কবিতা - সাহিত্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা - সাহিত্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বাংলায় ২০২৬ সালের এক ডজন পূজাবার্ষিকী আমাজন, ফ্লিপকার্ট থেকে জলদি অর্ডার করুন Bengali Saradiya Puja Sanka 2026

 বাঙালির পূজোর গন্ধ ইতিমধ্যেই গায়ে লেগে গেছে। আর মাত্র কদিন বাকি, মা আসছেন একটি বছর পরে। ঢাকে কাঠি পরে গিয়েছে। বই পড়তে বা বই গিফট করতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। আর বাঙালির ঘরে পূজো সংখ্যা থাকবে না তা কি হয়? বাংলা ১৪৩৩ সন অর্থাৎ ইংরেজি ২০২৬ সালের বড় বড় প্রকাশক ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব পূজো সংখ্যা পূজো বার্ষিকী নিয়ে হাজির হয়েছে। বাজারে, বই এর দোকানে সমস্ত বই পাওয়া যাচ্ছে। আনন্দ বাজার, দেশ, সানন্দা, প্রসাদ বিভিন্ন সংস্থার পূজা সংখ্যার বই অনলাইন থেকে পাওয়া যাচ্ছে। লিমিটেড এডিশন, দ্রুত বুক না করলে স্টক পাওয়া মুশকিল হবে। নিচে ১২ টি জনপ্রিয় পূজা সংখ্যার আমাজন লিংক দেয়া হলো। লিংক গুলো ক্লিক করে নিদৃষ্ট বইটি সংগ্রহ করে নিতে পারেন। এছাড়া একসাথে কম্বো ৬ টি বই অর্ডার করতে পারেন, সেক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট কিছুটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। 



আনন্দলোক পুজোবার্ষিকী ১৪৩৩ (২০২৬),

 আনন্দবাজার পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে মোট ৩৬০ পৃষ্ঠা রয়েছে। বইটির মূল্য ₹৩২০ এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে পাওয়া যাচ্ছে। এটি মূলত বিনোদন, টলিউড-বলিউড খবর, গসিপ, সংস্কৃতি ও উৎসবভিত্তিক বিভিন্ন লেখা ও ছবি-সহ একটি জনপ্রিয় পুজোবার্ষিকী। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রকাশিত এই শারদীয়া সংখ্যাটি বাঙালি পাঠকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী ও চাহিদাপূর্ণ একটি প্রকাশনা।

অর্ডার করুন : ANANDALOK PUJABARSHIKI 1433 (2026) : Rs.320.00

আনন্দমেলা পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

আনন্দমেলা পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা দুর্গাপুজোর আগে প্রতি বছর প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এটি মূলত শিশু-কিশোরদের উপযোগী গল্প, কবিতা, ধাঁধা, কার্টুন ও বিভিন্ন রঙিন ফিচারে ভরপুর। বইটির মূল্য প্রায় ₹৩১৫–৩৫০ এবং এটি পেপারব্যাক বা সফটকভার ফরম্যাটে পাওয়া যাচ্ছে। আনন্দমেলা পুজোবার্ষিকী বাঙালি শিশু-কিশোরদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনা, যা উৎসবের মেজাজে নতুন নতুন লেখা ও ছবি-গল্প নিয়ে সাজানো হয়।

অর্ডার করুন : Anandamela Pujabarshiki 1433 (2026) 340.00


বিষাকা থ্রিলার পুজোবার্ষিকী ২০২৬ 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডের তরফে প্রকাশিত একটি বিশেষ শারদীয়া সংকলন, যা মূলত রোমাঞ্চকর থ্রিলার ও রহস্যঘন গল্পের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ২০২৬ সালের এই পুজোবার্ষিকীতে বিভিন্ন জনপ্রিয় লেখকের লেখা অ্যাডভেঞ্চার, ক্রাইম, সাসপেন্স ও মিস্ট্রি ধাঁচের গল্প স্থান পেয়েছে, যা পাঠকদের মধ্যে উত্তেজনা ও কৌতূহল জাগিয়ে তুলবে। আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, আনন্দলোক-সহ আনন্দ পাবলিশার্সের অন্যান্য পুজোবার্ষিকীর মতোই বিষাকা থ্রিলার সংখ্যাটিও বাঙালি পাঠকদের মধ্যে বিশেষ করে তরুণ ও থ্রিলারপ্রিয় পাঠকদের কাছে জনপ্রিয়। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত এই বিশেষ সংখ্যাটিতে থাকে নতুন নতুন চরিত্র, অজানা রহস্য ও রোমাঞ্চকর প্লট, যা পাঠকদের পুজোর ছুটিতে উপভোগ্য পড়ার অভিজ্ঞতা দেয়।

অর্ডার করুন : Bivashika Thriller Patrika 1433 : Pujabarshiki 1433  Rs. 259.00

প্রসাদ পূজা বার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা দুর্গাপুজোর আগে বাঙালি পাঠকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি আগস্ট ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে প্রায় ২০০–৪০০ পৃষ্ঠার মতো সমৃদ্ধ content রয়েছে, যেখানে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, শিল্প-সংস্কৃতি, উৎসবের বিশেষ ফিচার এবং নানা ধরনের লাইফস্টাইল ও বিনোদনমুখী লেখা থাকে। প্রদাস পুজোবার্ষিকী মূলত পরিবারের সব বয়সের পাঠকদের কথা ভেবে তৈরি—এতে ছোটদের জন্য আলাদা বিভাগ, রান্নার রেচিপি, ভ্রমণকাহিনি, সেলিব্রিটি ইন্টারভিউ এবং উৎসবের সাজসজ্জা নিয়ে টিপসও থাকে। বাঙালি সংস্কৃতি ও শারদোৎসবের ঐতিহ্যকে ধরে রেখে এই পত্রিকাটি প্রতি বছর পাঠকদের কাছে একটি প্রিয় সংগ্রহযোগ্য আইটেম হিসেবে পরিচিত।


অর্ডার করুন : Prasad 1433 (2026) || Pujabarshiki 223.00

কিশোর জানা বিজ্ঞান পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

আনন্দ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা নিয়ে তরুণ পাঠকদের জন্য তৈরি।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটিতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা—যেমন মহাকাশ, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নতুন আবিষ্কার—সহ সহজ ভাষায় উপস্থাপিত প্রবন্ধ, কুইজ, ধাঁধা ও রঙিন ছবি থাকে।  প্রতি বছরের মতো ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের এই পুজোবার্ষিকীটিও দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয় এবং বাঙালি কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ জাগিয়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য।  বইটির মূল্য সাধারণত ₹২৮৫–₹৩০০ এর মধ্যে থাকে এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available।


অর্ডার করুন : Puja Barshiki Kishore Jnan Bigyan, 46th Year (2026) Rs. 299.00


মহাদেবী পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

দুর্গাপুজো উপলক্ষে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় বাংলা শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা মূলত রোমাঞ্চ, সাসপেন্স ও ছোটগল্পের সমাহার নিয়ে পাঠকদের কাছে আসে।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি আগস্ট–সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে প্রায় ৩৪২–৫০০ পৃষ্ঠার মতো সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু রয়েছে, প্রকাশকের ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণ দেখা যায়।  বইটির মূল্য সাধারণত ₹২৭০–₹৩৫০ এর মধ্যে থাকে এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available।  মহাদেবী পুজোবার্ষিকীতে বিভিন্ন লেখকের লেখা থ্রিলার, রহস্য, সামাজিক গল্প ও উৎসবভিত্তিক লেখা থাকে, যা দুর্গাপুজোর সময় পাঠকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।  এটি বাংলা পাঠকদের মধ্যে একটি চাহিদাপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী পুজোবার্ষিকী হিসেবে পরিচিত।


অর্ডার করুন : Pujabarshiki Mahadevi 1433 || Bengali Thriller, Suspense, Stories & Poetry Collection || Parul Prakashani : 350.00

শারদীয়া আনন্দবাজার পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

আনন্দবাজার পত্রিকার বছরের শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয়। ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে প্রায় ৩৬০ পৃষ্ঠার সমৃদ্ধ content রয়েছে। এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available এবং মূল্য ₹৩৪০ (কিছু দোকানে ₹২৮৯-এও পাওয়া যাচ্ছে)। শারদীয়া আনন্দবাজারে থাকে সাহিত্য, সংস্কৃতি, ভ্রমণ, রান্না, শিল্প-সংগীত, উৎসবের বিশেষ লেখা, বিখ্যাত লেখকদের গল্প-প্রবন্ধ, পাশাপাশি পুজোর সাজসজ্জা ও উদযাপনের নানা আইডিয়া। বাঙালি পাঠকদের জন্য এটি একটি ঐতিহ্যবাহী ও চাহিদাপূর্ণ প্রকাশনা, যা পুজোর আমেজ বাড়িয়ে তোলে এবং পরিবারের সবাই মিলে পড়ার মতো একটি special collection।


অর্ডার করুন : Saradiya Anandabazar Patrika Pujabarshiki 2026 Rs. 320.00


দেশ পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে বাঙালি পাঠকদের কাছে পৌঁছে যায়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের পুজোবার্ষিকী হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে সাহিত্য, সংস্কৃতি, উৎসব, ভ্রমণ, শিল্প-সাহিত্য ও বিনোদনভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের লেখা ও ছবি থাকে।  দেশ পুজোবার্ষিকী মূলত একটি ম্যাগাজিন ধাঁচের প্রকাশনা, যেখানে গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, সাক্ষাৎকার এবং উৎসবের বিশেষ ফিচারসহ নানা বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকে।  এটি অনলাইন বুকস্টোর ও বিভিন্ন বইয়ের দোকানে পেপারব্যাক বা হার্ডব্যাক ফরম্যাটে available এবং সাধারণত ₹৩০০–₹৩৫০ রেঞ্জে বিক্রি হয়।  বাঙালি পাঠকদের মধ্যে শারদীয়া পত্রিকার ঐতিহ্যবাহী চাহিদার অংশ হিসেবে দেশ পুজোবার্ষিকীও প্রতি বছর জনপ্রিয়তা পায়।


অর্ডার করুন : Sharadiya Desh Pujabarshiki 2026 || 1433 (Desh Sharadiya) - Rs.340.00


কথা সাহিত্য পুজোবার্ষিকী ১৪৩৩ (২০২৬) 

আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া সাহিত্য সংকলন, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে পাঠকদের হাতে পৌঁছে যায়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য লেখকদের ছোটগল্প, উপন্যাস, কবিতা ও প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে।  মূলত ছুটির সময়ের পাঠের জন্য উপযোগী করে সাজানো এই বার্ষিকীতে থাকে বিনোদনধর্মী ও সাহিত্যমানসম্পন্ন লেখার সমাহার।  বইটির মূল্য সাধারণত ₹২০০–₹২৫০ এর মধ্যে হয়ে থাকে এবং এটি পেপারব্যাক বা ম্যাগাজিন ফরম্যাটে available।  কথা সাহিত্য পুজোবার্ষিকী দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি পাঠকদের মধ্যে একটি বিশ্বস্ত ও চাহিদাপূর্ণ শারদীয়া প্রকাশনা হিসেবে পরিচিত।


অর্ডার করুন : Sharadiya Katha Sahitya 1433 || Bangla Pujabarshiki 2026 || Rs. 300.00

সানন্দা পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩)

সানন্দা পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে প্রকাশিত হয়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটিতে উপন্যাস, ছোটগল্প, ফ্যাশন, বিউটি, রান্না, ফিটনেস, সেলিব্রিটি সাক্ষাৎকার এবং বিশেষ ফিচারসহ নানা ধরনের লেখা রয়েছে।  এটি মোট ৬৯২ পৃষ্ঠার একটি হার্ডকভার সংস্করণ এবং এর মূল্য ₹৩২০ (ছাপা মূল্য) ও ₹২৫৬ (বিক্রয় মূল্য)।  সানন্দা পুজোবার্ষিকী বাঙালি পাঠকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রিয় একটি শারদীয়া প্রকাশনা, যা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনযাপন নিয়ে সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু উপস্থাপন করে।

অর্ডার করুন : Saradiya Sananda Pujabarshiki 2026 320.00


টাপুর টুপুর পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

ছোটোদের জন্য প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় শারদীয়া বিশেষ সংখ্যা, যা প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে বাজারে আসে।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি মধুসূদন ঘাটী সম্পাদনা করেছেন এবং এটি ২০২৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।  বইটির মূল্য ₹১৮০ (মূল্য তালিকা অনুযায়ী ₹২০০ থেকে ১০% ছাড়ে) এবং এটি পেপারব্যাক ফরম্যাটে available।  টাপুর টুপুর পুজোবার্ষিকীতে সাধারণত ছোটোদের উপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া, ধাঁধা, রঙিন ছবি ও বিভিন্ন মজাদার লেখা থাকে, যা শিশুপাঠকদের উৎসবের মেজাজে আনন্দ দেয়।  আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর অন্যান্য শারদীয়া সংখ্যার মতো এটিও বাঙালি পরিবারে পুজোর ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


অর্ডার করুন : Tapur Tupur Pujabarshiki 1433 (2026) Rs. 200.00


উমা পুজোবার্ষিকী ২০২৬ (১৪৩৩) 

আনন্দবাজার পত্রিকার শারদীয়া বিশেষ সংখ্যাগুলির মধ্যে একটি জনপ্রিয় প্রকাশনা, যা দুর্গাপুজোর আগে প্রতি বছর প্রকাশিত হয়।  ২০২৬ সালের এই সংস্করণটি ৪০৮ পৃষ্ঠার একটি হার্ডকভার বই হিসেবে available এবং এর মূল্য প্রায় ₹৩৪০–৩৯৯।  উমা পুজোবার্ষিকীতে সাধারণত গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, সেলিব্রিটি ইন্টারভিউ, রান্না-ফ্যাশন-সৌন্দর্য এবং উৎসবভিত্তিক বিভিন্ন লেখা থাকে, যা পরিবারের সব বয়সের পাঠকদের পছন্দ হয়।  আনন্দ পাবলিশার্সের এই শারদীয়া সংখ্যাটি বাঙালি সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ধারাকে বহন করে এবং পুজোর মরসুমে পাঠকদের কাছে একটি প্রিয় সংগ্রহ হিসেবে গণ্য হয়।


অর্ডার করুন : Uma Pujabarshiki 1433 (2026)  - Rs. 385.00

Combo : Rs. 2499.00 Sananda, Anandabazar, Shardiya Patrika, Anandalok, Anandamela and Desh Pujabarshiki 2026 With Sananda & Desh 1-1 Copy Total 8 (Saradiya Anandabazar Pujabarshiki)

বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও নামকরা ম্যাগাজিনগুলি : Famous Magazine 2026 of Bengali Language

বাংলা ম্যাগাজিন বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের প্রকাশনা যা মূলত সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজ, রাজনীতি, বিনোদন, বিজ্ঞান, শিল্পকলা ইত্যাদি নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়। এগুলো সাধারণত মাসিক, পাক্ষিক বা সাপ্তাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং পাঠকদের কাছে নতুন চিন্তা, সৃজনশীল লেখা ও সমসাময়িক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এই পত্র পত্রিকার প্রকাশক গণ প্রতি বছর দুর্গাপূজার সময় অর্থাৎ বছরের জুলাই আগস্ট মাস নাগাদ তাদের পূজা বার্ষিকী প্রকাশ করে। 

আরও পড়ুন : পশ্চিমবঙ্গে চাকরি পাওয়ার সহজ উপায় 

বাংলা ম্যাগাজিনের বৈশিষ্ট্য


- সাহিত্যকেন্দ্রিক: গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি প্রকাশিত হয়। যেমন দেশ, কৃত্তিবাস।

- সংস্কৃতি ও সমাজ: সমসাময়িক সামাজিক সমস্যা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে লেখা থাকে।

- বিনোদন ও চলচ্চিত্র: সিনেমা, নাটক, সংগীত, তারকা সাক্ষাৎকার ইত্যাদি।

- শিশুদের ম্যাগাজিন: শিশুদের জন্য গল্প, কমিকস, শিক্ষামূলক লেখা। যেমন আনন্দমেলা, রঙিন কাগজ।

- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিজ্ঞানচর্চা, নতুন আবিষ্কার, প্রযুক্তি নিয়ে লেখা।


বাংলা ম্যাগাজিনের গুরুত্ব


- পাঠকদের সৃজনশীলতা বাড়ায়।

- সমাজে চিন্তার আদানপ্রদান ঘটায়।

- নতুন লেখক ও শিল্পীদের মঞ্চ তৈরি করে।


বাংলা ভাষার জনপ্রিয় ও নামকরা ম্যাগাজিনগুলির মধ্যে রয়েছে

সাহিত্য পত্রিকা, ছোটদের Anandamela, [Shuktara], মহিলাদের জন্য Sananda ও [Anannya], এবং চলচ্চিত্র ও বিনোদনের জন্য Anandalok।


সাহিত্য ও সাধারণ পত্রিকা

- দেশ (Desh): দীর্ঘকাল ধরে চলা শীর্ষস্থানীয় সাহিত্য পত্রিকা।

- সানন্দা (Sananda): আধুনিক জীবনযাত্রা ও ফ্যাশন বিষয়ক পত্রিকা।

- অনন্যা (Anannya): নারী ও পরিবার কেন্দ্রিয় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন।


কিশোর ও শিশু পত্রিকা

- আনন্দমেলা (Anandamela): ছোট ও কিশোরদের জন্য গল্প-কমিকসের বিখ্যাত কাগজ।

- শুকতারা (Shuktara): কিশোর উপযোগী ঐতিহ্যবাহী গল্প ও কমিকসের মাসিক পত্রিকা।


বিনোদন ও অন্যান্য


- আনন্দলোক (Anandalok): সিনেমা ও তারকাদের খবরের বিনোদন পত্রিকা।

FlipHTML5 LightBox Embed Demo

- ভ্রমণ (Bhraman): ঘোরার জায়গার খোঁজখবর ও ভ্রমণকাহিনী বিষয়ক মাসিক পত্রিকা।

ব্রত প্রকরণ। শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর প্রতি বৃহস্পতিবারের ব্রতকথা Sri Sri Laxmi Devi Bratakatha

 ব্রতকথা-

দোল পূর্ণিমার নিশি নির্মল আকাশ। 

ধীরে ধীরে বহিতেছে মলয় বাতাস। 


লক্ষ্মীদেবী বামে করি বসি নারায়ণ। 

করিতেছে নানা কথা সুখে আলাপন। 


সেইকালে বীণা হস্তে নারদ মুনিবর। 

লক্ষ্মী নারায়ণে নমি কহিল বিস্তর। 


বাংলার ভৌতিক চরিত্রঃ

ঋষি বলে মাগো তব কেমন বিচার। 

সর্বদা চঞ্চলা হয়ে ফির দ্বারে দ্বার। 


মর্ত্যবাসী সন তাই ভুগিছে দুর্গতি। 

ক্ষণেকের তরে তব নাহি কোথা স্থিতি। 


প্রতিদিন অন্নভাবে সবে দুঃখ পায়। 

প্রতি গৃহে অনশন জীর্ণ-শীর্ণকায়। 


নারদের বাক্য শুনি লক্ষ্মী ঠাকুরাণী। 

সঘনে নিঃশ্বাস ত্যজি কহে মৃদুবাণী। 


কভুনা কাহার প্রতি আমি কবি রোষ। 

নরনারী দুঃখ পায় নিজ কর্মদোষ। 


যাও তুমি ঋষিবর ত্রিলোক ভ্রমণে। 

ইহার বিধান আমি করিব যতনে। 


অতঃপর চিত্তি লক্ষ্মী নারায়ণে কয়। 

কিরূপে হরিব দুঃখ কহ দয়াময়। 


হরি কহে শুন সতী বচন আমার। 

মর্ত্যবামে লক্ষ্মী রত করহ প্রচার। 


বৃহস্পতিবারে মিলি যত এয়োগণে। 

সন্ধ্যাকালে পুজি কথা শুনি ভক্তিমনে। 


বাড়িবে ঐশ্বর্য্য তাহে তোমার কৃপায়। 

দুঃখ কষ্ট দূরে যাবে তোমার দয়ায়। 


শ্রীহরির বাক্য শুনি আনন্দিত মনে। 

মর্ত্যে চলিলেন লক্ষ্মী ব্রত প্রচারণে। 


অবন্তী নগরে লক্ষ্মী হ'ল উপনীত। 

দেখিয়া শুনিয়া হ'ল বড়ই স্বস্তিত। 


নগরের লক্ষপতি ধনেশ্বর রায়। 

অগাধ ঐশ্বর্য্য তার কুবেরের প্রায়। 


সোনার সংসার তার শূন্য হিংসা দ্বেষ। 

প্রজাগণে পালিত সে পুত্র নির্বিশেষে। 


এক অন্নে সাত পুত্র রাখি ধনেশ্বর। 

যথাকালে সসম্মানে গেল লোকান্তর। 


পিতার মৃত্যুর পর সপ্ত সহোদর। 

হইল পৃথক অন্ন সপ্ত সহোদর। 


ক্রমে ক্রমে লক্ষ্মীদেবী ছাড়িল সবারে। 

সোনার সংসার সব গেল ছারখারে। 


বৃদ্ধা ধনেশ্বর পত্নী না পারি তিষ্ঠিতে। 

গহণ কাননে যায় জীবন ত্যজিতে। 


হেনকালে ছদ্মবেশে দেবী নারায়ণী। 

বন মাঝে উপনীত হলেন আপনি। 


মধুর বচনে দেবী জিজ্ঞাসে বৃদ্ধারে। 

কিজন্য এসেছ তুমি গ্রহণ কাস্তারে। 


কাঁদিতে কাঁদিতে বৃদ্ধা অতি দুঃখভরে। 

তাহার ভাগ্যের কথা বলিল লক্ষ্মীরে। 


সহিতে না পারি আর সংসার যাতনা। 

ত্যজিব জীবন আমি করেছি বাসনা। 


লক্ষ্মীদেবী বলে শুন আমার বচন। 

মহাপাপ আত্মহত্যা নরকে গমন। 


আমি বলি সাধবী তুমি কর লক্ষ্মীব্রত। 

দুঃখ রবি অস্ত যাবে হবে পূর্বমত। 


মনেতে লক্ষ্মীর মূর্তি করিয়া চিন্তন। 

একমনে ব্রতকথা করিবে শ্রবণ। 


যেই গৃহে লক্ষ্মীব্রত গুরুবারে হয়। 

বাঁধা থকে লক্ষ্মী তথা জানিও নিশ্চয়। 


বলিতে বলিতে দেবী নিজ মূর্তি ধরি। 

দরশন দিল তারে লক্ষ্মী কৃপা করি। 


মূর্তি হেরি বৃদ্ধা তাঁরে প্রণাম করিল। 

আনন্দিত হয়ে বৃদ্ধা গৃহেতে ফিরিল। 


গৃহেতে ফিরিয়া বৃদ্ধা করিল বর্ণন। 

যেরূপে ঘাটল তার দেবী দরশন । 


ব্রতের বিধান সব বধূদের বলে। 

শুনি বন্ধুগণ ব্রত করে কৌতূহলে। 


বধূগণ লয়ে বৃদ্ধা করে লক্ষ্মীব্রত। 

হিংসা দ্বেষ-স্বার্থ ভাব হৈল ডিরোহিত। 


মালক্ষ্মী করিল তথা পুনরাগামন। 

অচিরে হইল গৃহ শাস্তি নিকেতন। 


দৈবযোগে একদিন বৃদ্ধার আলয়ে। 

উপনীত এক নারী ব্রতের সময়ে। 


ব্রতকথা শুনি তার ভক্তি উপজিল। 

লক্ষ্মীব্রত করিবারে মানস করিল। 


স্বামী তার চিররুগ্ন অক্ষম অর্জনে। 

ভিক্ষা করি যাহা পায় খায় দুইজনে। 


এই কথা চিন্তি নারী করিছে কামনা। 

নিরোগ স্বামীরে কর চরণে বাসনা। 


ঘরে গিয়ে এয়ো লয়ে কর লক্ষ্মীব্রত। 

ভক্তিসহ সাধবী নারী পূজে বিধিমত।


দেবীর কৃপায় তার দুঃখ হলো দূর। 

পতি হলো সুস্থ দেহ ঐশ্বর্যা প্রচুর। 


কালক্রমে শুভদিনে জন্মিল তনয়। 

সংসার হইল তার সুখের আলয়।


 দয়াময়ী লক্ষ্মীমাতা সদয় হইল। 

রূপবান পুত্র এক তাহার জন্মিল। 


এইরূপে লক্ষ্মীরত করে ঘরে ঘরে। 

প্রচারিত হয় ক্রমে অবস্তী নগরে। 


শুন শুন এয়োগণ এক অপূর্ব ব্যাপার। 

ব্রতের মাহাত্ম হ'ল যে ভাবে প্রচার। 


অবন্তী নগরে এক গৃহস্থ ভবনে। 

এয়োগণ লক্ষ্মীব্রত করে একমনে। 


সহসা সেখানে এলো বণিক তনয়। 

উপনীত হলো তথা ব্রতের সময়। 


ধনরত্ন আদি করি ভাই পঞ্চজন। 

পরস্পর অনুগত রয় সর্বজন। 


ব্রত দেখি হেলা করি সাধুর তনয়। 

বলে একি রত, ইথে কিবা ফলোসায় । 


সদাগর বাক্য শুনি বলে বামাগণ। 

করি লক্ষ্মীব্রত যাতে কামনা পূরণ। 


এই ব্রত যে করিবে ধনে জনে তার।

লক্ষ্মী বরে হবে তার সোনার সংসার। 


শুনি তাহ্য সদাগর বলে অহঙ্কারে। 

যে জন অভাবে থাকে সে পূজে উহারে। 


ধনৈশ্বর্য্য ভোগ আদি যা কিছু সম্ভবে। 

সবই তো আমার আছে আর কিবা হবে। 


ভাগ্যে না থাকিলে লক্ষ্মী কিবা দিবে ধন। 

হেন কথা কভু আমি না শুনি কখন। 


অহঙ্কার বাক্য লক্ষ্মী সহিতে না পারে। 

গর্বের কারণে লক্ষ্মী ছাড়িল তাহারে। 


ধনমদে মত্ত হয়ে লক্ষ্মী করি হেলা। 

নানা রত্ন পূর্ণ তরী বাণিজ্যেতে গেলা। 


দৈবযোগে লক্ষ্মী কোপে সহ ধনজন। 

সপ্ততরী জলমধ্যে হইল নিমগন। 


গৃহমধ্যে ধনৈশ্বর্য যা ছিল তাহার। 

বজ্রাঘাতে দগ্ধ হয়ে হলো ছারখার। 


দূরে গেল ভ্রাতৃভাব হলো ভিন্ন অন্ন। 

সোনার সংসারে তার সকলে বিপন্ন। 


ভিক্ষাজীবী হয়ে সনে ফিরে ঘরে ঘরে। 

পেটের জ্বালায় ঘোরে দেশ দেশান্তরে।


এরূপ হইল কেন বুঝিতে পারিল। 

কেঁদে কেঁদে লক্ষ্মীস্তব করিতে লাগিল। 


সদয়া হইল লক্ষ্মী তাহার উপরে। 

পুনরায় কৃপা দৃষ্টি দেন সদাগরে। 


মনে মনে মা লক্ষ্মীরে করিয়া প্রণাম। 

রতের সঙ্কল্প করি আসে নিজ ধাম। 


লক্ষ্মীব্রত করে সাধ লয়ে বন্ধুগণ। 

সাধুর সংসার হলো পূর্বের মতন। 


এইভাবে লক্ষ্মীব্রত মর্ত্যেতে প্রচার। 

সদা মনে রেখো সবে লক্ষ্মীব্রত সার। 


এই ব্রত যেই নারী করে একমনে। 

লক্ষ্মীর কৃপায় সেই বাড়ে ধনে জনে।। 


করযোড় করি হাত ভক্তি যুক্ত মনে। 

করহ প্রণাম এবে যে থাক যেখানে। 


ব্রতকথা যেবা পড়ে যেবা রাখে ঘরে। 

লক্ষ্মীর কৃপায় তার মনোবাঞ্ছা পুরে। 


লক্ষ্মীর ব্রতের কথা বড় মধুময়। 

প্রণাম করিয়া যাও যে যার আলয়। 


লক্ষ্মী ব্রতকথা হেথা হৈল সমাপন। 

মনের আনন্দে বল লক্ষ্মীনারায়ণ। 


অথ প্রতি বৃহস্পতিবারের লক্ষ্মীদেবীর ব্রতকথা সমাপ্ত-

তিনি জীবিত আছেন আমাদের মাঝে। কোটি কোটি হৃদয়ের মাঝে। জুবিন গর্গ

তিনি জীবিত আছেন আমাদের মাঝে।  কোটি কোটি হৃদয়ের মাঝে।  জুবিন গর্গ এখন শুধুমাত্র একটি নাম নয় , কোটি কোটি মানুষের আনন্দ, বেদনা , যন্ত্রনা।  আগামী ১৮ই নভেম্বর তাঁর জন্মদিন , মহান শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সমন্ধে কিছু কথা -


জুবিন গার্গ শুধুমাত্র একজন গায়ক বা অভিনেতা নন, তিনি আসামের সমাজ, সংস্কৃতি ও মানবতার এক নিবেদিত কর্মী। সংগীতের পাশাপাশি তিনি নানাভাবে আসামের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

আরো পড়ুন : এটা ছাড়া শীতের পিকনিকে মজা পাওয়া যায় না।

                         হারহিম শীতে রুম হিটার ব্যবহার করছেন? কিছু সতর্কতা 

তিনি আসামের ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় নিরলস কাজ করে চলেছেন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, উৎসবে ও আন্দোলনে তিনি নিজেকে যুক্ত রাখেন। বিশেষ করে বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সামাজিক সমস্যার সময় তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত “Zubeen Garg Foundation” সমাজকল্যাণমূলক কাজ করে — যেমন দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং শিল্পীদের সহায়তা প্রদান।



জুবিন পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও সক্রিয়। কাজিরাঙা অভয়ারণ্য ও রাইনো সংরক্ষণের প্রচারণায় তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর গানের মাধ্যমে তিনি আসামি জনগণকে পরিবেশ সচেতনতা ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বার্তা দেন।

এছাড়া, আসামি চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে তিনি নির্মাণ করেছেন Mission ChinaKanchenjungha–র মতো জনপ্রিয় সিনেমা। তাঁর এই সব কর্মকাণ্ড আসামের যুবসমাজকে উৎসাহিত করেছে নিজের সংস্কৃতি ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ হতে।

জুবিন গার্গ আজ আসামের এক সাংস্কৃতিক দূত, যার কাজ সংগীতের বাইরে গিয়ে মানুষের হৃদয়ে আলো জ্বালায়।


ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এক অনন্য সংগীতপ্রতিভা হলেন জুবিন গার্গ। তিনি শুধু আসামের নয়, সমগ্র ভারতের সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন। গায়ক, সুরকার, অভিনেতা, সংগীত পরিচালক ও কবি—এই বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী শিল্পী জুবিন গার্গ আজ উত্তর-পূর্ব ভারতের সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রতীক।

জুবিন গার্গ জন্মগ্রহণ করেন ১৮ নভেম্বর ১৯৭২ সালে আসামের তিনসুকিয়ার তিরাপ অঞ্চলে। তাঁর পিতা মোহিনী বর্মন গার্গ ছিলেন একজন বিখ্যাত সংগীত শিক্ষক ও অভিনেতা, আর মাতা ইলাবতী গার্গও ছিলেন সংগীতপ্রেমী। ছোটবেলা থেকেই সংগীত তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি প্রথম হারমোনিয়াম বাজানো শুরু করেন এবং খুব অল্প বয়সেই বিভিন্ন আসামি ও বাংলা গান গাইতে শুরু করেন।

জুবিনের সংগীত শিক্ষা শুরু হয় তাঁর পিতার কাছ থেকেই। পরে তিনি শাস্ত্রীয় সংগীত, ভজন, এবং আধুনিক সংগীতে দক্ষতা অর্জন করেন। কৈশোরে তিনি গঠন করেন একটি ব্যান্ড—“The Electric Piano”, যা আসামের যুবসমাজের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৯২ সালে তাঁর প্রথম অ্যালবাম “Anamika” প্রকাশ পায় এবং বিশাল সাফল্য অর্জন করে। এই অ্যালবামই তাঁকে মূলধারার সংগীতজগতে পরিচিতি এনে দেয়।

এরপর থেকে জুবিন গার্গ আসামি, বাংলা, হিন্দি, ও অন্যান্য বহু ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছেন। বলিউডে তাঁর প্রবেশ ঘটে ১৯৯৫ সালে, যখন তিনি গান গাইলেন ‘Dil Se’ সিনেমার বিখ্যাত গান “Ya Ali” (২০০6, সিনেমা Gangster) এর মাধ্যমে, যা তাঁকে সারাদেশে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে। এই গান আজও ভারতের অন্যতম শ্রুতিমধুর ও প্রভাবশালী সঙ্গীত হিসেবে বিবেচিত।

জুবিন শুধু গায়ক নন, তিনি একজন সফল সুরকার ও সংগীত পরিচালকও। বহু আসামি সিনেমায় তিনি সুর দিয়েছেন এবং নিজেও অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে Mission China (২০১৭), Kanchenjungha, Mon Jaai ইত্যাদি। তিনি নিজেই পরিচালনা করেছেন Mission China, যা আসামি চলচ্চিত্র জগতে বাণিজ্যিকভাবে অন্যতম সফল ছবি।

জুবিন গার্গ সমাজসেবামূলক কাজেও অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী রক্ষা, এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্য নানা প্রচারাভিযান চালিয়েছেন। আসামের প্রিয় ‘Rockstar’ হিসেবে তিনি তরুণদের মাঝে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তাঁর গাওয়া জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে—

  • “Ya Ali” (Gangster)

  • “Bismillah”

  • “Yaara”

  • “Pakhi” (Assamese)

  • “Maya”

  • “O Senai”

  • “Tumi Asiba”

  • “Mon” ইত্যাদি।

তাঁর গানে কখনও গভীর ব্যথা, কখনও প্রেমের আবেগ, আবার কখনও সামাজিক বার্তা মিশে থাকে। এজন্যই তাঁর গান শুধুমাত্র বিনোদন নয়, মানুষের অনুভূতির প্রতিফলনও।

ব্যক্তিগত জীবনে জুবিন গার্গের স্ত্রী গারিমা শইকীয়া গার্গ, যিনি নিজেও একজন সংগীতশিল্পী ও সমাজকর্মী। তাঁদের বিবাহিত জীবন শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি এক যৌথ ভালোবাসার মাধ্যমে সমৃদ্ধ।

জুবিনের জীবনের পথ সবসময় সহজ ছিল না। তিনি নানা বিতর্ক, মানসিক চাপ, ও ব্যক্তিগত সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন। তবুও তাঁর সংগীত ও অনুপ্রেরণার শক্তি তাঁকে বারবার নতুন করে জাগিয়েছে। তিনি নিজের কথা একবার বলেছিলেন—

“আমি গাই শুধুমাত্র হৃদয়ের জন্য, খ্যাতির জন্য নয়।”

আজ জুবিন গার্গ কেবল একজন গায়ক নন—তিনি আসামের গর্ব, ভারতীয় সংগীতের প্রাণ, এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাঁর কণ্ঠে যে মাধুর্য ও আবেগ, তা তাকে সত্যিকার অর্থে “সঙ্গীতের জুবিন” করে তুলেছে।

বিহারের ১০টি প্রধান উৎসব: সময়সীমা এবং উৎসবের বর্ণনা সহ পূর্ণ তালিকা

বিহারের মূল এবং সবচেয়ে পরিচিত উৎসবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হল ছট পূজা। এছাড়াও আরও কিছু বিখ্যাত উৎসব ও মেলা প্রতিবছর বিহারে উদযাপিত হয:



বিহারের প্রধান উৎসবছট পূজা: সূর্য দেবতা এবং ছটি মাইয়ার আরাধনায় বিহারের সবচেয়ে পবিত্র ও প্রধান হিন্দু উৎসব। কঠোর উপবাস, নদীর ঘাটে উপাসনা, এবং প্রার্থনা এর বৈশিষ্ট্য।

ভারতের মহিলা ক্রিকেট টীম 

সামা-চাকেভা: প্রধানত মিথিলাঞ্চলে পালিত ভাই-বোনের সম্পর্কের সুন্দর উৎসব 


শ্রাবণী মেলা: দেবঘর, ঝাড়খণ্ড ও বিহারের ধর্মস্থানে শিবের উপাসনার জন্য প্রসিদ্ধ সোনাপুর


শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর প্রতি বৃহস্পতিবারের ব্রতকথা - Laxmi Brata

গরুর মেলা: এশিয়ার বিখ্যাত পশু মেলা


মকর সংক্রান্তি: ফসল তোলার উৎসব, মকর সংক্রান্তি মেলা এবং বিহুলা উৎসব


তীজ ও জিতিয়া: বিশেষত নারীদের উপবাস ও পারিবারিক মঙ্গল কামনায় পালন


রাজগীর মহোৎসব: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকসংস্কৃতির মেলাঅন্যান্য উদযাপিত উৎসব


বুদ্ধ পূর্ণিমা/বুদ্ধ জয়ন্তী: বোধ গয়াতে পালিত ঈদ, হোলি, দীপাবলি: অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব এই উৎসবগুলো বিহারি রা অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও পরম্পরাগত ভাবে পালন করে, আর এগুলির সঙ্গে বিহারের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধন গভীরভাবে জড়িত।


প্রধান উৎসবগুলোর একটি বিশদ তালিকা ও সময় হলো:


ছট পূজা: অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে পালিত হয়, যা বিহারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। সূর্য দেব ও ছটি মাইয়ার আরাধনায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।


মকর সংক্রান্তি: প্রতি বছরের ১৩-১৪ জানুয়ারি (কখনো কখনো ১৫ জানুয়ারি), সূর্য কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ উপলে পালিত


হোলি: মার্চ মাসে, বিভিন্ন তারিখে পালিত যার মধ্যে হোলিকার দহন একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ


দীপাবলি: অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে পালিত হয়।


মহাশিবরাত্রি: ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে, বিশেষ করে ভক্তদের মধ্যে প্রচণ্ড জনপ্রিয়


যতিয়া বা যতিয়া ব্রত: সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে পালন করা হয়, এটি মাতৃদেবতার প্রতি উৎসর্গীকৃত


দশেরা বা বিজয়দশমী: অক্টোবর মাসে পালিত।


করমা ও বিশ্বকর্মা পূজা, বর্ষা আর নবরাত্রি-সহ অন্যান্য উৎসবও বিহারে সফলভাবে পালন হয়।


প্রতিটি উৎসবের নির্দিষ্ট তারিখ মাস ও বর্ষ অনুসারে বদলায়, তাই বছরের নির্দিষ্ট তারিখ জানতে স্থানীয় ক্যালেন্ডার বা উৎসব তালিকা দেখতে হয়। এই উৎসবগুলোর সময় এবং ধরন বিহারের খাদ্য, সংস্কৃতি, ও ধর্মীয় ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। বিশেষত ছট পূজা বিহারের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক।

শতবর্ষে সুকান্ত ভট্টাচাৰ্য : সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক কর্মজীবন একটি আলোচনা

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৫ আগস্ট ১৯২৬ – ১৩ মে ১৯৪৭) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একটি প্রতিভাধর মার্কসবাদী ও প্রগতিশীল চেতনার কবি। তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন যদিও তার সাহিত্যিক কর্মজীবন খুবই সংক্ষিপ্ত ছিল, মাত্র ৬-৭ বছর। সুকান্ত কিশোর বয়স থেকে লেখা শুরু করেন এবং ছাত্রজীবনে বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় তার আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ হয়। তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির একনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন এবং তার কবিতা শোষিত জনগণের সংগ্রাম ও স্বাধীনতার প্রতি নিবেদিত ছিল।



সুকান্তের জন্ম কলকাতার কালীঘাটে, এক নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে। তার পিতা নিবারণ ভট্টাচার্য এবং মা সুনীতি দেবী। তিনি বেলেঘাটা দেশবন্ধু স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে। তার কবিতায় যুদ্ধ, শোষণ, দুর্ভিক্ষ ও সাম্প্রদায়িক সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সমাজ পরিবর্তনের আদর্শ প্রতিফলিত হয়। সুকান্ত কর্মজীবনে মানুষদের সহজ ভাষায় প্রকাশ করতে পেরেছিলেন তাদের বেদনা ও আশা। তার জীবনের শেষ দিকে দূর্বল স্বাস্থ্য থাকার পর ১৯৪৭ সালে ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।


সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা ও অন্যান্য সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি 'গণমানুষের কবি' হিসেবে পরিচিত। তিনি কবিতা ছাড়াও গান, নাটক, গল্প ও প্রবন্ধ লিখেছিলেন। তার সাহিত্যিক প্রভাব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রভাবিত হলেও তার কবিতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, কমিউনিস্ট ভাবধারায় রচিত এবং বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায় তার পৈতৃক বাড়ি অবস্থিত। তিনি বাংলা সাহিত্যের ক্ষণজন্মা প্রতিভাধর হিসেবে স্মরণীয়।


১. ছাড়পত্র

এই কবিতায় সুকান্ত মানুষ ও সমাজের নিগৃহীতদের মুক্তির প্রতিশ্রুতি বর্ণনা করেছেন। এটি স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি উৎসর্গীকৃত, যেখানে তিনি বলতে চান শোষণ থেকে মুক্তির ছাড়পত্রকে সবাই পাবে।


২. পূর্বাভাস

এই কবিতায় ভবিষ্যতের একটি দৃঢ় ও নতুন পৃথিবীর আভাস দেন সুকান্ত, যেখানে অন্যায় ও অত্যাচার নির্মূল হবে। এটি আশাবাদের কবিতা, যা শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের শক্তি দেয়।


৩. অভিযান

এই কবিতায় সংগ্রামী মানুষের জীবনের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরা হয়েছে। রাস্তার ধূলিকণার মতো মানুষের কলঙ্ক ও বেদনার অভিব্যক্তি এখানে ফুটে ওঠে। এটি সংগ্রামের সাহসী গীত।


৪. হরতাল

শ্রমজীবীদের অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য তাদের সংগ্রামের এক চিত্রণ। এখানে হরতালকে একটি শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে যা শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।


৫. ঘুম নেই

এই কবিতায় কবি দেশের অবস্থা, যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেন। সমাজ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় ঘুম এসে বন্ধ থাকে, কারণ তিনি জানেন সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি।


৬. মিঠেকড়া

এই কবিতায় অসহায় মানুষের কষ্ট আর বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ‘মিঠেকড়া’ শব্দটিকে তরল ও কোমল মনে হলেও, কবি মানুষের ভেতরের যন্ত্রণা ও আশা মোহনীয়ভাবেই প্রকাশ করেছেন।


৭. ফসলের ডাক

কৃষকের প্রতি একটি আবেদন যেখানে তিনি ফসল ফলানোর জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন, যা দেশের সমৃদ্ধির প্রতীক। এটি কৃষিজীবিদের জীবনের সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।


সুকান্তের কবিতাগুলো সাধারণ মানুষের যন্ত্রণা এবং সমাজ পরিবর্তনের আশা নিয়ে গড়ে উঠেছে। তার ভাষা সরল ও হৃদয়স্পর্শী, যা পাঠককে ভাবতে ও শক্তি নিতে উদ্বুদ্ধ করে। তার কবিতায় সামাজিক অবিচার, শোষণ, আর শোষিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা বিদ্যমান থাকে, যা তাকে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দিয়েছে

MORAL STORY : INTELLIGENCE CAN SAVE EVEN A LIFE

Intelligence can save even a life.
A Foolish Lion and A Cleaver Hare

There lived a ferocious lion in a big forest. He used to satisfy his hunger by killing many beasts everybody. 


So, the other beasts being frightened held a meeting to decide how to get rid of this danger. The result of the meeting was to send one beast daily for meal.  




One of them went to the king and told him about their plan. The lion was agreed to their proposal. 


One day it was the turn of a hare. The hare thought out a plan and decided to reach there late. He did accordingly.




When the hare reached the lion at delayed hour, the hungry lion became furious and asked why he was so late. In reply the hare said that an another lion stopped him on the way but he escaped on promise to return to him very soon. 

Hearing this the lion burst into anger and enquired of him where the other lion was and wanted to kill him.

The hare took him to a well and asked him to took into the water of the well. The lion did it and found his own image in the water. The revengeful lion jumped into the well and died.




MORAL STORY : FRUSTRATION SOMETIME EXPRESSES FALSE CONSOLATION

The Fox and the Grapes


Once a fox became very hungry. After some time he came to a vineyard laden with juicy grapes. 





The grapes were however too high up to reach. At first the fox stood upon his hind legs but failed to get them.  


He then took several attempts to reach them but the result was the same. 

The grapes were hanging temptingly before his eyes. He tried his best time and again but failed. 

The fox at last understood that he could  never get them. 

He withdrew himself from further attempt. He went away consoling himself by saying, “Grapes are Sour”

A Life story of Blackboard 

I spend most of my life hanging on a wall in a classroom. I have been an integral learning tool for many decades since the dawn of modern civilization. I feel quite content for having contributed in making the mankind better. A classroom without me would be as dull as a garden without flowers. 



Teachers impart knowledge to students through me. I help them simplify the abstruse concepts of knowledge. Like all other things I have been evolving into better versions. Earlier I used to be any plain hard surface painted black. Then I began to be made out of wood also. As the time advanced I was made out of a special glass. The glass version was quite convenient as cleaning it was quite easy and not much of the chalk remained stuck to my surface. Then people experimented with my colour also. 

Free Antivirus, 20 Site List, Choose Best Product for Your PC / Gadgets (Alexa Rank Wise)


My green board version seems to have become quite popular at schools. Then I evolved into whiteboard gradually. In place of chalks, colourful markers are used which though a bit more expensive, don’t cause chalk dust problems. My most advanced and recent version is white-interactive smart board. A projector attached to a computer projects all the learning data onto my surface thus making classroom learning more efficient, colourful, interactive, engrossing, and effective. Children prefer my smart board version to all other versions. Though I have evolved over the years, however, my prime purpose of spreading the light of knowledge remains to be unchanged.

I am a blackboard on the wall of Class XI of Govt Girls’’ School . I am twenty years old. In my short life I have seen so many girls grow in front of me. They studied and learnt Maths, Science and English and moved on to a class ahead. My elder brother in class XII shouts at me from next door and tells me that now he is taking care of my students. I like it very much when the teacher calls the girls to the blackboard to solve maths problem. 
I keep wishing they will be able to do it. Sometimes the girls scribble on me, behind the teacher’s back. They draw cartoons and write slogans on me. I am cleaned once a day with a wet cloth by the caretaker. During school hours, I am always with my friends the white chalk and the duster. I have to tell you that I am made of a type of stone called slate. 
I was excavated in Hariyana, carved and polished, then sent to a shop selling school supplies. I was brought from Kolkata by the authorities and installed when the classroom was completed. Then came the chairs and desks. I am the most important teaching equipment in the classroom. One day the class teacher entered the classroom excitedly and announced that they were turning the classrooms into smart classrooms. 
The new electronic boards would be connected with internet. The chalk would be replaced with a stylus and the duster was a delete button. It meant that I would be of no use. I would be taken off the walls and maybe given away to schools for poor children. My end was near. I looked lovingly at the children. They were cheering hard. I was happy for them.


Read Another Story >>

MORAL STORY: SELFISHNESS IS ALWAYS PUNISHED.

শিশুদের পড়ার ও শিশুদেরকে বলার জন্য এই ধরণের গল্প যা ইংরেজি তে করা হয়েছে।

The Dog and a Selfish Donkey

Once a dog and a donkey were travelling together. The donkey had a busket of bread on his back. After going a distance they felt hungry. The donkey began to graze by the roadside. 




But the dog had nothing to eat. He prayed to the donkey to give him a piece of bread. But the donkey refused. 




A little later a wolf was seen to come towards them. The donkey began to tremble in fear and requested to dog to stand by him. Now the dog refused and said, “Who he eats alone must fight alone.” 


Saying this the dog went away. At once the wolf jumped on the donkey and ate him up tearing into pieces.


Moral Story: Selfishness is always punished.