এদিক ওদিক ভ্রমণ ২০২৬ শিলিগুড়ি - দার্জিলিং বাসের সময়সূচী: মাত্র ১০৫/- টাকায় পৌঁছে যান শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং সরকারি বাসে (NBSTC) করে।

দার্জিলিং ভ্রমনে শিলিগুড়ির অথবা NJP পৌঁছে তারপর দার্জিলিং যাওয়ার জন্য মূলত বর্তমানে পাঁচটি উপায় আছে -


1. Government Bus (NBSTC) 🚌

2. Sharing Car 🚗 

3. Car Booking 🚐

4. Toy Train 🚂 

5. Bike rent 🚲 


কিন্তু আপনি যদি স্বল্প খরচায় যেতে চান তাহলে NBSTC এর সরকারি বাসে করে যেতে পারেন শিলিগুড়ির _ তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাস থেকে, সেক্ষেত্রে আপনরা টাকা কম লাগলেও সময় কিন্তু একটু বেশি লাগতে পারে এটা একটু মাথায় রাখতে হবে।


শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার বাসের সময়সূচি :

পর্যটকদের জন্য সুখবর, সুলভে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংয়ের জন্য ৭টি বাস

এনবিএসটিসি-র  বাস সকাল ৬টা থেকে ২০ মিনিট ব্যবধানে সাতটি বাস ছেড়ে যায়।


পাহাড়ে বেড়াতে এসে এখন আর প্রচুর টাকা গাড়িভাড়ার জন্য গচ্ছা নয়। পর্যটকদের সুলভে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংয়ে যাতায়াতের জন্য সাতটি বাস চালু করেছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম (এনবিএসটিসি)। অন্যদিকে শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটকে যাতায়াতের জন্য সিকিম সরকার চালু করেছে ১৮টি বাস। তার মধ্যে বাতানুকূল বাসও রয়েছে। পর্যটকরা অনলাইনেও বাসের টিকিট বুক করতে পারবেন। পাহাড়ের জন্য এনবিএসটিসির ২৫টি আসনের ছোট বাস চালু রয়েছে। সেগুলিতে আসনপিছু ভাড়া ১০৫ টাকা। বাসে করে শিলিগুড়ি থেকে তিন ঘন্টায় পর্যটকরা পৌঁছে যেতে পারবেন দার্জিলিং শহরে।


যে পর্যটকরা কম খরচে দার্জিলিংয়ে যেতে চান, তাঁদের এনজেপিতে নেমে অটো অথবা টোটো ভাড়া নিয়ে সোজা চলে যেতে হবে তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাসে। এখানেই মিলে যাবে শৈলশহরে যাওয়ার সরকারি বাস। এখানে সকাল ৬টা থেকে ২০ মিনিট ব্যবধানে সাতটি বাস ছেড়ে যায়। টিকিটের চাহিদা বাড়লে বাসের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।" ফি বছর পর্যটন মরশুমে পর্যটকদের কাছে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ওঠে। 


গ্রীষ্মের মরশুমেও নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ছোট গাড়িতে শৈলশহরে পৌঁছতে সাড়ে তিন হাজার টাকা ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রতি বছর কিছু পর্যটককে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। এনবিএসটিসি বাস পরিষেবার প্রচার বাড়লে ওই সমস্যা অনেকটাই কাটবে।


 পর্যটকদের থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রতি বছর আসে। এনবিএসটিসি-র পরিষেবা থাকলে সেটা মিটবে। শুধু দার্জিলিং রুটে নয়। এনবিএসটিসি-র চেয়ারম্যান জানান, আপাতত গ্যাংটক রুটেও দুটি সরকারি বাস চলছে।



তবে সিকিম রাজ্য পরিবহন পর্যটকদের চাহিদা বুঝে শিলিগুড়ি-গ্যাংটক রুটে ১৮টি সরকারি বাস চালু করেছে। ভাড়া মাত্র ২৭৫ টাকা। শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটকে পৌঁছাতে সময় লাগবে পাঁচ ঘণ্টা। এনজেপি স্টেশনে নেমে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসের কাছে এসএনটি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে গেলে গ্যাংটকের বাস মিলবে। সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত এখান থেকে গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়। ১৮টি বাসের মধ্যে রয়েছে তিনটি বাতানুকূল। ওই বাস পরিষেবা শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে। বাতানুকূল ওই বাসে আসনপিছু ভাড়া ৫০০ টাকা। সরকারি বাস পরিষেবায় খুশি সিকিমের ট্রাভেল এজেন্সিগুলি। সেখানে কাজ করছে ১,৭২৫টি ট্রাভেল এজেন্সি। থাকার জন্য প্রচুর সংখ্যায় হোটেল। পর্যটকদের নিয়ে যাতায়াতের জন্য প্রায় ৩০ হাজার লাক্সারি, সাধারণ ট্যাক্সি এবং ছোট গাড়ি রয়েছে। গ্যাংটকের পর্যটন কর্মী নবীন ছেত্রী জানান, যারা সস্তায় সিকিম ভ্রমণে যেতে চান, তাঁদের কাছে সিকিম রাজ্য সরকারের বাস পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাতায়াতের খরচ কমাতে এখন প্রচুর পর্যটক সরকারি বাসে চলাচল করছেন।

Xxxxx

শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার বাসের সময়সূচি __


🔹 প্রথম বাস - 6 am.

🔹 দ্বিতীয় বাস - 6.20 am.

🔹 তৃতীয় বাস - 6.40 am.

🔹 চতুর্থ বাস - 7 am.

🔹 পঞ্চম বাস - 8 am.

🔹 ষষ্ঠ বাস - 9 am.

🔹 সপ্তম বাস - 10 am.


ওপরের সাতটি বাস কনফার্ম আছে প্রতিদিনের জন্য, সকাল 10 টার পর আরও কিছু বাস থাকতে পারে সেটা কনফার্ম বলা যাচ্ছে না, দার্জিলিং থেকে বাস যদি সঠিক সময় চলে আসতে পারে তাহলে আশা করা যায় যে সকাল 10 টার পর আরও 2 থেকে 3 টা বাস দার্জিলিংয়ের জন্য যেতে পারে, সেটা পুরোপুরি নির্ভর করছে ট্র্যাফিক জ্যামের ওপর। কিন্তু এই সাতটি বাস কনফার্ম থাকছে।


বাসটি ছাড়বে শিলিগুড়ি বাস স্ট্যান্ড (তেনজিং নোরগে সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাস) থেকে আর ড্রপ করবে দার্জিলিং বাস স্ট্যান্ডে ।


আগে অনলাইন টিকিট বুকিং করার অপশন ছিল 2 টা বাসের, সকাল 7 টায় আর 8 টায় কিন্তু বর্তমানে অনলাইনে টিকিট কাটা যাচ্ছে না, সবটাই অফলাইন কাউন্টার টিকিট।


টিকিট ভাড়া থাকছে মাত্র ১০৫/- টাকা।


সময় লাগবে প্রায় 3 ঘণ্টা থেকে 3 ঘন্টা 30 মিনিট, আর যদি ট্র্যাফিক জ্যামে পড়ে তাহলে একটু বেশি সময় লাগতে পারে, পাহাড়ি রাস্তা জ্যামে ওপর নির্ভর করছে।

শীত পড়ছে! আসছে ২০২৬ সাল এখন ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবেন যেসব খাবারের মাধ্যমে

যে খাবার যেভাবে খাবেন 


টমেটো:

টমেটোতে থাকা উপাদান ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা, সতেজ ও মসৃন করে। টমেটো মূলত ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর একটি পুষ্টিকর ফল/সবজি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা, হৃদ্‌স্বাস্থ্য, ত্বক ও চোখের জন্য বিশেষ উপকারী। সকালে খালি পেটে টমেটোর রস পান করুন। এছাড়া টমেটোর রস চালের গুঁড়ি দিয়ে মুখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রকৃতির টোনার হিসেবে কাজ করে। 



গাজর :

ইজের কোষ দেহনের, ত্বক পরিমাৎ উজ্জ্বল করা ও ত্বকের শুভতা কমাতে সহায্য করে। 


(প্রতিদিন রাসায়নিকযুক্ত চিকিৎসা বা সাপ্লিমেন্টের পেছনে ছুটছেন? সেসব ছেড়ে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। )

- ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে  

- সেল রিজেনারেশন বাড়িয়ে ত্বকের টোন ও টেক্সচার উন্নত করে ।

- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা-ক্যারোটিন থাকার কারণে ত্বককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে ।

- ত্বকের শুষ্কতা ও জ্বালা কমায়, হাইড্রেটেড রাখে ।

- প্রাকৃতিক সূর্য সুরক্ষা প্রদান করে, রোদে পোড়া বা ট্যান কমাতে সাহায্য করে।  

- বার্ধক্যজনিত সমস্যা যেমন বলিরেখা ও সূক্ষ্ম রেখা কমিয়ে তরুণত্ব ধরে রাখে।  

- ব্রণ ও দাগ কমাতে সাহায্য করে। 

- ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ও দৃঢ়তা বজায় রাখতে কোলাজেন উৎপাদন উজ্জীবিত করে। 

- ত্বকের ডিটক্সিফিকেশন এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।  

- গাজরের তেলের নিয়মিত ব্যবহার ত্বকের স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।  

সকালে এক থেকে দুটি গাজরের রস পান করুন। এছাড়া গাজর সেদ্ধ করে সবজির সঙ্গে বা স্যালাড হিসেবে খেতে পারেন।


পেঁপে:

পেঁপেতে থাকা এঞ্জাইম পাপেইন প্রোটিন ভাঙ্গতে সাহায্য করে, যা হজমে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। এছাড়া পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পটাসিয়াম থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, প্রদাহ কমায়, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় এবং ত্বক ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও পেঁপে উপকারী ভূমিকা পালন করে। এই সব কারণেই পেঁপে স্বাস্থ্য রক্ষায় খুবই কার্যকরী ফল।


 নিয়মিত তাজা পেঁপে খাওয়ার পাশাপাশি পেপের পেশী মুখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট মতো রেখে জল অমোদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


লেবু :

লেবু ত্বকের জন্য অনেক উপকার করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। লেবু ত্বককে উজ্জ্বল করে, ব্রণ ও পিম্পল কমায়, ছিদ্র শক্ত করে এবং ত্বকের মৃত কোষ দূর করে নতুন কক্ষে সৃজন বাড়ায়। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্যও উপকারী, কারণ লেবু অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া লেবু বয়সের দাগ, কালো দাগ হালকা করতে এবং ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যা বার্ধক্যরোধক হিসেবে কাজ করে। তবে সরাসরি ব্যবহারে সতর্কতা থাকতে হবে কারণ লেবু সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করলে খুশকিতে পড়তে পারে 


লেবুর ত্বকের উপকারিতা সংক্ষেপে:

- ত্বক উজ্জ্বল করেব্রণ ও পিম্পল কমায়

- ছিদ্র শক্ত করে এবং তৈলাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে

- মৃত ত্বক এক্সফোলিয়েট করে

- বয়সের দাগ ও কালো দাগ হালকা করে

-কোলাজেন বৃদ্ধি করে, বার্ধক্যরোধে সাহায্য করে


ব্যবহারের সতর্কতা:

লেবুর রস খুব বেশি ব্যবহারে ত্বকে জ্বালা বা শুষ্কতা হতে পারে 

সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহার করার আগে সতর্কতা জরুরিলেবুর রসকে জল বা মিশ্রণের মাধ্যমে পাতলা করে ব্যবহার করা উচিত।


আপনি যদি লেবু ত্বকে ব্যবহার করতে চান, তবে প্রথমে ছোট অংশে পরীক্ষা করে দেখুন এবং প্রয়োজনে ত্বকের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মুখে লেবুর রস ও মধু ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া স্যালাড বা ভাল যেকোনও সবজির ওপর লেবুর বস দিয়ে খেতে পারেন। 


হলুদ 

হলুদ হলুদ ত্বকের ব্রণ নিস্তেজতা কমাতে সাহায্য করে।

প্রতিদিনের হলুদ ব্যবহারের পাশাপাশি দুধে একটু হলুদ মিশিয়ে পান করতে পারেন, যা স্বাস্থ্য ও ত্বক উভয়ের জন্য ভালো। এছাড়া হলুদ ও দইয়ের সঙ্গে মাখিয়ে ব্যবহার করা যায়।


ত্বকের উপরে হলুদের উপকারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

-প্রদাহ কমায় এবং ফুসকুড়ি দূর করে

-ত্বককে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় করে

-ময়িশ্চারাইজ করে ও শুষ্ক ত্বক নরম করে

-ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে ত্বকের সংক্রমণ কমায়

-ক্ষত বা দাগ দ্রুত সেরে ত্বক মসৃণ করে

-উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বকের রঙ উন্নত করে

-বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে

-ত্বকের তৈলাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে

-মেলানিন কমিয়ে ব্রণ রোধে সহায়ক


এই সুবিধাগুলো হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাবলীর জন্য সম্ভব হয়।



পালংশাক: 

পলাশকে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে। 


এটি স্যালাড সুপ্, স্মৃদিতে মিশিয়ে খাওয়া যায় । 


ত্বকের উপর পালং শাকের উপকারের তালিকা নিম্নরূপ:

-ত্বককে নরম ও মসৃণ করে

-অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে 

-বয়সের ছাপ কমায়

-প্রদাহ কমিয়ে ত্বকের লালচে ভাব দূর

- করেময়শ্চারাইজ করে ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে

-ত্বকের দাগ ও বিবর্ণতা কমাতে সহায়ক

-গ্লো বাড়ায় এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে

-ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে

-ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে

-সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে


এই সুবিধাগুলো পালং শাকের সমৃদ্ধ ভিটামিন, মিনারেল, এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানের কারণে সম্ভব হয়।


সত্যি বলতে, এই শীতের দিনে হয়েক সবজি পাতে রাখতে হবে। তাহলেই অনেকটা চিন্তা মুক্তি সম্ভব।

Travel Edik Odik 2025: মনের মত করে ঘুরে বেড়াতে কেকাবং, কালিম্পঙ এর পাহাড়ঘেরা ধীর শান্ত সবুজ বনবীথি

যে সকল মানুষ ভ্রমণ পিপাসু সেইসব মানুষজন হিলস্টেশনে একটু নিরিবিলি ও মনের প্রশান্তির সন্ধানে হন্যে হয়ে খুঁজে ফেরেন, তাদের সংক্ষিপ্ত সময়সীমার জন্য এটা নিঃসন্দেহে সেরা ঠিকানা। তাদের অবশ্যই ভালো লাগবে এই ঘরোয়া সাচ্ছন্দ্য, উষ্ণতা ও আতিথেয়তা। আকাশ পরিষ্কার থাকলে ঘর থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পাওয়া যেতে পারে যা আপনার ভালোলাগাকে নিঃসন্দহে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে।

কালিম্পঙ শহরের পূর্বদিকে ১৪ কিমি দূরে কেকাবং ( #Kekabong ) নামের এক পাহাড়ি গ্রাম এটি। পাহাড়ঘেরা ধীর শান্ত  সবুজ বনবীথির কোলে এর অবস্থান। কোলাহলমুখর ভিড় থেকে অনেকটাই দূরে এবং দূষণের লেশমাত্র নেই।


নৈসর্গিক পাহাড়ি প্রকৃতি সত্যিই এক স্বপ্নরাজ্যের মতো। দূর থেকে দেখা সবুজে মোড়া পাহাড়গুলোর বুক চিরে যখন নদী বয়ে যায়, তখন প্রকৃতির সৌন্দর্য যেন নতুন করে জন্ম নেয়। ভোরের হালকা কুয়াশার ভেতর দিয়ে সূর্যের প্রথম রশ্মি যখন পাহাড়ের গায়ে পড়ে, তখন সেই দৃশ্য চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। পাখিদের মিষ্টি কিচিরমিচির, ঝর্ণার জলধারার সুর, আর ঠান্ডা হাওয়ার ছোঁয়া—সব মিলিয়ে পাহাড়ি প্রকৃতিতে এক শান্তিময় আবেশ ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যাবেলায় পাহাড়ের গাঁয়ে সূর্যাস্তের আগুনরাঙা আভা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে, যা মনকে করে তোলে প্রশান্ত আর নিরিবিলি। প্রকৃতির এই অনন্য সৌন্দর্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জীবনের সত্যিকারের শান্তি ও আনন্দ লুকিয়ে আছে এই প্রকৃতির কাছেই। পাহাড় শুধু নয়নসুখের জায়গা নয়, এটি আত্মাকে ছুঁয়ে যাওয়া এক অভিজ্ঞতা।


সারা বছরের কর্ম ব্যস্ততার পর একটু রিফ্রেসমেন্ট নিতে পরিবার, প্রিয়জনদের নিয়ে একটু প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে আমরা সবাই চাই। আর হাতের সামনে যখন রয়েছে উত্তরবঙ্গ, তখন আর ভিনরাজ্যে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কোনো প্যাকেজ ট্রিপ এর দরকার পড়বে না। নর্থবেঙ্গল এর যেকোনো অফবিটে, আপনার পছন্দ মতো তারিখে, যেখানে আপনারা যেতে চান তা জানতে পারেন। 

🔸 শীতং

Sittong একটি শান্তিপূর্ণ গ্রাম, যেখানে কমলা বাগান, চা বাগান এবং সুন্দর জলপ্রপাত রয়েছে। এখানকার প্রকৃতি আকর্ষণীয় ও মনোরম, যা প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য আদর্শ গন্তব্য। আদর্শ ভ্রমণকাল অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ভ্রমণকারীরা এখানে পাখি ও বন্যপ্রাণী দেখতে পারেন।

🔸 ️তাবাকশী

Tabakoshi নদীর তীরবর্তী একটি গ্রাম যেখানে প্রাকৃতিক নিস্তব্ধতা ও চা বাগান রয়েছে। এখানে গোপালধারা চা বাগান ও লুকানো জলপ্রপাত দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাবার উপভোগের সুযোগ রয়েছে। প্রকৃতি-প্রেমীদের জন্য চমৎকার একটি ছুটি কাটানোর জায়গা।

🔸 ️কফেরগাঁওন

Kaffergaon একটি নতুন অফবিট গন্তব্য যা লোলেয়গাঁর কাছে অবস্থিত। পাহাড়ে অবস্থিত এ জায়গায় কানচেঞ্জুঙার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পাওয়া যায়। এখানকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, বনভূমি ও লেপচা সংস্কৃতি ভ্রমণকারীদের মন জয় করে। বনভ্রমণ, বনজ অগ্নিকুণ্ড উৎসবের মতো কার্যক্রম এখানে জনপ্রিয়।

🔸️ চারখোল 

Charkhole কালিম্পং থেকে ২৭ কিমি দূরে একটি পাহাড়ি গ্রাম। এখানে বড় পাইন, ওক গাছের বন এবং কানচেঞ্জুঙা পর্বতের অভিজ্ঞান রয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সজীব স্থানীয় আতিথেয়তা এখানে আকর্ষণ। এটি অফবিট পর্যটকদের নতুন প্রিয় গন্তব্য।

🔸️ কোলাখাম

 Kolakham একটি পাহাড় ঘেরা গ্রাম, নেওরা ভ্যালি জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত। এখান থেকে পূর্ব হিমালয়ের অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়। পাহাড়ি ট্রেকিং, পাথরের ওপর হাঁটা ও জলপ্রপাত দর্শন এখানে জনপ্রিয় কার্যক্রম। প্রকৃতি ও অভিযানপ্রিয়দের জন্য সুবর্ণ সুযোগ।

🔸 ️বিজনবাড়ি

Bijanbari একটি বনস্পতি গ্রাম যা ডার্জিলিং থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকে টাইগার হিল, বাটাসিয়া লুপ সহ বিভিন্ন বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান ঘোরা যায়। ট্রেকিংয়ের জন্যও এটি উপযুক্ত গন্তব্য।

🔸️ তাকদা

Takdah হল ডার্জিলিংয়ের কাছে একটি শান্ত পাহাড়ি গ্রাম। এখানে ব্রিটিশ যুগের বাসস্থান, চা বাগান এবং অর্কিড বাগান আছে। এখানকার সাদা কুয়াশা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

🔸 দাওয়াপানি

Dawaipani একটি পাহাড়ি গ্রাম যা ডার্জিলিং থেকে ১৫ কিমি দূরে। যাত্রীরা এখানে হিমালয়ের অপূর্ব দৃশ্য দেখতে পারেন। ঘন পাইন বন ও চা বাগান দ্বারা পরিবেষ্টিত এটি প্রকৃতি-প্রেমীদের জন্য আদর্শ।

🔸 ️Ahaldara

🔸️ Pabong

🔸️ Sangser

🔸️ Kharkagaon 

🔸️ Ramdhura

🔸 ️Lamahata 

🔸️ Rangaroon

🔸️ Kothidhura

🔸 ️Tinchuley 

🔸 ️Mim Tea Estate

🔸 ️Chota Mangwa

🔸 ️Bada Mangwa

🔸 Sukhia Pokhri

🔸 Jorpokhri

🔸️ Baidargaon

🔸️ Samalbong 

🔸 ️Pedong

🔸️ Rungli Tea Estate 

🔸️ Kagay

🔸 ️Mirik

🔸 ️Gopaldhara

🔸 ️Peshok

🔸 ️Lava

🔸️ Lolegaon 

🔸️ Rishop

🔸 ️Fikkalegaon

🔸 Kankebong

🔸 Chisang

🔸️ Pubong

🔸 ️Mayrungaon

🔸 ️Sillerygaon

🔸 ️Daragaon

🔸 ️Risheehut

🔸 ️Lataguri

🔸 ️Jaldapara 

🔸 ️Dooars

🔸 ️Darjeeling 

🔸 ️Gangtok

🔸 ️Pelling

🔸 ️Ravangla 

🔸 ️Borong