকাতার ১৪ টি স্থানের সেরা দূর্গা প্রতিমা ২০১৯

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। সারা বছর ধরে বাঙালি এই উৎসবের জন্য অপেক্ষায় থাকে। ভাদ্র মাস শুরু হতেই পূজোর আবেশ শুরু হয়ে যায়। রথযাত্রা শেষ হতেই শুরু হয় খুটি পূজোর ধুম। ব্যাবসায়ী রা অপেক্ষায় থাকে বছরের এই সময়ের জন্য। পূজো কমিটির সদস্য রা ব্যাস্ত হয়ে পরে তাদের পূজো আরও আকর্ষনীও করার উদ্দেশে। কলকাতার পূজোর আকর্ষণ সমগ্র বিশ্ব বাসীর কাছে সমাদৃত। এই পূজো দূর্গা মাকে ভক্তিরসে আবদ্ধ করার সাথে প্রতিমার সাবেকিয়ানা, প্যান্ডেলের বৈচিত্র আলোকসজ্জার কারিগরি কলকাতা সহ সারা পশ্চিমবঙ্গ বাসী সহ গোটা ভারতের মানুষ প্রানভরে উপভোগ করে। 

এখানে কলকাতার ১৪ টি পূজা কমিটির প্রতিমার সাবেকিআনা তুলে ধরলাম। 

সেলিমপুর পল্লী 


সুরুচি সঙ্ঘ 


হাতিবাগান সিকদার বাগান 


চেতলা অগ্রণী 



কাঁকুড়গাছি মিতালি 

হাতিবাগান নবীন পল্লী 

গৌরবাড়ি 


বুড়ো শিবতলা 



৯৫ পল্লী 



বাবুবাগান 


বোস পুকুর শীতলা মন্দির 



বাদামতলা 


দমদম পার্ক ভরৎচক্র 



আহিরীতোলা সর্বজনীন 



VETTUVANKOIL FROM SOUTH INDIA

THE  TRADITIONAL INDIAN ARTS : 

Vettuvankoil, from South India

The four - armed image of Siva Vyakhyana Daksinamurti, Sum total knowledge and its expounder, places his left foot on the infant - shaped demon of Forgetfulness ( apasmara purusa ) who cluthes a serpent. The iconographic theme is integrated in the 'architectural' conception of the monument.

DANCE OF TISTABURI, JALPAIGURI


Dance of Tista Buri:




Bengali Full Movie YouTube Link

Dena Paona
1931
Pather Panchali
1955

Aparajito
1956
Mukh o Manush
1956
1957
1958
1959
1960
1961
1961

Charulata
1964
1969
1970
1970
Ashani Sanket
1973
Heerak Rajar Deshe
1980
1984
1992
2000
Chokher Bali
2003
2010
Chander Pahar
2013
Amazon Obhijaan
2017