প্রতিটি স্মার্টফোনেই রয়েছে খাঁটি সোনা

আপনার স্মার্টফোনও সোনা আছে। আইফোন হলে তো কথাই নেই। সাধরণ স্মার্ট তৈরি করতেও লাগে সোনা। একটি স্মার্টফোনে সামান্য পরিমাণে সোনা থাকলেও গোটা বিশ্বে যত স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয় তার হিসেব কষলে মোট সোনার পরিমাণটাও কম নয়। একটি হিসেব বলছে, খনি থেকে তোলা এক টন কাঁচা সোনা থেকে যতটা ব্যবহারযোগ্য সোনা পাওয়া যায় তার থেকে বেশি সোনা পাওয়া যায় এক টন বাতিল করা স্মার্টফোন থেকে। তাও আবার ব্যাটারি বাদ দিয়ে ওজন করার পরে। রাষ্ট্রসংঘের ইলেকট্রনিক ওয়েস্ট সংক্রান্ত রিপোর্টের দাবি, ৪১টি ফোন থেকে ১ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়।

সোনা খুব ভাল তড়িৎবাহী ধাতু। সেই কারণে, ফোনের চিপের ভিতরে সোনা ব্যবহার করা হয়। ভাল সিগন্যাল পাওয়ার জন্যও ফোনে সোনার ভূমিকা রয়েছে। শুধু সোনাই নয়, স্মার্টফোন তৈরি করতে রুপো এবং প্ল্যাটিনামও ব্যবহার করা হয়। তা হলে স্মার্টফোনের দাম বেশি হবে না কেন?

একটি আইফোনে ০.০০১২ আউন্স সোনা থাকে। এছাড়াও ০.০১২ আউন্স রুপো এবং ০.০০০০১২ আউন্স প্ল্যাটিনাম থাকে। এছাড়াও যথাক্রমে ৫ সেন্ট ও ১২ সেন্ট করে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহৃত হয়।

ডেবিট কার্ড জালিয়াতি

ডেবিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। খবরের কাগজ খুললেই একের পর এক জালিয়াতির খবর।

কিন্তু নিজেকে সুরক্ষিত রাখার দায় ব্যাঙ্কের থেকেও অনেক বেশি নিজেরই। একটু সাবধান হলেই কিন্তু নিজের ডেবিট কার্ডকে সুরক্ষিত রাখা যায়। কী ভাবে? জেনে নিন—
1. ডেবিট কার্ডের বদলে ব্যবহার করুন ক্রেডিট কার্ড: জালিয়াতির ক্ষেত্রে ডেবিট কার্ডের থেকে ক্রেডিট কার্ড অনেক বেশি ভরসাযোগ্য। এর ঝুঁকি তুলনামূলক কম।

2. পিনের বদলে সই করুন: কেনাকাটার সময় লেনদেনে ব্যবসায়ীরা পিন ব্যবহারই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কারণ, ক্রেতা পিন ব্যবহার করলে তাঁদের খরচ কম হয়। আপনার পিন টাইপ থেকে তথ্য নিয়ে নকল কার্ড বানিয়ে টাকা তুলে নিয়ে পারে জালিয়েত। তাই চেষ্টা করুন এমন লেনদেনের ক্ষেত্রে পিনের বদলে সই করতে।

3. ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে নজর রাখুন: অবশ্যই মাঝেমধ্যে নিজের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টে চেক করবেন।কোনও রকম অজানা লেনদেন দেখলে তৎক্ষণাৎ তা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে জানান।

4. অটোমেটিক লেনদেন বন্ধ করুন: অনেক ব্যাঙ্কই তার গ্রাহককে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মধ্যে স্বয়ংক্রিয় লেনদেনের সুযোগ দেয়। এই ক্ষেত্রেও জালিয়াতির সম্ভাবনা থেকে যায়। এই অপশন বন্ধ রাখাই উচিত।

5. পাসওয়ার্ড: আমাদের মধ্যে বেশির ভাগই দীর্ঘদিন ধরে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। মাঝেমধ্যে পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন।

6. ব্যাঙ্ক অ্যালার্ট: ব্যাঙ্ক এসএমএস, ইমেল মারফত গ্রাহককে তাঁর অ্যাকাউন্টে লেনদেনের তথ্য দিয়ে থাকে। সেই পরিষেবা না পেয়ে থাকলে তাড়াতাড়ি ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

7. এটিএম: যে সব ব্যাঙ্ক এটিএমের বাইরে নিরাপক্ষারক্ষী নেই। তা এড়িয়ে চলুন।

8. বিশেষ যন্ত্র: এটিএমে লেনদেনের আগে ভাল করে দেখে নিন সেই ঘরটিতে এটিএম ছাড়া আর কোনও মেশিন লাগানো রয়েছে কি না।

9. অনলাইন কেনাকাটা: কোনও নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ছাড়া অনলাইন কেনাকাটায় কার্ডে লেনদেন করবেন না।

10. হাতবদল: অন্য কোনও ব্যক্তির হাতে ভুলেও কার্ড দেবেন না। এতে আপনার কার্ড বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

11. পিন টাইপ: দোকানে বা রেস্তোরাঁয় লেনদেনের সময় হাতের আড়ালে পিন টাইপ করুন

12. কার্ড হারানো: কার্ড হারিয়ে গেলে একটুও সময় নষ্ট না করে থানা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে জানান। তৎক্ষণাৎ কার্ড ব্লক করে দিন।

ফেং শুই - মানিব্যাগের রং-ই নির্ধারণ করে ধনভাগ্য

পার্সের কোন রং কী প্রভাব ফেলে অর্থভাগ্যে, জানায় ফেং শুই।

প্রাচীন চিনা বাস্তুশাস্ত্র বা ফেং শুই মানুষের ধনভাগ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। মানবজীবনে রং ও বস্তু কী কী প্রভাব ফেলতে পারে, ফেং শুই-এর অন্যতম উপজীব্য। কেবল গৃহ বা অন্তঃপুর নয়, ফেং শুই মতে আপনার ওয়ালেট বা মানিব্যাগও প্রভাব ফেলে আপনার অর্থভাগ্যে। কারণ, ওয়ালেট হল সেই বস্তু, যা সম্পদকে আক্ষরিক অর্থেই ধারণ করে। সুতরাং, পার্স বা ওয়ালেট কেনার সময়ে সতর্ক থাকাটা একান্তভাবেই প্রয়োজন।
জেনে নিন কী বলছে ফেং শুই ওয়ালেট বা মানিব্যাগের রং সম্পর্কে—
ফেং শুই মতে, সোনালি, হলুদ, গোলাপি, সাদা, কালো— এই রংগুলির মধ্যে ইতিবাচক শক্তিকে আকর্ষণের প্রবল ক্ষমতা রয়েছে। এই সব রংয়ের ওয়ালেট সৌভাগ্য এনে দেয়।
  • যাঁরা দ্রুত অর্থলাভ করতে চান, অর্থোপার্জনে ঝুঁকি নিতে পিছপা হন না, তাঁরা যেন ভুলেও সোনালি রংয়ের পার্স ব্যবহার না করেন। মনে রাখতে হবে, পুরো পার্সটির রং সোনালি না হয়ে যদি আংশিক সোনালিও হয়, তা হলেও এই পার্স থেকে দূরে থাকতে হবে চটজলদি আর্থিক সাফল্যের সন্ধানীদের। ধৈর্যশীলদের ক্ষেত্রে এই রংই সৌভাগ্যকে সূচিত করে।
  • গোলাপি রংয়ের পার্স মহিলাদের ক্ষেত্রে সৌভাগ্য এনে দেয়। গোলাপি রংটির সঙ্গে সম্পদবৃদ্ধির সংযোগ রয়েছে।
  • হলুদ পার্স অর্থভাগ্যে ঔজ্জ্বল্য এনে দেয়। চকচকে হলুদ পার্স এমন ক্ষেত্রে দ্রুত ফল দেয়। যদি তা না পাওয়া যায়, সাধারণ হলুদ রংও কাজে আসে।
  • কালো পার্স সব থেকে কমন। ফেং শুই মতে, কালো রংটি অত্যন্ত শক্তিশালী। অর্থ সঞ্চয়কে এই রং নিশ্চিত করে। একথাও বলে ফেং শুই, যদি কেউ অর্থসংকটে পড়েন, তিনি যেন তৎক্ষণাৎ কালো ওয়ালেট ব্যবহার শুরু করেন।
  • লাল ও নীল পার্স সম্পর্কে ফেং শুই সাবধানবাণী শোনায়। এমন রংয়ের ওয়ালেট বা পার্স নেগেটিভ এনার্জি নিয়ে আসে। লাল রং ‘আগুন’-এর প্রতীক। তা বহু কিছুর অস্তিত্বকেই ধ্বংস করে দেয়। সৌভাগ্যকেও লাল রং ধ্বংস করে। আর নীল রং ‘জল’-এর প্রতীক। এই রংও লালের মতো বিপজ্জনক। সৌভাগ্যকে ডোবাতে নীল রংয়ের জুড়ি নেই।